kalerkantho


সিলেট বিভাগে করদাতা সম্মাননা পেলেন ৩৫ জন

সিলেট অফিস   

১৩ নভেম্বর, ২০১৮ ০০:০০



সিলেট বিভাগের সর্বোচ্চ ও দীর্ঘমেয়াদি করদাতাদের সম্মাননা জানিয়েছে কর অঞ্চল সিলেট। গতকাল সোমবার নগরের রিকাবীবাজারের মোহাম্মদ আলী জিমনেশিয়ামে ২০১৭-১৮ করবর্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে চার ক্যাটাগরিতে ৩৫ জন করদাতাকে এ সম্মাননা জানানো হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সদস্য সিরাজুল ইসলাম।

অনুষ্ঠানে সিলেট বিভাগের চার জেলার ও সিলেট সিটি করপোরেশনের সর্বোচ্চ কর প্রদানকারী ১৫ জন, দীর্ঘমেয়াদি করদাতা ১০ জন, সর্বোচ্চ কর প্রদানকারী পাঁচজন নারী করদাতাকে সম্মাননা দেওয়া হয়। এ ছাড়া ৪০ বছরের নিচে পাঁচজন তরুণ করদাতাকে সম্মাননা ও সনদপত্র দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কর কমিশনার আবু হান্নান দেলওয়ার হোসেন। সিলেট চেম্বার অব কমার্সের পরিচালক হিজকিল গোলজারের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন সিলেট বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. সোহরাওয়ার্দী, কাস্টমস এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট গোলাম মো. মুনির, সিলেট সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আশফাক আহমদ, সিলেট মেট্রোপলিটন চেম্বারের সভাপতি হাসিন আহমদ, সিলেট ডিস্ট্রিক ট্যাক্সেস বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মৃত্যুঞ্জয় ধর ভোলা, সিলেট জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক মাহি উদ্দিন সেলিম, সিলেট উইমেন্স চেম্বার সভাপতি স্বর্ণলতা রায়। শুরুতে স্বাগত বক্তব্য দেন যুগ্ম কর কমিশনার শাহেদ আহমদ চৌধুরী।

২০১৭-১৮ করবর্ষে সিলেট সিটি করপোরেশনের সর্বোচ্চ কর প্রদান করে সম্মাননা পাওয়া করদাতারা হলেন এ কে এম আতাউল করিম, জামাল আহমদ চৌধুরী ও নাসিম হোসেইন। দীর্ঘ সময় কর প্রদানকারী দুজন হলেন মো. বদরুল ইসলাম ও ড. মো. আফরোজ। সর্বোচ্চ কর প্রদানকারী নারী হোসনা আক্তার। ৪০ বছরের নিচে তরুণ কর প্রদানকারীর সম্মাননা পান মিজানুর রহমান।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সদস্য সিরাজুল ইসলাম বলেন, ‘মুক্তিযোদ্ধাদের মতো করদাতারাও জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান।’ স্বাধীনতাকে অর্থবহ করতে হলে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি দরকার উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ উন্নতির দিকে যাচ্ছে। এই পথ কঠিন ছিল। ৩৩ বছরে ট্যাক্স সংগ্রহ ২৬ গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। ইটিআইএনধারী ২১ লাখ থেকে বৃদ্ধি পেয়ে ৩৭ লাখ হয়েছে। আগামী ১০ বছরে তা এক কোটিতে পৌঁছাবে।’ তিনি আরো বলেন, ‘আয়কর প্রদান পদ্ধতি সহজ করার জন্য আমরা কাজ করে যাচ্ছি। আগে মানুষ কর দিতে ভয় পেতেন। কিন্তু এখন কর দিতে মানুষের আগ্রহ বাড়ছে।’



মন্তব্য