kalerkantho


আর্থিক প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারাও শুদ্ধাচারে পুরস্কার পাবেন

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ০০:০০



শুদ্ধাচার চর্চার জন্য ব্যাংকের মতো আর্থিক প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীদেরও পুরস্কার দেওয়া হবে। পেশাগত জ্ঞান ও দক্ষতা এবং সততার নিদর্শনসহ ২০টি সূচকের ওপর ভিত্তি করে প্রতিবছর এ পুরস্কার দেওয়া হবে। এ ক্ষেত্রে শতকরা ৮০ নম্বর পেলেই একজন কর্মী পুরস্কারের জন্য মনোনীত হবেন। পুরস্কারের জন্য নির্বাচিতদের একটি সার্টিফিকেট এবং এক মাসের মূল বেতনের সমপরিমাণ অর্থ দেওয়া হবে।

গতকাল মঙ্গলবার দেশের সব আর্থিক প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীর জন্য এসংক্রান্ত নীতিমালা জারি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ‘শুদ্ধাচার পুরস্কার প্রদান নীতিমালা’ ২০১৮ সাল থেকেই কার্যকর হবে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। এর আগে গত মাসে ব্যাংকের জন্যও এ পুরস্কারের নীতিমালা ঘোষণা করা হয়।

নীতিমালায় বলা হয়েছে, শুদ্ধাচারের ২০টি সূচকের প্রতিটি সূচকের নম্বর থাকবে ৫। সূচকগুলো হলো পেশাগত জ্ঞান ও দক্ষতা, সততার নিদর্শন, নির্ভরযোগ্যতা ও কর্তব্যনিষ্ঠা, শৃঙ্খলাবোধ, সহকর্মীদের সঙ্গে আচরণ, সেবাগ্রহীতার সঙ্গে আচরণ, প্রতিষ্ঠানের বিধি-বিধানের প্রতি শ্রদ্ধাশীলতা, সমন্বয় ও নেতৃত্ব দানের ক্ষমতা, তথ্য-প্রযুক্তি ব্যবহারে পারদর্শিতা, পেশাগত, স্বাস্থ্য ও পরিবেশ বিষয়ক নিরাপত্তা সচেতনতা, প্রতিষ্ঠানের প্রতি অঙ্গীকার, উদ্ভাবন ও সৃজনশীলতা চর্চা, বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি বাস্তবায়নে তৎপরতা, সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার, তথ্যের গোপনীয়তা রক্ষা, উপস্থাপন দক্ষতা, প্রতিষ্ঠানের আধুনিকায়নে আগ্রহ, অভিযোগ প্রতিকারে সহযোগিতা, সংশ্লিষ্ট আইন ও বিধানাবলি সম্পর্কে আগ্রহ ও অন্যান্য কার্যক্রম। নীতিমালায় বলা হয়েছে, পুরস্কারের জন্য বিবেচ্য কর্মকর্তা-কর্মচারীকে ন্যূনতম তিন বছর সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে চাকরি করতে হবে। কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারীর গুণাবলির সূচকের বিপরীতে প্রাপ্ত সর্বমোট নম্বরের ভিত্তিতে সেরা কর্মকর্তা-কর্মচারী হিসেবে মূল্যায়ন করা হবে। কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারীর প্রাপ্ত নম্বর কমপক্ষে ৮০ না হলে তিনি শুদ্ধাচার পুরস্কারের জন্য বিবেচিত হবেন না। এ ছাড়া কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারী যেকোনো ইংরেজি পঞ্জিকা বর্ষে একবার শুদ্ধাচার পুরস্কার পেলে তিনি পরবর্তী তিন পঞ্জিকা বর্ষের মধ্যে পুনরায় পুরস্কার পাওয়ার জন্য বিবেচিত হবেন না।



মন্তব্য