kalerkantho


বিমানবন্দরে কার্গো সেবা ২৪ ঘণ্টা চালুর উদ্যোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১২ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ০০:০০



বিমানবন্দরে কার্গো সেবা ২৪ ঘণ্টা চালুর উদ্যোগ

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিমানবন্দরের যাত্রীসেবার মান উন্নয়ন ও কার্গো সেবা ২৪ ঘণ্টা চালু রাখার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা জরুরি ভিত্তিতে গ্রহণ করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব মো. নজিবুর রহমানের সভাপতিত্বে সংশ্লিষ্টদের নিয়ে অনুষ্ঠিত এক সভায় এ নির্দেশ দেওয়া হয়। বৈঠকে ওয়ানস্টপ সার্ভিস চালুকরণ, আমদানীকৃত মালপত্র খালাস করার জন্য ব্যাংকগুলোর বৈদেশিক লেনদেনসংক্রান্ত শাখাগুলো শনিবারেও খোলা রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। গতকাল এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সরকারি ও বেসরকারি অংশীজনের অংশগ্রহণে গতকাল সোমবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সভায় এসডিজি বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক আবুল কালাম আজাদ, এফবিসিসিআই সভাপতি শফিউল ইসলাম মহিউদ্দিন, বিজিএমইএ সভাপতি সিদ্দিকুর রহমানসহ বিভিন্ন স্টেকহোল্ডার প্রতিনিধিরা এবং সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার বিকেলে ব্যাংক থেকে সম্পন্নকৃত এয়ারওয়ে বিলের মালপত্র শনিবার ডেলিভারি দেওয়ার প্রক্রিয়া গ্রহণ করা হবে এবং কাস্টমস প্রয়োজনীয় জনবলসহ উপস্থিত থাকবে। সভার অন্যান্য সিদ্ধান্তগুলো হচ্ছে—(১) ঢাকা বিমানবন্দরে কার্গো আগমনের আগেই প্রি অ্যারাইভাল প্রসেসিং সম্পন্ন করতে হবে। পদ্ধতিটি চালু করার জন্য জরুরি ভিত্তিতে এনবিআর থেকে এসআরও জারি করতে হবে। (২) প্রতি কার্যদিবসে মালপত্র ডেলিভারি দেওয়ার জন্য রাত ৯টা পর্যন্ত ওয়্যারহাউস খোলা রাখার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। এ ছাড়া যদি কোনো এয়ারওয়ে বিল পেন্ডিং থাকে তা ক্লিয়ারের উদ্দেশ্যে বর্ধিত সময়ের জন্য ওয়্যারহাউস খোলা রাখতে হবে। (৩) দ্রুত বিল অফ এন্ট্রি প্রসেসিং ও শুল্কায়ন কার্যক্রম ত্বরান্বিত করার জন্য জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সার্ভার এবং কম্পিউটারের কনফিগারেশন বাড়ানোর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। (৫) আমদানীকৃত মালপত্র খালাস করার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট সংস্থার দায়িত্ব এবং তা সম্পাদনের প্রক্রিয়া বিষয়ে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) সদস্যের (অপারেশন অ্যান্ড প্ল্যান) নেতৃত্বে গঠিত কমিটি ফ্লোচার্ট তৈরি করবেন। (৬) আমদানীকৃত মালপত্র খালাস করার প্রক্রিয়াকে সহজ করতে হবে। এ প্রক্রিয়ার সঙ্গে জড়িত সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের একজন করে ফোকাল পয়েন্ট নিয়োগ করবে। বেবিচকের সদস্য (অপারেশন অ্যান্ড প্ল্যান) মূল ফোকাল পয়েন্টের দায়িত্ব পালন করবেন এবং বিষয়টি সমন্বয় করবেন। (৭) বেবিচকের একটি হটলাইন নাম্বার থাকবে এবং এ সম্পর্কিত অভিযোগ ও পরামর্শ সেখানে দেওয়া যাবে। (৮) এ ছাড়া বিমানবন্দরের যাত্রীসেবার মান উন্নয়ন করতে হবে।



মন্তব্য