kalerkantho


গ্রামীণ অর্থনীতিতে অবদান রাখতে চায় সীমান্ত ব্যাংক

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ০০:০০



গ্রামীণ অর্থনীতিতে অবদান রাখতে চায় সীমান্ত ব্যাংক

সীমান্ত ব্যাংক : দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে গতকাল শনিবার রাজধানীর সীমান্ত স্কয়ারে সংবাদ সম্মেলন করেছে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ। এতে বক্তব্য দেন ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মুখলেসুর রহমান।

বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টের মালিকানাধীন সীমান্ত ব্যাংক তিন বছরে পদার্পণ করেছে। সীমাহীন আস্থা স্লোগানে ২০১৬ সালের ১ সেপ্টেম্বর ব্যাংকটির বাণিজ্যিক কার্যক্রম উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিন বছরে পদার্পণ এবং দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে গতকাল শনিবার রাজধানীর সীমান্ত স্কয়ারে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে ব্যাংকটি। এতে বক্তব্য দেন ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মুখলেসুর রহমান। এ সময় ব্যাংকের অন্যান্য কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন। 

মুখলেসুর রহমান বলেন, দুই বছরে ২৫ হাজার গ্রাহক এবং সংগৃহীত আমানতের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৬০০ কোটি টাকা। একই সময়ে ঋণ বিতরণ করেছে ৪৫০ কোটি টাকা। এক পয়সাও খেলাপি হয়নি এখনো। দেড় শতাধিক কর্মী নিয়ে যাত্রা শুরুর পর দুই বছরে ব্যাংকটির ১৩টি শাখা খোলা হয়েছে। এর মধ্যে শহরে শাখা ৯টি, গ্রামে চারটি। গ্রামের শাখাগুলোর মধ্যে দুটি শাখা একেবারে প্রত্যন্ত অঞ্চলে। চলতি বছর আরো তিনটি শাখা খোলা হবে গ্রামেই। দ্বিতীয় বছর থেকেই মুনাফায় এসেছে ব্যাংকটি।

তিনি আরো বলেন, ‘আমরা আগ্রাসী ব্যাংকিং করছি না, উন্নয়নশীল ব্যাংকিং করছি। দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে আমাদের প্রধান উদ্দেশ্য গ্রামীণ অর্থনীতিতে অবদান রাখা। কারণ গ্রামীণ অর্থনীতি বাংলাদেশের অর্থনীতির প্রাণ।

সম্মেলনে জানানো হয়, এ ব্যাংক থেকে বিজিবি সদস্য কিংবা তাদের পরিবারকে সহজ শর্তে ঋণ দেওয়া হবে। থাকবে পেনশন স্কিম, গৃহনির্মাণ ঋণ, দুরারোগ্য রোগের জন্য চিকিৎসা সহায়তা। তবে এটা শুধুই বিজিবির ব্যাংক না, এটি তফসিলভুক্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক।

 

 



মন্তব্য