kalerkantho


গ্রামীণফোনের কর-পরবর্তী নেট মুনাফা বেড়ে ১৭২০ কোটি টাকা

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৭ জুলাই, ২০১৮ ০০:০০



গ্রামীণফোনের কর-পরবর্তী নেট মুনাফা বেড়ে ১৭২০ কোটি টাকা

প্রতিবেদন প্রকাশ অনুষ্ঠানে গ্রামীণফোনের সিইও মাইকেল ফোলি

ছয় কোটি ৯২ লাখ গ্রাহক নিয়ে চলতি বছরের প্রথমভাগে গ্রামীণফোনের প্রবৃদ্ধি ছিল গত বছরের তুলনায় ৫.৯ শতাংশ বেশি। এ সময়ে তাদের ডাটা গ্রাহক বা ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে তিন কোটি ৪৫ লাখ, যা মোট গ্রাহকের ৪৯.৯ শতাংশ। গতকাল সোমবার গ্রামীণফোন প্রকাশিত এক আর্থিক প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে আসে।

এ সময়ে গ্রামীণফোনের রাজস্ব আয় হয়েছে ৬৩৮০ কোটি টাকা, যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ১.২ শতাংশ বেশি। ডাটা থেকে অর্জিত রাজস্বের প্রবৃদ্ধি ছিল ২১.১ শতাংশ আর ভয়েস থেকে অর্জিত রাজস্বের প্রবৃদ্ধি হয় ২.৪ শতাংশ। গত প্রান্তিক থেকে অনুসৃত নতুন অ্যাকাউন্টিং নিয়মাবলিকে আমলে নিয়ে গত বছরের তুলনায় গ্রামীণফোনের মোট রাজস্ব প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৪.৬ শতাংশ।

এ বিষয়ে গ্রামীণফোনের সিইও মাইকেল ফোলি বলেন, ‘বিরূপ আবহাওয়া এবং তীব্র প্রতিযোগিতার কারণে ২০১৮-এর প্রথমার্ধ ছিল খুবই কঠিন। তবুও আমরা স্বাস্থ্যকর প্রবৃদ্ধি এবং মার্জিন বজায় রাখতে পেরেছি।’

তিনি আরো বলেন, ‘আমরা ২০ লাখ ৪জি গ্রাহকের মাইলফলক অতিক্রম করেছি এবং গ্রাহকদের সেরা অভিজ্ঞতা দিতে আমাদের নেটওয়ার্ক বিস্তার ও আধুনিকায়নের কাজ পরিকল্পনামাফিক এগিয়ে চলছে। আমাদের সুসংহত ভয়েস ও প্রতিযোগিতামূলক ডাটা অফার গ্রাহকদের কাছে আকর্ষণীয় হয়েছে।’

জানানো হয়, বছরের প্রথমার্ধে কর-পরবর্তী নেট মুনাফা হয়েছে ২৬ শতাংশ মার্জিনসহ ১৭২০ কোটি টাকা। এই সময় শেয়ারপ্রতি আয় অর্থাৎ ইপিএস ১২.৭৪ টাকা হয়েছে।

গ্রামীণফোনের সিএফও কার্ল এরিক ব্রোতেন বলেন, ‘বছরের প্রথমার্ধে গ্রামীণফোনের ইবিআইটিডিএ এবং মার্জিন দুটিই বেড়েছে। বিভিন্ন চ্যালেঞ্জের মধ্যেও আমরা ইতিবাচকভাবে ২০১৮-এর প্রথমার্ধ শেষ করতে পেরেছি।’

তিনি আরো বলেন, ‘আমি আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে গ্রামীণফোনের বোর্ড পরিশোধিত মূলধনের ১২৫ শতাংশ অন্তর্বর্তী লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে।’

সংবাদ সম্মেলনে আরো জানানো হয়, গ্রামীণফোন ৪জি লাইসেন্স, স্পেকট্রাম, প্রযুক্তি নিরপেক্ষতা ফি এবং নেটওয়ার্ক কাভারেজ ও সমতা বৃদ্ধিতে বছরের প্রথমার্ধে বিনিয়োগ করেছে দুই হাজার ৫৪০ কোটি টাকা। এই সময়ে কম্পানি কর, ভ্যাট, শুল্ক, স্পেকট্রাম বরাদ্দ, প্রযুক্তি নিরাপত্তা ও লাইসেন্স ফি আকারে রাষ্ট্রীয় কোষাগারে চার হাজার ৭৯০ কোটি টাকা দিয়েছে, যা মোট রাজস্বের ৭৪.৭ শতাংশ।



মন্তব্য