kalerkantho


পুঁজিবাজারে দরপতন চলছেই

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২৪ মে, ২০১৮ ০০:০০



দেশের পুঁজিবাজারে সূচকের পতন অব্যাহত রয়েছেই। ১৩ দিনের একটানা পতনে একদিন উত্থান ঘটলেও পরদিন থেকে আবারও পতন শুরু হয়েছে। প্রতিদিনই বাড়ছে শেয়ার বিক্রির চাপ, আর শেয়ারের দাম কমছে। আর সূচকও কমেই চলেছে।

তবে কী কারণে বাজারে এমন পতন ঘটছে নির্দিষ্ট করে সংশ্লিষ্টরা কেউ কিছু বলছেই না। বরং বাজারে তারল্য সংকট ও কিছু দাবিদাওয়া মেনে না নেওয়ায় বাংলাদেশ ব্যাংককেই দায়ী করছে তারা। ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারী শেয়ার বিক্রি করলেও প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীও নিষ্ক্রিয়। যার জন্যই বাজারে পতন দীর্ঘায়িত হচ্ছে। এ ছাড়া রমজান মাস ও ব্যাংক ডিপোজিটে সুদ বেশি হওয়ায় মূলধন বাইরে চলে যাচ্ছে বলেও মন্তব্য সংশ্লিষ্টদের।

গত ২৬ এপ্রিল থেকে পুঁজিবাজারে একটানা ১৩ কার্যদিবস পতন ঘটে। গত সোমবার সূচক ঊর্ধ্বমুখী ও লেনদেন বাড়ে। একদিন সূচক বাড়ার পর আবারও কমতে শুরু করেছে সূচক। লেনদেন কমার সঙ্গে বেশির ভাগ কম্পানির শেয়ারের দামও কমছে।

সপ্তাহের চতুর্থ কার্যদিবস গতকাল বুধবার দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন হয়েছে ৪৮৮ কোটি ৬০ লাখ টাকা। আর সূচক কমেছে প্রায় ৩১ পয়েন্ট। আগের দিন লেনদেন হয়েছিল ৪৩৮ কোটি ৪১ লাখ টাকা। আর সূচক কমেছিল ২১ পয়েন্ট।

বাজার পর্যালোচনায় দেখা যায়, লেনদেন শুরুর পর থেকেই পুঁজিবাজারে শেয়ার বিক্রির চাপ বাড়তে থাকে। আর চাপ বাড়ার সঙ্গে সূচকের পতনও ত্বরান্বিত হয়। দিন শেষে সূচক কমে দাঁড়িয়েছে পাঁচ হাজার ৩৬১ পয়েন্ট। ডিএস-৩০ মূল্যসূচক ২.৩৭ পয়েন্ট কমে এক হাজার ৯৮৮ পয়েন্ট ও ডিএসইএস শরিয়াহ সূচক ১১ পয়েন্ট কমে এক হাজার ২৫১ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। লেনদেন হওয়া ৩২৯ কম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ৬০টির, কমেছে ২৩০টির ও অপরিবর্তিত রয়েছে ৩৯ কম্পানির শেয়ারের দাম।

লেনদেনের ভিত্তিতে শীর্ষে রয়েছে ব্র্যাক ব্যাংক। কম্পানিটির লেনদেন হয়েছে ২৮ কোটি ৯৩ লাখ টাকা।

সিএসইতে লেনদেন হয়েছে ১৮ কোটি ৫৪ লাখ টাকা। আর সূচক কমেছে ১৮ পয়েন্ট। আগের দিন লেনদেন হয়েছিল ২৫ কোটি ৪০ লাখ টাকা। আর সূচক কমেছিল ২৯ পয়েন্ট। বুধবার লেনদেন হওয়া ২১৩ কম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ৫৮টির, দাম কমেছে ১৩১টির আর অপরিবর্তিত রয়েছে ২৪ কম্পানির শেয়ারের দাম।



মন্তব্য