kalerkantho


ডিজিটাল এজেন্সি হিসেবে যাত্রা শুরু করল ডি’রিচ

বাণিজ্য ডেস্ক   

২৭ এপ্রিল, ২০১৮ ০০:০০



বাংলাদেশে ডেন্টসু এজিস নেটওয়ার্কের অঙ্গপ্রতিষ্ঠান ম্যাকম/ডেন্টসু এবং মিডিয়াঅ্যাকসেস/কারাট-ডেন্টসু এজিস নেটওয়ার্কের স্বতন্ত্র ডিজিটাল এজেন্সি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করল ডি’রিচ। সম্প্রতি রাজধানীর ওয়েস্টিন হোটেলে এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে নতুন এই ডিজিটাল এজেন্সির আত্মপ্রকাশ ঘোষণা করা হয়।

উদ্বোধন অনুষ্ঠানে ডি’রিচের ডিজিটাল লিডারশিপের পরিকল্পনা এবং বাংলাদেশের ডিজিটাল বিজ্ঞাপনের ধারা বদলে দেওয়ার রূপরেখা নিয়ে আলোচনা করা হয়। কনজ্যুমার ইনসাইট, কম্পিটেটিভ ইনসাইট, প্ল্যানিং, বাইং, ক্যাম্পেইন অপটিমাইজেশন এবং রিপোর্টিংয়ের মতো সব কার্যক্রমের একটি পূর্ণাঙ্গ সেবা প্রদানের প্রতিশ্রুতি নিয়ে যাত্রা শুরু করল ডি’রিচ। এর পাশাপাশি তারা শিগগিরই ইনঅ্যাপ ভিডিও বিজ্ঞাপন ও প্রিমিয়াম অনলাইন ক্রিকেট প্রপার্টি সেবা চালু করার ঘোষণা দেয়। এ ছাড়া ডি’রিচের লক্ষ্য আছে এআই, ভিআর এবং এআরের মতো অত্যাধুনিক সেবা নিয়ে নিজেদের শক্ত অবস্থান তৈরি করার। ডি’রিচকে সব ধরনের ডিজিটাল সহযোগিতা প্রদান করবে আইসোবার, আইপ্রসপেক্ট, এসভিজির মতো ডেন্টসু এজিস নেটওয়ার্কের সব ডিজিটাল প্রতিষ্ঠান।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ডেন্টসু এজিস নেটওয়ার্ক দক্ষিণ এশিয়ার চেয়ারম্যান ও সিইও আশীষ ভাসিন, আইসোবারের এমডি শামসুদ্দীন জাসানী, এসভিজির সহপ্রতিষ্ঠাতা ও সিইও চিরাগ শাহ্। এর পাশাপাশি ডি’রিচের পক্ষ থেকে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠানের এমডি রাবেত খান এবং মিডিয়াঅ্যাকসেস/কারাট-ডেন্টসু এজিস নেটওয়ার্কের চিফ অপারেটিং অফিসার ও ডিরেক্টর রাকিবুল হাসান।

ডি’রিচের উদ্বোধনী বক্তব্যে ডেন্টসু এজিস নেটওয়ার্ক দক্ষিণ এশিয়ার চেয়ারম্যান ও সিইও আশীষ ভাসিন বলেন, ‘বাংলাদেশ বিশ্ব অর্থনীতিতে একটি দ্রুত বর্ধনশীল দেশ এবং এই অগ্রগতিকে আরো এগিয়ে নিয়ে যেতে শক্তিশালী ভূমিকা পালন করবে ডিজিটাল উন্নয়ন। ডেন্টসু এজিস নেটওয়ার্ক  বিশ্বাস করে, ২০২০ সালের মধ্যে আমরা একটি শতভাগ ডিজিটাল অর্থনৈতিক সত্তায় পরিণত হব এবং বিশাল বিনিয়োগ নিয়ে এই অঞ্চলের উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে পারব। আমাদের অংশীদার ম্যাকম/ডেন্টসু এবং মিডিয়াঅ্যাকসেস/কারাট-ডেন্টসু এজিস নেটওয়ার্ক এরই মধ্যে এই অঞ্চলে নিজেদের শক্ত অবস্থান তৈরি করে নিয়েছে।’

ডি’রিচের এমডি রাবেত খান বলেন, ‘বর্তমানে আমাদের সবার জীবনই ডিজিটাল মাধ্যম দ্বারা প্রভাবিত। আমরা অনলাইনে সংবাদ দেখি, অনলাইনে খেলা দেখি, সবার সঙ্গে যোগাযোগ করি বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। আমদের বিনোদন এখন অনলাইন, কেনাকাটা অনলাইন, আমরা ব্লগ লিখি—এমনকি খাবারও অর্ডার করি অনলাইনের মাধ্যমে। আজ থেকে তিন বছর আগেও ব্র্যান্ডগুলো ডিজিটাল মাধ্যমে খরচ করত ২ থেকে ৩ শতাংশ। কিন্তু আজ ২০১৮ সালে এসে আমরা দেখছি দেশের বড় ব্র্যান্ডগুলো এই খরচ বাড়িয়ে ১০ শতাংশেরও অনেক ওপরে নিয়ে গেছে। এখন সময় এসেছে সাধারণের চেয়েও অনেক বেশি ডিজিটাল সেবা নিয়ে আসার।’



মন্তব্য