kalerkantho


ঋণাত্মক পুঁজিবাজারে কারসাজি খতিয়ে দেখার নির্দেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২০ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ০০:০০



পুঁজিবাজারের ঋণাত্মক বা নেতিবাচক ধারায় কোনো কারসাজি হচ্ছে কি না তা খতিয়ে দেখার নির্দেশ দিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। গত রবিবার দেশের দুই পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) বড় ধরনের পতন ঘটলে এই নির্দেশ দিয়েছে কমিশন।

এদিকে রবিবার বড় ধরনের পতনের পর গতকাল সোমবারও পুঁজিবাজারের সূচকের নিম্নমুখিতা বা ঋণাত্মক ধারা চলমান রয়েছে। বেশির ভাগ কম্পানির শেয়ারের দাম কমার সঙ্গে লেনদেনও কমেছে।

বাজারসংশ্লিষ্টরা বলছেন, কৌশলগত অংশীদার ইস্যুতে চীন ও ভারতের টানাটানি খবরে বিনিয়োগকারীর মাঝে ভীতি থেকে আতঙ্ক ছড়িয়েছে। যদিও এই অংশীদার নিয়ে এখনই বিনিয়োগকারীর কোনো লাভ কিংবা ক্ষতি নেই। তবে চীনা স্টক এক্সচেঞ্জ পুঁজিবাজারের অংশীদার হলে কারিগরি উন্নয়নের পাশাপাশি বিদেশি বিনিয়োগ আসতে পারে। এতে বাজারে পরিস্থিতি উন্নত হতে পারে।

কমিশনের নির্বাহী পরিচালক সাইফুর রহমান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ১৮ ফেব্রুয়ারি স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্ত সিকিউরিটিজের ঋণাত্মক ধারা পরিলক্ষিত হয়। এতে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে ৯৯.৪৪ আর চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে ১৭৮.৩৬ পয়েন্ট পড়ে যায়। লেনদেন ধারায় ঋণাত্মক অবস্থানের কারণ অনুসন্ধানে ডিএসই ও সিএসইকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। এই ঋণাত্মক ধারায় কোনো কারসাজি রয়েছে কি না সে বিষয়ে খতিয়ে দেখে অতিসত্তর কমিশনকে অবহিত করতে হবে।’

এদিকে গতকাল ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৩৭৭ কোটি ১৬ লাখ টাকা। আর সূচক কমেছে ১০ পয়েন্ট। আগের দিন ডিএসইতে লেনদেন হয়েছিল ৪৪০ কোটি ২৩ লাখ টাকা। আর সূচক কমেছিল ৯৯ পয়েন্ট। অপর বাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সূচক কমেছিল ১৭৮ পয়েন্ট। আর লেনদেন হয়েছিল ৩০ কোটি ৫ লাখ টাকা। একই সঙ্গে বেশির ভাগ কম্পানির শেয়ারের দামও কমেছিল।


মন্তব্য