kalerkantho


কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সতর্কবার্তা

ডলার ধরে রেখে দর বাড়ানো যাবে না

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ০০:০০



ডলার ধরে রেখে দর বাড়ানো যাবে না

দেশের ব্যাংকগুলোতে নগদ ডলারের মূল্য ৮৫.২৫ টাকায় উঠেছে

বৈদেশিক মুদ্রার বাজার আবারও অস্থিতিশীল হয়ে উঠছে। দেশের ব্যাংকগুলোতে নগদ ডলারের মূল্য ৮৫.২৫ টাকায় উঠেছে। আমদানি পর্যায়ের ডলারের দর উঠেছে ৮৪.৪৫ টাকায়। ডলারের দামের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে ব্রিটিশ পাউন্ডের দামও। গতকাল রবিবার পাউন্ডের দর বেড়ে হয়েছে ১১৮ টাকা ৯০ পয়সা।

ব্যাংক কর্মকর্তারা বলছেন, টাকা ক্রমাগত দুর্বল হয়ে পড়ায় ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে আমদানিকারকরা। এ কারণে বিদেশি মুদ্রার দর নিয়ন্ত্রণে ব্যাংকগুলোকে অহেতুক ডলার ধরে রেখে মূল্যবৃদ্ধির অপতত্পরতা বন্ধের বিষয়ে সতর্ক করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

গতকাল বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেনে নিয়োজিত অনুমোদিত ডিলার (এডি) ব্যাংকগুলোর বৈদেশিক বাণিজ্য বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করে এ বিষয়ে সতর্ক থাকতে বলে বাংলাদেশ ব্যাংক। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক আহমেদ জামাল।

বৈঠকে উপস্থিত একাধিক ব্যাংক কর্মকর্তা জানান, বেশ কয়েকটি বিষয় নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়েছে। সম্প্রতি ডলারের দর বাড়ার বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তারা। সংস্থাটি ডলারের দর যৌক্তিক পর্যায়ে রাখতে বলে ব্যাংকগুলোকে এবং প্রয়োজনের অতিরিক্ত ডলার কিনে রাখতে নিষেধ করা হয়। প্রয়োজন হলে বাংলাদেশ ব্যাংক এতে হস্তক্ষেপ করবে বলে ব্যাংকগুলোকে জানানো হয়। তবে মুক্তবাজার অর্থনীতির দৃষ্টিকোণ থেকে ডলারের দরে কেন্দ্রীয় ব্যাংক হস্তক্ষেপ করুক তা চায় না বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো।

ব্যাংক কর্মকর্তাদের মতে, ডলারের চাহিদা বাড়লে দাম বাড়বে আর চাহিদা কমলে দাম কমে যাবে। এটাই স্বাভাবিক। তাই ডলারের দর বাজারের ওপর ছেড়ে দেওয়াই ভালো। এ ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের হস্তক্ষেপ করা ঠিক নয় বলে তারা মনে করেন।

প্রাপ্ত তথ্যে দেখা যায়, দেশের বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক ইউনিয়ন ব্যাংক গতকাল নগদ ডলারের দর হেঁকেছে ৮৫.২৫ টাকা। ব্রিটিশ পাউন্ড সর্বোচ্চ ১১৮ টাকা ৯০ পয়সায় বিক্রি করছে পূবালী ব্যাংক।

এ ছাড়া গতকালের বৈঠকে বাণিজ্যিকভাবে স্বর্ণ আমদানি নীতিমালা কেমন হবে সে বিষয়ে আলোচনা হয়। শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর কাছে চিঠি দিয়ে পরামর্শ চাওয়া হবে বলে জানান কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তারা।

 



মন্তব্য