kalerkantho

নিরাপদ রাইড শেয়ারিংয়ে নতুন দিগন্ত বীমা

বাণিজ্য ডেস্ক   

৩ মার্চ, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



এ কে এম আরিফুজ্জামান। পেশায় একজন বেসরকারি চাকরিজীবী এবং ব্যবসায়ী। থাকেন রাজধানীর রামপুরার বনশ্রী এলাকায়। নিয়মিত যাতায়াতের জন্য অ্যাপভিত্তিক রাইড নিয়ে থাকেন। অন্যদিনের এক সকালের মতোই কর্মস্থলের উদ্দেশে মোটরবাইকে চড়ে বসেছিলেন। হাতিরঝিল এলাকার সেনা ক্যাম্প পার হওয়ার পর তাঁকে দুর্ঘটনার শিকার হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়েছিল। এর পরের তিন মাস তাঁকে পুরোপুরি বিশ্রামে থাকতে হয়েছে। চিকিৎসার জন্য গুনতে হয়েছে বড় অঙ্কের টাকা।

রাজধানী ঢাকার ব্যস্ততম রাস্তায় চলাফেরার জন্য এবং দ্রুত গন্তব্যে পৌঁছানোর জন্য তরুণদের একটি অংশের কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে অ্যাপভিত্তিক রাইড শেয়ারিং। কিন্তু প্রতিদিনের চলতি পথে কখনো কখনো দুর্ঘটনায় পতিত হতে হয়।

রাইডারদের আর্থিক নিরাপত্তার প্রয়োজনীয়তা ভেবে সম্প্রতি ডটলাইন বাংলাদেশ এবং পাঠাও রাইড শেয়ারিং সার্ভিস যৌথভাবে পাঠাওয়ের রাইডার ও ড্রাইভারের জন্য একটি বিশেষায়িত বীমা সেবা চালু করেছে। কার্নিভাল অ্যাসিওরের মাধ্যমে ডটলাইনসের কাস্টমাইজড ইনস্যুরেন্স সেবা রাইড শেয়ারিংয়ের সুনির্দিষ্ট চাহিদা পূরণ করতে সক্ষম হবে। চুক্তির শর্ত অনুযায়ী, রাইড চলাকালীন পাঠাওয়ের কোনো যাত্রী বা চালকের দুর্ঘটনাজনিত গুরুতর আঘাত হলে এবং চলাচলে অপারগ হলে অথবা দুর্ঘটনায় আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হলে অথবা মৃত্যুবরণ করলে ওই ব্যক্তি বীমা সুবিধা পাবেন। বীমার অর্থের পরিমাণ পাঁচ হাজার থেকে এক লাখ টাকা পর্যন্ত হতে পারে।

আরিফুজ্জামান পাঠাওয়ের একজন নিয়মিত রাইডার এবং তিনি নিয়মিত পাঠাও অ্যাপ ব্যবহার করেন, কার্নিভাল অ্যাসিওরের বীমা সুবিধাপ্রাপ্তদের একজন। দুর্ঘটনার দিনও তিনি পাঠাওয়েরই রাইড নিয়েছিলেন। দুর্ঘটনার পর কার্নিভাল অ্যাসিওর থেকে তিনি কেমন উপকৃত হয়েছেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘দুর্ঘটনার শিকার ব্যক্তির শারীরিক ও মানসিক যে ক্ষতি হয়, তা ক্ষতিপূরণ দিয়ে পোষানো সম্ভব নয়। কিন্তু দুর্ঘটনার পর হাসপাতালে আমার চিকিৎসার বিল হয়েছিল ৫০ হাজার টাকা, যা ওই মুহূর্তে আমার পরিবারের পক্ষে জোগাড় করা অসম্ভব ব্যাপার ছিল।’

কার্নিভাল অ্যাসিওরের সিইও মহিউদ্দীন রাস্তি মোর্শেদ বলেন, ‘ইনস্যুরেন্স নিয়ে ভয়, সংশয় ও বাধা রয়েছে এবং এ সব কিছুই আমরা জয় করতে চাই। জীবনের অনিশ্চয়তাকে সহজ, সাশ্রয়ীভাবে সমাধান করার সুযোগ করে দিতে চাই।’

পাঠাও লিমিটেডের সিইও হুসাইন এম ইলিয়াস বলেন, “পাঠাওয়ের ‘মুভিং সেফলি’ স্লোগানের মূল ভাবনার সঙ্গে রাইডার ও ড্রাইভারের বীমব্যবস্থার কথাও মাথায় আসে। আমরা আমাদের রাইডারদের নিরাপত্তাকে সব সময় অগ্রাধিকার দিয়ে থাকি।”

 

 

 

মন্তব্য