kalerkantho


চিতলমারীর প্রতি হাটে কোটি টাকার সবজি রপ্তানি

কপিল ঘোষ (চিতলমারী-কচুয়া) বাগেরহাট   

২১ অক্টোবর, ২০১৮ ০০:০০



বাগেরহাট জেলার সবচেয়ে বড় পাইকারি সবজি বাজার চিতলমারীতে। এই উপজেলায় প্রচুর মত্স্য ঘের আছে। ঘেরপাড়েই চাষাবাদ হয় এসব সবজি। ঘেরের মাছ আর সবজি সবই রপ্তানি হয়। মাছের পাশাপাশি সবজি উৎপাদনে ব্যস্ত থাকেন কৃষি অফিস, কৃষক, বীজ-সার-কীটনাশক ব্যবসায়ীসহ সংশ্লিষ্টরা। সারা বছরই পর্যায়ক্রমে উৎপাদিত হয় নানা জাতের সবজি।

এখন সবজি উৎপাদনের ভর মৌসুম চলছে। প্রতি বৃহস্পতি ও সোমবার এলেই পাইকারি সবজি বাজার খাসেরহাটে বসে সবজির মেলা। প্রতি হাটে প্রায় কোটি টাকার সবজি বিকিকিনি হয় বলে জানায়, চাষি, ব্যাপারী ও হাট ইজারাদাররা। শতাধিক ট্রাক ও শতাধিক ট্রলার ভর্তি করে সবজি ব্যাপারীরা ছোটে ঢাকা, গাজীপুর, বরিশাল, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, সিলেট ও খুলনার সবজি বাজারের উদ্দেশে। বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলার চরবানিয়ারী ও সন্তোষপুর ইউনিয়নের সীমান্তস্থলে খাসেরহাটের অবস্থান। খাসেরহাটের পাশাপাশি সপ্তাহের অন্যান্য দিন কালীগঞ্জ, চিতলমারী সদর, নালুয়া, বাকেরগঞ্জ হাটে ব্যস্ত থাকে সবজির পাইকারি ব্যাপারী, চাষি, ইজারাদাররা।

চিতলমারী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ঋতুরাজ সরকার কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘মত্স্য ঘের প্রধান চিতলমারী উপজেলায় সবজি উৎপাদিত হয় ঘেরপারে। কিভাবে ঘেরের পারে অল্প জায়গায় স্তরভিত্তিক চাষ পদ্ধতির মাধ্যমে আগের তুলনায় তিন-চার গুণ বেশি সবজি উৎপাদন করা যায় সে বিষয়ে আমরা চলতি মৌসুমে (২০১৭-১৮) চাষিদের দক্ষ করে তুলেছি। বিষমুক্ত নিরাপদ সবজি উৎপাদনের জন্য আবাদকালে আঠা ফাঁদ (হলুদ বোর্ড), জৈব বালাইনাশক, সেক্স ফেরোমন পোকা দমনসহ কয়েকটি বিশেষ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। আশা করি এসব উদ্যোগ সফল হয়েছে।

চিতলমারী উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা অসীম কুমার দাশ জানান, প্রায় দুই হাজার সবজি চাষিকে বিশেষ চাষ পদ্ধতি ব্যবস্থাপনায় চলতি মৌসুমে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। যাতে বিষমুক্ত নিরাপদ সবজি আগের তুলনায় দ্বিগুণ উৎপাদিত হয়।



মন্তব্য