kalerkantho


ওয়ার্ল্ড সামিট অ্যাওয়ার্ডে যাচ্ছে সাত ডিজিটাল উদ্যোগ

বাণিজ্য ডেস্ক   

৩০ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ০০:০০



ওয়ার্ল্ড সামিট অ্যাওয়ার্ডে যাচ্ছে সাত ডিজিটাল উদ্যোগ

ওয়ার্ল্ড সামিট অ্যাওয়ার্ড বাংলাদেশ : সম্প্রতি এমসিসি লিমিটেডের আয়োজনে আইসিটি বিভাগে ‘ওয়ার্ল্ড সামিট অ্যাওয়ার্ড বাংলাদেশ’-এর চূড়ান্ত পর্বে মনোনয়নপ্রাপ্তদের সঙ্গে বেসিস সভাপতি সৈয়দ আলমাস কবীর, বাংলাদেশে ডাব্লিউএসএর জুরিবোর্ড সদস্য ও ন্যাশনাল এক্সপার্ট এমসিসি লিমিটেডের সিইও আশ্রাফ আবিরসহ অন্য অতিথিরা।

বিশ্বের ডিজিটাল কনটেন্টের সব থেকে সম্মানজনক স্বীকৃতি জাতিসংঘের ওয়ার্ল্ড সামিট অ্যাওয়ার্ড ২০১৮-এর মূল পর্বে অংশগ্রহণের জন্য বাংলাদেশ থেকে মনোনীত হয়েছে সাতটি উদ্ভাবনী ডিজিটাল উদ্যোগ। আগামী নভেম্বর মাসে ঘানায় অনুষ্ঠিতব্য বৈশ্বিক পর্বে বিশ্বের ১৬০ দেশের পাঁচ শর বেশি উদ্যোগের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে বাংলাদেশি ডিজিটাল উদ্ভাবনগুলো। সেখানে নির্মাতারা ওয়ার্ল্ড সামিট অ্যাওয়ার্ডের আন্তর্জাতিক পার্লামেন্টে দর্শকদের সামনে নিজেদের উদ্ভাবন উপস্থাপন করবে।

সম্প্রতি এমসিসি লিমিটেডের আয়োজনে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের স্টার্ট-আপ ফ্লোরে ‘ওয়ার্ল্ড সামিট অ্যাওয়ার্ড বাংলাদেশ’-এর চূড়ান্ত মনোনয়ন পর্ব অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেসের (বেসিস) সভাপতি সৈয়দ আলমাস কবীর। অনুষ্ঠানে যে সাতটি ডিজিটাল উদ্যোগকে মনোনীত করা হয় সেগুলো হচ্ছে বিজনেস অ্যান্ড কমার্স ক্যাটাগরিতে উইনার জেমস ক্লিপ ডটকম : প্রমোটিং সিম্পলিফায়েড অফিস সাপ্লাইস প্রকিউরমেন্ট, এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড গ্রিন এনার্জি ক্যাটাগরিতে উইনার জিওপটেটো, গভর্নমেন্ট অ্যান্ড সিটিজেন এনগেজমেন্ট ক্যাটাগরিতে উইনার সিম্পলিফিকেশন অব কৃষি অ্যান্ড পল্লী লোন, হেলথ অ্যান্ড ওয়েল বিং ক্যাটাগরিতে উইনার টেলি হেলথ ফর পেলিয়েটিভ পেশেন্ট, ইনক্লুশন অ্যান্ড এমপাওয়ারমেন্ট ক্যাটাগরিতে উইনার লো কস্ট কমিউনিকেশন ডিভাইস ফর পাসরন উইথ স্পিস ডিস-এবিলিটি, লার্নিং অ্যান্ড এডুকেশন ক্যাটাগরিতে উইনার সাইন ল্যাঙ্গুয়েজ ট্রান্সলেটর, স্মার্ট সেটেলমেন্ট অ্যান্ড আরবানাইজেশন ক্যাটাগরিতে উইনার ই-পার্কিং। এর আগে ১৪ সদস্যের একটি জাতীয় জুরিবোর্ড আবেদন পাওয়া ডিজিটাল উদ্যোগগুলোর মধ্য থেকে বাংলাদেশ পর্বে অংশগ্রহণকারী উদ্যোগগুলো যাচাই-বাছাই করে একটি সংক্ষিপ্ত তালিকা করে।

বাংলাদেশে ডাব্লিউএসএর জুরিবোর্ড সদস্য ও ন্যাশনাল এক্সপার্ট এমসিসি লিমিটেডের সিইও আশ্রাফ আবির বলেন, ‘বাংলাদেশের তরুণ প্রজন্মকে ডিজিটাল উদ্যোগের সঙ্গে সম্পৃক্ত করে বিশ্বের বিলিয়ন বিলিয়ন ডলারের বাজারে প্রবেশে সহায়তা দিতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ডাব্লিউএসএ ডিজিটাল কনটেন্টের সবচেয়ে উচ্চ পর্যায়ের বৈশ্বিক মূল্যায়নকারী সংস্থা যেখানে বিজয়ী হওয়ার মাধ্যমে বাংলাদেশি তরুণরা তাঁদের উদ্ভাবনী পণ্যকে বৈশ্বিক পর্যায়ে নিয়ে যেতে পারবেন। বাংলাদেশে মোবাইলভিত্তিক নানা উদ্ভাবনী ডিজিটাল উদ্যোগ যেভাবে বিকশিত হচ্ছে তা বৈশ্বিক পর্যায়েও সাফল্য অর্জনে সক্ষম হবে বলে আমি বিশ্বাস করি।’



মন্তব্য