kalerkantho


ফিন্যান্স, ব্যাংকিং ও বীমা

মূল শব্দগুলো আন্ডারলাইন করে উত্তর করবে

২৩ মার্চ, ২০১৬ ০০:০০



মূল শব্দগুলো আন্ডারলাইন করে উত্তর করবে

এ বছরই প্রথমবারের মতো এ বিষয়টি সৃজনশীল পদ্ধতিতে অনুষ্ঠিত হবে। উত্তর দেওয়ার আগে প্রশ্ন ও উদ্দীপক ভালো করে পড়বে এবং মূল শব্দগুলো (কিওয়ার্ড) আন্ডারলাইন করে তারপর উত্তর লিখবে।

ফিন্যান্স (প্রথম পত্র) :

► প্রথম অধ্যায়ের থিওরিভিত্তিক প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার জন্য অর্থায়নের গুরুত্ব, নীতিমালা, কার্যাবলি, সম্পদ ও মুনাফা সর্বাধিক গুরুত্ব সহকারে পড়তে হবে।

► দ্বিতীয় অধ্যায়ে ব্যবসায়-সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন আইন সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে, যা ভালোভাবে পড়তে হবে।

► তৃতীয় থেকে নবম অধ্যায় পর্যন্ত সব অধ্যায়ে অঙ্ক আছে। তাই অঙ্কের সূত্রগুলো বারবার পড়তে হবে। প্রতিদিন কিছু কিছু অঙ্কের অনুশীলন করতে হবে। প্রশ্নের ধরন বুঝে অঙ্ক করতে হবে এবং যে অঙ্ক চাওয়া হয়েছে শুধু তাই করবে। অঙ্কে সিদ্ধান্ত, মন্তব্য বা মূল্যায়ন জানতে চাইলে সেখানে কোন অঙ্ক প্রয়োজন, তা করতে হবে এবং যথাযথভাবে মূল্যায়ন করবে বা সিদ্ধান্ত লিখতে হবে। সূত্রের ব্যাখ্যা বা সাইড নোট লেখা অত্যাবশ্যক, না হলে নম্বর কম আসবে। এ ছাড়া এসব অধ্যায় থেকে থিওরিও ভালো করে পড়তে হবে। ভালো জিপিএ পাওয়ার জন্য বা সহজে উত্তর লেখার জন্য প্রতিদিন বাসায় জ্ঞানমূলক ও অনুধাবনমূলক প্রশ্নের উত্তর লিখে অনুশীলন করবে।

► অঙ্কে অধিক নম্বর পাওয়া যায়। তাই অঙ্কের প্রশ্নগুলোর অধিক উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করতে হবে।

► থিওরি প্রশ্নের জ্ঞান, অনুধাবন, প্রয়োগ ও উচ্চতর চিন্তন দক্ষতার উত্তর দেওয়ার সময় যথাযথ নিয়ম অনুসরণের পাশাপাশি সঠিক উপস্থাপনের দিকে লক্ষ রাখতে হবে, যাতে উত্তর পড়ে পরীক্ষক সন্তুষ্ট হন।

 

ব্যাংকিং ও বীমা (দ্বিতীয় পত্র) :

► সৃজনশীলের জন্য প্রথম অধ্যায়—ব্যাংক ব্যবস্থার প্রাথমিক ধারণা, দ্বিতীয় অধ্যায়—কেন্দ্রীয় ব্যাংক, তৃতীয় অধ্যায়—বাণিজ্যিক ব্যাংক, চতুর্থ অধ্যায়—ব্যাংক হিসাব, সপ্তম অধ্যায়—ব্যাংক তহবিলের ব্যবহার, অষ্টম অধ্যায়—বৈদেশিক বিনিময়, বীমা অংশ, দশম অধ্যায়—বীমা সম্পর্কে মৌলিক ধারণা, ১১তম অধ্যায়—জীবন বীমা, ১২তম অধ্যায়—নৌ বীমা, ১৩ম অধ্যায়—অগ্নিবীমা ইত্যাদি অধ্যায় ভালোভাবে পড়তে হবে।

► নৈমিত্তিক প্রশ্ন, জ্ঞান ও অনুধাবনমূলক প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার জন্য প্রতিটি অধ্যায় ভালোভাবে রিডিং পড়তে হবে।

► ব্যাংকিংয়ের ক্ষেত্রে ব্যাংকের শ্রেণিবিভাগ, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কার্যাবলি, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ঋণনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি, বাণিজ্যিক ব্যাংকের মূলনীতি, ঋণ আমানত সৃষ্টি, ব্যাংক হিসাবের শ্রেণিবিভাগ, হিসাব খোলার পদ্ধতি, হিসাব খোলার বিবেচ্য বিষয়, হস্তান্তরযোগ্য ঋণের দলিলের প্রকারভেদ ও বৈশিষ্ট্য, ব্যাংক তহবিলের প্রকারভেদ, ঋণের শ্রেণিবিভাগ, জামানতের প্রকারভেদ, বৈদেশিক বিনিময় হার নির্ধারণ পদ্ধতি, বৈদেশিক বিনিময়ের মাধ্যম, প্রত্যয়পত্রের প্রকারভেদ, ইলেকট্রনিক ব্যাংকিং ইত্যাদি বিষয় ভালোভাবে পড়তে হবে।

► বীমা অংশে বীমার প্রকারভেদ, বীমার অপরিহার্য উপাদান, জীবন বীমার অপরিহার্য উপাদান, প্রকারভেদ, জীবন বীমার চুক্তি সম্পাদন প্রক্রিয়া, দাবি আদায় পদ্ধতি, নৌ বীমার প্রকারভেদ, সামুদ্রিক ক্ষতি ও প্রকারভেদ, নৌ বিপদের শ্রেণিবিভাগ, অগ্নি বীমার প্রকারভেদ, ঝুঁকির প্রকারভেদ, দাবি আদায় পদ্ধতি, ব্যক্তিগত দুর্ঘটনা বীমা ইত্যাদি বিষয় ভালোভাবে পড়তে হবে।


মন্তব্য