kalerkantho


বিশেষ পরামর্শ

এ বছর আগে বহু নির্বাচনী পরে সৃজনশীল অংশের পরীক্ষা

ব্রিগেডিয়ার জেনারেল, এম এম সালেহীন, অধ্যক্ষ, রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, ঢাকা   

২৩ মার্চ, ২০১৬ ০০:০০



এ বছর আগে বহু নির্বাচনী পরে সৃজনশীল অংশের পরীক্ষা

 

পরীক্ষার আর বেশি দিন বাকি নেই। প্রস্তুতি এখনো যাদের ঠিকভাবে এগোয়নি, সময় কম বলে হাল ছেড়ে দেবে না। যে কদিন সময় আছে, আর যেসব পরীক্ষার আগে গ্যাপ আছে—দুটোই মাথায় রেখে বাকি দিকগুলোর প্রস্তুতি ঠিক করবে। কঠিন বিষয়, গুরুত্বপূর্ণ ও কঠিন অধ্যায়-বিষয়বস্তু—এগুলো বাছাই করে দৈনন্দিন রুটিনের বড় সময় ধরে চর্চা করবে। আর জানা বিষয়গুলোতেও নিয়মিত চোখ বোলাবে।  

অনেক শিক্ষার্থী কঠিন বিষয়বস্তু না ধরেই কঠিন হিসেবে ফেলে রাখে। আসলে না ধরা পর্যন্ত তো তা কঠিনই থাকবে। বুঝতে গিয়ে সমস্যায় পড়লে তা বোঝানোর জন্য শিক্ষক আছেনই।  

যেহেতু সময় কম, আগে গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় ও বিষয়বস্তুগুলো এ সময়টাতে ভালো করে দেখবে। এরপর সময় পেলে অন্যান্য অধ্যায় রিভিশন দেওয়ার চেষ্টা করবে।

যেসব পরীক্ষার আগে গ্যাপ কম কিংবা নেই, রিভাইস দেওয়ার ক্ষেত্রে সেগুলো আগে রাখতে হবে।

দিনের বেলা, বিশেষ করে যখন কঠিন কোনো কিছু পড়লে মাথায় ঢুকবে না, ওই সময়টাতে বিভিন্ন কলেজের নির্বাচনী পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ও মডেল প্রশ্ন দিয়ে বাসায় বসে টেস্ট দেবে। তাহলে সময়টা কাজে লাগবে।

এ বছর থেকে প্রথমবারের মতো বহু নির্বাচনী (এমসিকিউ) অংশের পরীক্ষা আগে হবে, এর পর সৃজনশীল বা লিখিত (তত্ত্বীয়) পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। উভয় অংশের মাঝখানে ১০ মিনিট বিরতি থাকবে। শুরুতে এমসিকিউ হওয়ায় একদিকে ভালোই হয়েছে, ঠাণ্ডা মাথায় উত্তর করা যাবে। আর বেশির ভাগ বিষয়ের ভালো নম্বর তোলা নির্ভর করে এমসিকিউর নম্বরের ওপর। কোনো প্রশ্নের উত্তর করতে গিয়ে যদি দেখো বাকিটা লিখতে পারছ না কিংবা মিলছে না, সেখানে সময় নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা থাকলে তার জন্য পর্যাপ্ত জায়গা রেখে পরবর্তী প্রশ্নের উত্তর করার চেষ্টা করবে।


মন্তব্য