kalerkantho

horror-club-banner

ফোন করলে ভৌতিক কণ্ঠে উত্তর ভেসে আসে পরলোক থেকে…!

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২০ মার্চ, ২০১৭ ২১:৫৪



ফোন করলে ভৌতিক কণ্ঠে উত্তর ভেসে আসে পরলোক থেকে…!

ল্যান্ডফোনের আমলে ‘ভুতুড়ে কল’ নিয়ে অনেককেই অস্বস্তিতে থাকতো। কে বা কারা নাম না জানিয়ে আবোল-তাবোল বকে যেত গভীর রাতে।

কেউ কেউ আবার ফোন করে চুপ করে বসে থাকতেন। গভীর রাতে ঘুম ভেঙে সেই সব নিঃসাড় ফোন ধরে রীতিমতো ভয় পেতেন অনেকেই। মোবাইল যুগে পা দিয়ে অনেকেই স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছিলেন এই ভেবে যে, আর ভুতুড়ে ফোন আসবে না। কারণ ফোন নম্বর তো ডিসপ্লেতে ভেসে  উঠবেই। কেউ ফোন করে ভূতপনা আচরণ করলে সোজা থানায় নালিশ দেয়া যাবে।

গত ১০ বছরে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সংবাদমাধ্যমে আলোচিত হয়েছে এমন কিছু ফোন নম্বর, যা ডায়াল করলেই নাকি উত্তর ভেসে আসে পরলোক থেকে। অর্থাৎ মেকি, সাজানো ভূত নয়, এক্কেবারে খাঁটি ভৌতিক কণ্ঠে ভেসে আসে হাহাকারময় সব শব্দ, ভেসে আসে করুণ আর্তি। প্রায়শই নাকি বদলে যায় ও প্রান্তের কণ্ঠের মালিকানা। কখনও পুরুষ, কখনও নারীকণ্ঠে জবাব আসে পরলোকের সীমানা ছাড়িয়ে।

মার্কিন সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রায়ই উঠে আসে ০০০০০০০০০০ নম্বর থেকে আসা কলের গল্প। সেই কল রিসিভ করলেই মৃত্যুশীতল কণ্ঠে কেউ ‘হ্যালো’ বলে সম্ভাষণ জানান। তার পরে কী ঘটে, তা অবশ্য কেউই জানাননি।

এর আগে অবশ্য ভারতে এই ধরনের গল্প প্রথম ছড়ায় ২০০৬ সালের দিকে। মোহিনী নামের এক নারীকে কেন্দ্র করে পল্লবিত হয় ভৌতিক কলের কাহিনি। বিভিন্ন টিভি চ্যানেলেও আলোচিত হতে থাকে মোহিনীর কথা। একটি বিশেষ নম্বরে ডায়াল করলে সে কথা বলে ওঠে। সেই নম্বরটিতে পরে অনেকেই ডায়াল করতে থাকেন। তখন জানানো হয়, সেই নম্বরটি সাময়িকভাবে বাতিল করা হয়েছে।

সাম্প্রতিক সময়ে ০৯৪১৫৮১৭৬৮৩ নম্বরটিকে নিয়ে বেশ কিছু সংবাদমাধ্যম লেখালেখি করেছে। এতে ফোন করলেই কোথা থেকে কখনও পুরুষ, কখনও নারীকণ্ঠে ভেসে আসে বিলাপ আর দীর্ঘশ্বাস। তখন অবশ্য ‘সুইচড অফ’ ছাড়া আর কিছু শুনতে পাননি, এমন দাবিও অসংখ্য মানুষের। আবার অনেকে বলেছেন, এই নম্বরের ওপ্রান্ত থেকে নাকি ঘষা ঘষা গলায় কেউ ডায়ালকারীর নাম ধরেও ডাকছে।

জানা নেই, এই সব ঘটনার পেছনে সক্রিয় মাথাগুলি কার বা কাদের। কিন্তু এ ঘটনায় যে অসংখ্য মানুষ জড়িত, সে বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই। আর সেটা জানা থাকে বলেই কি কিছু পাবলিক গুজব রটিয়ে মজা দেখে?


মন্তব্য