kalerkantho

horror-club-banner

হরর ক্লাব: মৃতদেহ নিয়ে যত গা হিম করা ঘটনা

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১১ মার্চ, ২০১৭ ১৬:৩০



হরর ক্লাব: মৃতদেহ নিয়ে যত গা হিম করা ঘটনা

মৃতের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া সম্পন্ন করতে কিছু পেশাদার লোক থাকেন। একেক জন একেক কাজ করে থাকেন।

তারাই শবকে মাটিতে শোয়ানোর আগে যাবতীয় কাজ সম্পন্ন করেন থাকেন। মৃতদের ঘিরেই তাদের যাবতীয় কাজ। এ নিয়ে তাদের রয়েছে নানা অভিজ্ঞতা। রয়েছে গা গিম করা অভিজ্ঞতা। এসব পেশাদারদের জীবনের ভয়াল কিছু অভিজ্ঞতাই এখানে তুলে ধরা হলো। ভৌতিক বিষয়গুলো তারা দীর্ঘ কর্মজীবনে নিজের চোখেই দেখেছেন। তাদের নিজের ভাষাতেই বয়ান করেছেন সব গা শিউরানো গল্প।

ঘটনা-১:
আমার প্রতিবেশী মৃতদেহ শৎকারের ব্যবসা করতেন। এক রাতে তার কাছে একটি শব আসে।

অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার জন্য তাকে প্রস্তুত করতে হবে। ওই রাতের ঘটনাটি তিনি নিজেই জানিয়েছেন। শবটাকে সামনে রেখে কাজ করে যাচ্ছেন তিনি। চারপাশে প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র নিয়েছেন। একটু পেছন ফিরে তিনি একটা যন্ত্র নিতে গেলেন। পুরো পেছন ফেরেননি। এক চোখের কোণ দিয়ে শব কিছুটা দেখা যায়। যন্ত্রটাকে খুঁজতে নিচের দিকে তাকালেন তিনি। চোখের কোণেই দেখতে পেলেন, মৃতদেহটা ধীরে ধীরে উঠতে শুরু করেছে!

বাঁচার সহজাত প্রবণতায় সক্রিয় হয়ে উঠলো মস্তিষ্ক। ঘটনাটা বুঝেই এক ঝটকায় নিজেকে সিঁড়ির দিকে নেওয়ার জন্য ছুটলেন, যত দ্রুত সম্ভব। কিন্তু দেহটা কেমন যেন ক্লান্ত হয়ে আসছে। সিঁড়ি বেয়ে উঠছেন দ্রুত, কিন্তু রীতিমতো হামাগুড়ি দিয়ে উঠতে হচ্ছে। সিঁড়ির একেবারে শেষ প্রান্ত অবধি পৌঁছেছেন। এসময় তার হুঁশ পরিষ্কার হয়ে আসলো। মনে হলো, এটা স্রেফ একটা প্রাণহীন দেহ। নিজেকে সামলে নেওয়ার চেষ্টা করলেন, হাসলেন।

গত ১৫-২০ বছর ধরে একাজ করছেন। কখনো এমন হয়নি। কিন্তু চোখের কোণে সত্যিই দেখেছেন দেহটা উঠে বসছে। তবুও নিশ্চয়ই ভুলই দেখেছেন। অন্তত এটা ভেবে নেওয়াটাই বুদ্ধিমানের কাজ।

ঘটনা-২:
মেডিক্যাল টেকনিশিয়ান আমি। অনেক মানুষই মরণোত্তর অঙ্গ দান করেন। আমার কাজ এগুলো সংগ্রহ করে রাখা। একবার এক ডোনারের কাজ শুরু করেছি। তার হাত-পায়ের লোক শেভ করা প্রথম কাজ। এই ডোনারের দেহটি এখনো বেশ টাটকা। আমি তার হাত ধরেছি। হঠাৎ মৃতদেহটি তার আঙ্গুলগুলো দিয়ে আমার হাত চেপে ধরলো। ভয়ে জমে গেলাম আমি। মুহূর্তেই সব ঠিক হয়ে গেলো।

ঘটনা-৩:
মৃতদেহকে সৎকারের সময় বা ময়নাতদন্তের সময় এমন গা হিম করা ঘটনা ঘটেছে। হঠাৎ করেই হয়তো খেয়াল করবেন, মড়া গোঙাচ্ছে। এমন ঘটনা চোখের সামনে ঘটলে কেমন মনে হবে? আসলে মৃত্যুর পরও ফুসফুসে বাসাত ভর্তি থাকতে পারে। দেহটিকে নড়াচড়া করিয়ে এগুলো বের করে দিতে হয়। বাসাত বেরোনোর সময়ই এমনটা ঘটে আসলে।

ঘটনা-৪:
আমি একজন সেবিকা। মর্গের বাইরে একটা ঘটনায় আমি দারুণ ভীত হয়ে পড়ি সব সময়। সেখানে যতবার মৃতদেহ আসে, ততবার বাইরের আলো মিটমিট করতে থাকে। এগুলো জ্বলে আর নেভে। অন্তরটা কেঁপে ওঠে প্রত্যেকবার।

 

ঘটনা-৫:
এক মৃতদেহের কাগজপত্র প্রস্তুত করছিলাম। হঠাৎ করেই দেহটি থরথর করে কেঁপে উঠলো। আগে কখনো এমন ঘটনা দেখিনি। এর কোনো ব্যাখ্যা নেই।

ঘটনা-৬:
রাত ১০টার দিকে এমনটা ঘটতে দেখেছি। যে ঘরে অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া ঘটে তার বাইরের আরো জ্বলতে আর নিভতে থাকে। অথচ একটু আগেও কোনো সমস্যা ছিল না। সূত্র: ক্যান ইউ অ্যাকচুয়ালি

 


মন্তব্য