kalerkantho

horror-club-banner

হরর ক্লাব : আদালতের জানালায় ধরা পড়ল সেই ভূতের মুখচ্ছবি (৪)

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

৪ মার্চ, ২০১৭ ১৩:১৯



হরর ক্লাব : আদালতের জানালায় ধরা পড়ল সেই ভূতের মুখচ্ছবি (৪)

ভূত আছে কি নেই তা নিয়ে অনেকেই সন্দিহান। তবে বিভিন্ন সময় অনেকের ক্যামেরায় উঠে এসেছে ভূতের প্রমাণ। এসব ছবির সত্যাসত্য নিয়ে বিতর্ক থাকলেও বহু মানুষেরই শিরদাঁড়া দিয়ে শীতল স্রোত বয়ে যায় এ ছবি দেখে। এ লেখায় তুলে ধরা হলো তেমন এক প্রমাণ। ধারাবাহিকভাবে এ ধরনের বেশ কয়েকটি ছবি প্রকাশিত হবে কালের কণ্ঠে। আজ পাচ্ছেন তার চতুর্থ পর্ব।

পিকেন্স আদালত ভবনের সেই ভূত
এ ভূতের কাহিনীটি অত্যন্ত করুণ। আদালত ভবনের এ ভূতটির কথা সে এলাকার কারোই অজানা ছিল না। সবাই তাকে পিকেন্স আদালতের ভূত বলত। এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আলাবামা রাজ্যের ক্যারলটনের কাহিনী।

প্রায় সব সময়ই এ ভূতকে দেখা যেত সেখানে।

আর দিনরাত সে জানালা দিয়ে তাকিয়ে থাকত। ছবিতেও দেখা গেছে রহস্যময় সেই মুখ। যেন তার প্রতি অবিচারেই সে নির্বাক হয়ে গিয়েছিল...

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে একসময় দাসপ্রথা ছিল। আর সে সময়ই দাস হিসেবে বন্দি ছিল এক কালো লোক, যার নাম হেনরি ওয়েলস। তবে গৃহযুদ্ধের সময় সে মুক্তিলাভ করে।

মুক্তিলাভের পর সে ভালোভাবেই দিন কাটাচ্ছিল। এ সময় হঠাৎ পিকেন্স আদালত ভবন আগুনে পুড়ে যায়। এ সময় তার বিরুদ্ধে নতুন এক অভিযোগ তোলে চক্রান্তকারীরা। অভিযোগে বলা হয়, পিকেন্স আদালত ভবনে অগ্নিসংযোগ করেছে হেনরি ওয়েলস।

এরপর সঠিকভাবে যাচাই না করেই তাকে অভিযুক্ত করা হয়। এ সময় তার বিরুদ্ধে জনমতও গড়ে ওঠে। আর তিনি পালিয়ে ছিলেন অন্য একটি নির্মাণাধীন আদালত ভবনের বাইরে। তবে জনতাও তাকে ধরার জন্য খুঁজছিল।

এ সময় একদিন ঝড়বৃষ্টির মধ্যে তিনি এক গোপন স্থান থেকে জানালা দিয়ে তাকিয়ে ছিলেন। তবে হঠাৎ করেই সেখানে বজ্রপাত হয় এবং তিনি মারা যান। তার মুখের প্রতিচ্ছবি যেন জানালায় স্থির হয়ে যায়।

অগ্নিসংযোগের ঘটনায় তিনি সঠিকভাবে দোষী কি না, তাও আর জানা হয় না। কিন্তু এরপর থেকে আদালত ভবনের জানালায় তার মুখ সর্বদাই দেখা যেত। যেন তার বিরুদ্ধে বিচার শেষ পর্যন্ত কী হয়, তা দেখার জন্যই অপলক দৃষ্টিতে অপেক্ষা।


মন্তব্য