kalerkantho

অফলাইন

অনলাইনে মজার মজার গল্প, বুদ্ধিদীপ্ত কৌতুক, সাম্প্রতিক বিষয়-আশয় নিয়ে নিয়মিত স্ট্যাটাস দিয়ে যাচ্ছেন পাঠক-লেখকরা। সেগুলোই সংগ্রহ করলেন ইমন মণ্ডল

৯ জানুয়ারি, ২০১৮ ০০:০০



অফলাইন

পারফেক্ট প্রফেশন
বিয়ে হয়ে গেছে, অথচ আপনি চিরকুমারী থাকতে চান? শিক্ষকতাই তাহলে আপনার জন্য পারফেক্ট প্রফেশন। শুধু টিচিং প্রফেশনের মেয়েরাই বিয়ের পরও ‘মিস্’-ই থাকে !

-তামান্না তাবাসসুম

এখনকার পোলাপাইনগুলা অভাগা। আমাদের কালে আমরা বই না পাওয়ার অজুহাতে পুরা জানুয়ারি স্কুলে যাইতাম না। আর পোলাপাইনে এখন বছরের প্রথম দিনই বই পাইয়া যায়।
-সন্দীপন বসু

বিয়ে
: ঘটক সাহেব, আমার কিন্তু সরকারি চাকরিজীবী ছেলে চাই। নইলে মেয়েকে বিয়েই দেব না।

—এ নিয়ে ভাববেন না। যে ছেলের কথা বলছি, সে তো সরকারি চাকরিই করে। সবচেয়ে বড় কথা, ছেলে খুব সত্। সহনীয় মাত্রায় ঘুষ খায়!

-ইমন চৌধুরী

ফেল
দুই বন্ধু একই পরীক্ষায় দুইবার ফেল করছে!

একজন বলতেছে, চল সুইসাইড করি! এই লাইফ দিয়া করুম কী?

দুই নম্বরটা কয়, পাগল! পুনর্জন্মে আবার প্লে গ্রুপ থেকে শুরু করতে হবে!

-জিনাত জোয়ার্দার রিপা

অপচয় রোধকারী
এই শীতে গোসল না করলে আপনারা আমাকে নোংরা বলবেন না। আমি নোংরা নই, আমি পানি অপচয় রোধকারী। আমি একজন ‘ঝধাব ঃযব ডধঃবত্’ ক্যাম্পেইনের কর্মী।

-তপু মণ্ডল

পৃথিবীর সবচেয়ে ছোট ডিটেকটিভ উপন্যাস, ‘রাত দুইটা—ফোন ওয়েটিং?’ আর সবচেয়ে ছোট হ-র-র উপন্যাস—‘ও’ কল দিছিল, ফোন ওয়েটিং পাইছে।
-তানজির ইসলাম বৃত্ত

জানতে চাই
সালমান খান বাস্তবে হরিণ শিকার কইরাও মামলায় খালাস পাইয়া ‘টাইগার জিন্দা হ্যায়’ সিনেমা করে!

...পরিবেশবাদীরা কোথায়?

-অনিক দেবনাথ

বোঝার উপায়
‘আমার ফেসবুকের পাসওয়ার্ড শুধু আমিই জানি’—এতটুকু লিখলেই সবাই বুঝে নেবে যে আপনি সিঙ্গল।

-আসিফ ইমরোজ

অপছন্দ বলে
তোমার ক্যাডার টাইপ ছেলে অপছন্দ বলে আজও বিসিএসটা দেওয়া হলো না।

-এমসি পাল

এক জিনিস
বুয়া আর কুয়া দুই-ই এক জিনিস! যতই দাও কোনো দিন ভরবে না!

-ঈশিতা পায়েল

বলা তো যায় না
আজ পড়ার সময় টেবিলের ওপর দিয়ে একটি পিঁপড়া হেঁটে যাচ্ছে। তাকে ধরে তার পা কয়টা গুনে রাখলাম। বলা তো যায় না, বিভিন্ন চাকরির প্রশ্নে চলে আসতে পারে!

-রিয়াজ উদ্দিন

পুলিশ যুবক
পুলিশ : এই ছাদে তোমরা কারা?

যুবক : আমরা এলাকার সচেতন যুবসমাজ।

পুলিশ : কী করছ?

যুবক : রাতে কোনো ছাদে কেউ উঠে থার্টিফার্স্টের নামে অপসংস্কৃতির চর্চা করছে নাকি সেটি পাহারা দিচ্ছি।

পুলিশ : কিন্তু এখানে অ্যালকোহলের বোতল কেন?

যুবক : সবাইকে চেনানোর জন্য আনা হয়ছে। এমন বোতল কোথাও দেখা মাত্র আমরা পুলিশে খবর দেব।
-ইশতিয়াক আহমেদ

উবার
উবারে ডিসকাউন্ট ছিল। তো নামার পর ড্রাইভার কয়, ওহ, আপনারও কোটা আছে!

-তানভীর মাহমুদুল হাসান

অ্যাভয়েড
অ্যাভয়েড করা শিক্ষা চ্ছিলাম। কাকে অ্যাভয়েড করতে হবে, এটা শেখানোর আগেই প্রয়োগ শুরু করলে?

-মুহাম্মদ আসাদুল্লাহ

ভিডিওকল
ডিজিটাল সময় আসলে কোনটা?

আমরা এখন ৪ চালিয়েও ঠিকমতো ভিডিওকল করতে পারি না, অথচ আগে আলিফ-লায়লায় কত সুন্দর ভিডিওকল হতো।

-রাজু

ফেসবুক
আমাদের নিচতলার খালাম্মার দুর্ঘটনাবশত দুই হাত প্রায় অবশ হয়ে গিয়েছিল। এর কয়েক দিন পর আবার আমার নানুরও দুই হাত অনেকটা অবশ হয়ে গেল। খালাম্মার হাত ভালো করার জন্য সেকি মহাযজ্ঞ! সকাল-বিকাল দুইজন ফিজিও হাত মালিশ করে দেয়, হাতের ব্যায়াম শিখায়ে দেয়। একজনকে ঘণ্টায় দেওয়া লাগে ৫০০ টাকা, সঙ্গে তেল পড়া, পানি পড়া, তাবিজ তো আছেই। অন্যদিকে আমি নানুকে কষ্ট করে শুধু ফেসবুকটা চালানো শিখাইছি, কিচ্ছু মালিশপালিশ লাগে নাই। ৫০০ টাকা ঘণ্টার থেরাপিস্টও রাখা লাগে নাই। জীবনের ৭৫টা বসন্ত পেছনে ফেলে আসার পরও নানু ফেসবুকে এমন আসক্ত হইছেন যে মাত্র ২০ দিন ফেসবুক ব্যবহার করে নানুর হাতের নার্ভটার্ভ সব আবার আগের জায়গায় চলে আসছে। পক্ষান্তরে খালাম্মার মালিশ করে নরমাল হতে লেগেছে প্রায় ছয় মাস। শেষ কথা : এইগুলা দুই বছর আগের কথা। এত দিনে নানুর ফেসবুক আসক্তি শস্যদানা পরিমাণও কমে নাই। এখন নানু সম্পূর্ণ সুস্থ, আর নানুর ফেসবুক ফ্রেন্ডও এখন প্রায় ২৫০০+। যখন নানু ফেসবুক চালান আর ফোকলা হাসি দেন, তখন যে কী খুশি লাগে!

-রাহমাম চৌধুরী

সার্ভিস
রাইড শেয়ারিং সার্ভিস ‘উবারের’ দেখাদেখিই মোটরসাইকেল রাইড শেয়ারিং সার্ভিস ‘পাঠাও’-এর যাত্রা শুরু হয়েছিল। এই তো সেদিন পত্রিকায় দেখলাম, নতুন আরেকটা রাইড শেয়ারিং সার্ভিস ‘ডাকো’ তাদের যাত্রা শুরু করল। উবারের কনসেপ্ট নকল করে ভবিষ্যতে আরো যেসব রাইড শেয়ারিং সার্ভিস শুরু করা যেতে পারে—

১. চালাও (বাইসাইকেল রাইড শেয়ারিং)

২. হটাও (সিএনজি রাইড শেয়ারিং)

৩. ঘোরাও (রিকশা রাইড শেয়ারিং)

৪. উঠাও (অ্যারোপ্লেন রাইড শেয়ারিং)

৫. ডুবাও (সাবমেরিন রাইড শেয়ারিং)

৬. চুবাও (নৌকা রাইড শেয়ারিং)

৭. ঠেলাও (ভ্যানগাড়ি রাইড শেয়ারিং)

৮. মুড়ির টিন (বাস রাইড শেয়ারিং)

-মুহিত আহমেদ জামিল

হলুদের অনুষ্ঠান
আগে হলুদের অনুষ্ঠানে কাছের মানুষদের পাঞ্জাবি বানায়ে দিত কনেপক্ষ বা ছেলেপক্ষ। সবারই এক রকমের পাঞ্জাবি। ভালোই লাগত দেখতে। ইদানীং নিউ ট্রেন্ড, কটির কাপড় দেয়। এই মৌসুমে তিনটা পেয়েছি। প্রথমে আমি ভাবলাম, এটা মনে হয় গায়ের চাদর। পরে বউ বলে—না, না, এটা কটির কাপড়।

এখন?

এখন এটা দর্জিকে দিয়ে বানাতে হবে।

শুধু কটি পরে যাব?

হ্যাঁ, এটা নিউ ট্রেন্ড।

আর কিছু না?

আরে বেক্কল, সঙ্গে পায়জামা তো পরবাই।

শুধু চোষ পায়জামা আর কটি?

আরে ভোদাই, পাঞ্জাবিও তো পরবা।

কটির ওপর পাঞ্জাবি?

উফফ...! আচ্ছা, এটা কটির কাপড় না, গায়ের চাদর—এবার খুশি?

গান্ধীজির মতো শুধু চাদর পরে যাব?

উফফ!

-আরিফ আর হোসাইন



মন্তব্য