kalerkantho


বুড়োর বুদ্ধি

জাহাঙ্গীর আলম

৭ মার্চ, ২০১৭ ০০:০০



বুড়োর বুদ্ধি

বুড়ো ফিলিপ রাতে শোয়ার আয়োজন করছে। এমন সময় তাঁর স্ত্রী বলল, ‘বাগানে শেডের নিচে আমি লাইটটা ফেলে এসেছি। পাছে চুরি না হয়ে যায়, গিয়ে নিয়ে এসো।’

হাঁটি হাঁটি পায়ে ফিলিপ বাইরে বেরিয়ে দেখে, শেডের নিচে দু-তিনজন চোর তার জিনিসপত্র চুরি করছে। ফিলিপ দ্রুত পুলিশকে ফোন করল, ‘হ্যালো, থানা! আমার বাসা পার্কের পাশে। কিছু চোর আমার বাগান থেকে জিনিস চুরি করছে।’

পুলিশ বুড়োর কথায় পাত্তা না দিয়ে বলল, ‘আপনার বাড়িতে তো আর ঢোকেনি। আপনি এক কাজ করুন, দরজা-জানালা বন্ধ করে বসে থাকুন। আমাদের সব অফিসার এখন ব্যস্ত। যখন কেউ ফ্রি হবে, তখন আপনার বাসায় পাঠিয়ে দেব।’

বুড়ো ফোন রেখে মনে মনে ১০০ পর্যন্ত গুনল। তারপর পুলিশকে আবার ফোন করল, ‘হ্যালো, পুলিশ! আমি একটু আগে ফোন করেছিলাম আমার বাগানে চুরি হচ্ছে এই অভিযোগ নিয়ে। এখন আর আসতে হবে না। আমি গুলি করে চোরগুলোকে ঠাণ্ডা করে দিয়েছি। এখন আমার কুকুর ওদের মজা করে খাচ্ছে।’

বুড়ো এবার ফোন রাখার পাঁচ মিনিটের মাথায় সোয়াত, লোকাল পুলিশ, হেলিকপ্টার, অ্যাম্বুল্যান্স আর প্যারামেডিক এসে হাজির। এসে তারা হাতেনাতে চোরদের ধরে ফেলল। যে পুলিশ ফোন অ্যাটেন্ড করেছিল সে এগিয়ে এসে বুড়োকে বলল, ‘আপনি না বলেছিলেন চোরদের গুলি করেছেন?’

বুড়ো হেসে বলল, ‘তোমরা না বলেছিলে কোনো অফিসার ফ্রি নেই!’


মন্তব্য