kalerkantho

শনিবার । ৩ ডিসেম্বর ২০১৬। ১৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ২ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


শাশুড়িরা যেমন হয়

আসছে ২৩ তারিখ শাশুড়ি দিবস। সে উপলক্ষে আজ জানাব কোথায় শাশুড়িরা কেমন হয়। লিখেছেন রবিউল ইসলাম সুমন

১৭ অক্টোবর, ২০১৬ ০০:০০



শাশুড়িরা যেমন হয়

বাংলা সিনেমায়

বাংলা সিনেমার শাশুড়ি মানে হচ্ছে মারাত্মক দজ্জাল টাইপের একজন মহিলা। ছেলের বউকে বাসার চাকরবাকরদের মতো অমানুষিক পরিশ্রম করালেও কখনো তাদের ভরপেটে খেতে দেবে না।

আর বউমা যদি নিজের দুধের শিশুর জন্য ওনাদের কাছে খাবার চায়, তবে শাশুড়ি সেটা দেবেন একেবারে চামচ দিয়ে মেপে মেপে!

 

নাটক-টেলিফিল্মে

নাটক-টেলিফিল্মের শাশুড়িরা সিনেমার শাশুড়িদের চেয়ে একটু নরম স্বভাবের হয়। এদের নিজের পুত্রবধূদের ওপর খুব একটা অত্যাচার করতে দেখা যায় না। তবে পাশের ফ্ল্যাটের ভাবিদের কাছে গিয়ে নিজের বউদের গুণগান কিংবা বদনাম করতে ওনারা সহজে ভোলেন না!

 

হিন্দি সিরিয়ালে

হিন্দি সিরিয়ালের শাশুড়িরা আর যা-ই হোক, কুটনামিতে একেবারে ওস্তাদ। সারাক্ষণই এটা-ওটা নিয়ে কুটনামি আর সংসারে প্যাঁচগি লাগানোর তালে থাকেন। তাঁদের কারণে সংসারে ঝগড়া হোক বা না হোক, টিভির স্পিকারে প্রায়ই বজ্রপাতের আওয়াজ অবশ্যই হয়!

 

হলিউড মুভিতে

হলিউডের মুভিতে শাশুড়িরা অত্যন্ত স্মার্ট হন। তাঁদের বয়সও মোটামুটি কম থাকে। আর এ কারণেই কোনটা ছেলের বউ আর আর কোনটা শাশুড়ি—এটা নিয়ে দর্শকদের কনফিউশন লেগে থাকে। তাঁরা সাংসারিক কাজে খুব একটা ভূমিকা না রাখলেও দেশ ও বিশ্বের উন্নয়নে নানা অবদান রেখে থাকেন। ন্যাকা কান্না জিনিসটার সঙ্গে তাঁরা একদমই পরিচিত নন।

 

গ্রামে

গ্রামাঞ্চলের শাশুড়িরা অনেক সহজ-সরল। তাঁরা ছেলের বউকে যেমন নিজের মেয়ের মতো ভাবেন, ঠিক তেমনি মেয়ের জামাইকেও ভাবেন নিজের ছেলের মতোই। মেয়ের জামাই বাড়িতে বেড়াতে এলে ঘরের লোকসংখ্যার চেয়ে খাবারের আইটেম বেশি করতে একটুও কৃপণতা করেন না। ছেলের বউ ওনাদের সঙ্গে একটু তাল মিলিয়ে চলতে পারলে নিজের কলিজা কেটে তাদের খাওয়াতে দ্বিধাবোধ করেন না।

 

শহরে

শহর অঞ্চলের শাশুড়িরা ভালো হলে ভালো আর খারাপ হলে জঘন্যতম খারাপই হন। ছেলের বউকে যৌতুকের জন্য পুড়িয়ে মারা, সংসারে অশান্তি তৈরি করতে ওনাদের কোনো কার্পণ্য হয় না। আবার ব্যতিক্রমও আছে। যাঁরা ভালো, তাঁরা নিজের ছেলের বউ কিংবা মেয়ের জামাইয়ের সুখের জন্য যা যা প্রয়োজন তার প্রায় সবই করেন। মেয়ের জামাই বেড়াতে এলে নিজে পিঠাপুলি বানিয়ে খাওয়ানোর বদলে দোকান থেকে কিনে এনে খাওয়াতেই তাঁরা বেশি স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন!

 


মন্তব্য