kalerkantho

বুধবার । ৭ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৬ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।

পরিদর্শন

আইডিয়া : আদিত্য রহিম, আঁকা : নিপুণ ও কৌশিক

৪ অক্টোবর, ২০১৬ ০০:০০



পরিদর্শন

উপস্থাপক : আজ অক্টোবর মাসের সাত তারিখ, মহান হাসি দিবস। চলুন, আমরা ঢাকা শহর পরিদর্শন করে দেখি হাসি বিষয়ে কে কী বলেন।

উপস্থাপক : আমি এখন গুলশানে। গাড়ি থেকে এক ভাই নামলেন।

তাঁর কাছে জানতে চাইব, হাসছেন কেন?

লোক : কয়েক দিন আগে দুবাই থেকে সোনা দিয়ে একটা দাঁত বাঁধিয়ে এনেছি। না হাসলে সেটি মানুষকে দেখাব কী করে?

 

উপস্থাপক : আমরা এসেছি এফডিসিতে। সুন্দর পোষাকে রাস্তায় বসে আছেন এক লোক। তাঁর মুখে হাসি। আচ্ছা, আপনি হাসছেন কেন?

লোক : দূর মিয়া, এখান থেকে সরেন। শুটিং চলছে। আমি নায়কের বাবা। ভিলেন আমার সব সম্পদ তার নামে লিখে নিয়েছে। সেই দুঃখে আমার মাথা খারাপ হয়েছে বলেই হাসছি।

 

উপস্থাপক : আমরা এখন গুলিস্তানে। এক মধ্যবয়সী লোক হাসছেন। তাঁর কাছে জানতে চাইব হাসির কারণ।

লোক : হি হি হি...দাঁড়ান, বলতেছি...আগে হাইসা লই...হইছে কী, টাকার ব্যাগ ভাইবা ছিনতাইকারী আমার ময়লার ব্যাগ নিয়া গেছে...হি হি হি।

 

উপস্থাপক : এবার আমরা এসেছি রমনা পার্কে। কয়েকজন লোক হো হো করে একসঙ্গে হাসছেন। তাঁদের হাসির কারণটা জেনে নিই।

লোক : ডাক্তার বলেছে, হাসি স্বাস্থ্যের জন্য ভালো। তাই আমরা পার্কে হাঁটছি আর বিনা কারণে হাসছি।

 

উপস্থাপক : এখন আমি আছি গাবতলীতে। কার যেন হি হি করে হাসির আওয়াজ পেলাম! আপনার নাকি?

লোক : আমি না, আমার মোবাইল হাসছে। বুঝলেন না তো, আসলে আমার মোবাইলে হাসির রিংটোন সেট করা। কল এসেছে বলে সেই টোন বাজছে।

 

উপস্থাপক : মিরপুরে আরেক হাসিমুখের ভাইকে পাওয়া গেছে। যেহেতু হাসছেন সেহেতু আপনি অনেক সুখী, রাইট?

লোক : ছিনতাইকারী ধরছিল। বলছে, সোজা হাসতে হাসতে চলে যাবি, পেছনে তাকাবি না—হেঃ হেঃ হেঃ!


মন্তব্য