kalerkantho

রবিবার। ৪ ডিসেম্বর ২০১৬। ২০ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৩ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


ফেসবুক অফলাইন

অনলাইনে মজার মজার গল্প, বুদ্ধিদীপ্ত কৌতুক, সাম্প্রতিক বিষয়-আশয় নিয়ে নিয়মিত স্টেটাস দিয়ে যাচ্ছেন পাঠক-লেখকরা। সেগুলোই সংগ্রহ করলেন ইমন মণ্ডল

৪ অক্টোবর, ২০১৬ ০০:০০



ফেসবুক অফলাইন

টুথব্রাশ

রাতে পরিচিত এক দোকানে গেলাম টুথব্রাশ কিনতে...

—দাদা, টুথব্রাশ আছে?

—হুম? (ভ্রু কুঁচকে)

—ব্রাশ আছে দাদা?

(মনে হলো বোঝেনি, ততক্ষণে আমিও নিজের ভুলটা বুঝে গেছি। আবার জিজ্ঞেস করলাম...)

—বিরাশ আছে দাদা?

—ও, বিরাশ? সিডা কবা তো! শোনো ভাইডি, বিদ্যে তুমার ঝুলিতি রাহ, এলাকার ছল, এলাকার মতো কথা কবা, বুঝিছ?

নীলকণ্ঠ জয়

ভার্সিটির টিচারদের ধারণা, ব্যাকবেঞ্চাররা তাঁদের চেয়েও বেশি ট্যালেন্ট।

এ জন্যই লেকচার দিতে গিয়ে যখনই আটকে যান তখনই বলে ওঠেন, এই পেছনে লাল টি-শার্ট, বলো তো এটার উত্তর কী হবে।

মিকসেতু মিঠু

হরর গল্প

এক লাইনের হরর গল্প :

সারা রাত না ঘুমিয়ে সকালে চোখে স্কচটেপ লাগিয়ে হামাগুড়ি দিয়ে নিচ পর্যন্ত গিয়ে ছেঁচড়ায়ে ছেঁচড়ায়ে বাসে উঠে সিট না পেয়ে দুই ঘণ্টা জ্যামে দাঁড়ায়া থাকার পর বাস থেকে নামার সময় মনে পড়ল...

সামিউল আজিজ সিয়াম

বউ

এমন একজন বউ দরকার, যাকে ফাস্ট ফুডে নিয়ে যেতে চাইলে ডিভোর্স দেওয়ার হুমকি দেবে, আর বিউটি পার্লারে নিয়ে যাওয়ার কথা শুনলে সোজা বাপের বাড়ি চলে যাবে।

ফরিদুল ইসলাম নির্জন

 

কথা সত্য

সুরের কোনো দেশ, সন্ত্রাসীর কোনো দল আর ফেক আইডির কোনো স্কুল-বিশ্ববিদ্যালয় থাকে না।

ইশতিয়াক আহমেদ

 

বান্ধবীদের নিয়ে গল্প করছিলেন ভদ্রমহিলা। তাঁর শিশুপুত্র কাছে এসে কানে কানে কী যেন বলার চেষ্টা করছিল। মহিলা বুঝতে না পেরে ঠাস করে একটা চড় কষিয়ে বললেন, জানো না, আমি কানে কানে কথা পছন্দ করি না। যা বলবে স্পষ্ট করে বলো।

ছেলে কাঁদতে কাঁদতে বলল, আব্বু বলল, তোমার বজ্জাত বান্ধবীদের বাড়িতে সংসার নেই? প্রতিদিন এখানে এসে আড্ডা দেয়। অফিস থেকে ফিরে এক কাপ চা পর্যন্ত পাই না।

চঞ্চল ভৌমিক

 

গর্ত

আগে বিয়ের দিনে বউ থাকত বর, বরের ভাবি, খালা-চাচিদের দখলে—এখন থাকে ফটোগ্রাফারের দখলে।

মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ

 

মাছের রাজা

ইলিশের দাম আর কত কমবে! এইটা যে মাছের রাজা, সেই খেয়াল আছে!

পলাশ মাহবুব

 

দুটি কারণে আমি আমার GF-রে বাইকে নিয়া ঘুরতে যামু না।

১. আমার GF নাই।

২. আমার বাইকও নাই।

 মেহেদী হাসান সানি

 

একটি উপলব্ধি

মধ্যরাতের উপলব্ধি!

যৌথ পরিবারে নিজের রুম সব সময় দখলে রাখতে হলে একটা বিয়ে করা খুব জরুরি।

পিকলু চৌধুরী

 

তেজপাতা

জীবনটা তেজপাতা হইয়া গেল। চিন্তায় আছি, কখন কে আইসা রং চায়ে চুবাইয়া দেয়।

মঞ্জুরুল করিম

 

ব্রেকআপ

—দোস্ত, ওর লগে তো ব্রেকআপ করে দিলাম।

—সমস্যা কী?

—আজকে ডেট ছিল। দুই ঘণ্টা দেরি করে গেলাম। অথচ তেমন বকাঝকাই করল না।

—এটা তো ভালো কথা।

—ভালো না রে, এর মানে হইতাছে ওর অপেক্ষা করে করে অভ্যাস আছে।

মিকসেতু মিঠু

ক্যারিয়ার গড়ার সময় এবং রাস্তা পার হওয়ার সময় মেয়েদের দিকে তাকাতে নেই... দুই জায়গায়ই দুর্ঘটনার আশঙ্কা থাকে!

জুনায়েদ হোসেন

         

খাওয়া

মেয়ে : বন্ধু, এইবার মাঠে খেলা দেখতে গিয়ে আমি একটা ছেলের ওপর ক্রাশ খাইছি...আর তুই?

ছেলে : আমি বাঁশ খাইছি। ছক্কা হওয়ার পর কে যেন হাত উঁচু করে চিক্কুর দিতে গিয়ে আমার মাথার আলগা চুল তুলে ফেলেছে। সেই দুশ্য আবার টিভিতে আমার গার্লফ্রেন্ড দেখে ফেলেছে।

সোহানূর রহমান অনন্ত

 

কবিতা যেমন হতো

নজরুল আজ বেঁচে থাকলে হয়তো তাঁর কবিতাটা এমন হতো...

আমি সেই দিন হব শান্ত,

যবে মোবাইল ফোনের কলরেট ক্ষণে ক্ষণে আর বাড়িবে না।

নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম আকাশ ছুঁই ছুঁই করিবে না।

বাজারে মাছ পাব জ্যান্ত (without ফরমালিন)!

আমি সেই দিন হব শান্ত আমি সেই দিন হব শান্ত।

নাহিদ মেহরীন মুন

 

বৈবাহিক সম্পর্ক

—বৈবাহিক সম্পর্ক ভালো থাকে কখন?

—যখন স্বামী শোনে না স্ত্রী কী বলে, আর স্ত্রী দেখে না স্বামী কী করে।

সন্দীপন বসু

 

নারীর বিরহে, নারীর মিলনে, নর হয়েছে কিউট

যত কথা তার, হইল স্টেটাস, শব্দ হইল মিউট!

সোহানূর রহমান অনন্ত

 

সুকান্ত

এই যে কবি সুকান্ত ২১ বছরে মারা গেলেন। কতগুলা বই বের করলেন, কিসের কিসের সভাপতিও ছিলেন! এই যুগে হইলে তাঁর দুই পরীক্ষায় জিপিএ ৫ পেতেই চলে যেত ১৮ বছর বয়স! উল্লেখ্য, এখন এই বয়সের ছেলেমেয়েরা তাঁর কবিতা মাথা দুলিয়ে দুলিয়ে মুখস্থ করে এ প্লাস পেয়ে আসে।

শাহেদুল ইসলাম শুভ্র

 

ঘুঁটিবাজি

একমাত্র ক্যারম বোর্ড খেলার সময়ই জানা যায়, হাতে প্রচুর আটা, বরিক লেগে থাকার পর ১৯টি ঘুঁটি নিয়ে ভালো ঘুঁটিবাজি করতে পারলে হাত ক্লিয়ার হয়! সাবান দিলে নয়।

অনামিকা মণ্ডল

 

স্টেটাস ও কমেন্টস

এক মেয়ে স্টেটাস দিয়েছে, ‘আমাদের গরুটা হারাইয়া গেছে। ’ এক ছেলে গিয়ে কমেন্ট করছে, ‘প্লিজ! অ্যাড মি। ’

শাহাদাত রাসেল

 

আমার বিস্কুট কেনা

দোকানে গেলাম টোস্ট বিস্কুট কিনতে।

পুরো একটা জোকস বানিয়ে এলাম—

: স্যার, কী নিবেন?

—টোস্ট বিস্কুট।

: প্যাকেট নাকি খোলা?

—প্যাকেটই দিন।

: ব্র্যান্ড নাকি নন-ব্র্যান্ড?

: যেটা ভালো ওইটাই দিন।

: বড় প্যাকেট না ছোট?

—মাঝারি থাকলে দেন।

: চিনিওয়ালা না চিনি ছাড়া?

—চিনি ছাড়া।

: মোটা না চিকন?

—মিডিয়াম।

... ভাবলাম এরপর আর কোনো প্রশ্ন করলে বলব, ভাই বাদ দিন। টোস্ট বিস্কুটই লাগব না। এক প্যাকেট ড্রাই কেকই দিন! বাট দোকানদার আর প্রশ্ন না করে বিস্কুটই দিল! বড় বাঁচা বাঁচলাম!

সুমন আহমেদ

জোকস

ফেসবুকে একজন লিখেছেন যে কারো লাইক দেওয়া দেখে তিনি বুঝতে পারেন তাঁর ব্যক্তিত্ব কেমন। তাঁর কথা শুনে পুরনো জোকস মনে পড়ল। বারে গিয়ে এক মাতাল ওপেন চ্যালেঞ্জ ছুড়ল যে সে যেকোনো ব্র্যান্ডের মদ না দেখে, খেয়েই বলে দিতে পারে সেটির নাম। বারের লোকজন উৎসাহী হয়ে বিভিন্নজন বিভিন্ন ব্র্যান্ডের মদ গ্লাসে করে তাঁর সামনে এনে দিচ্ছে আর তিনি চুমুক দিয়ে বলে দিচ্ছেন—এটা রাম, এটা শ্যাম্পেন, এটা ভদকা, এটা জিন, এটা ভ্যাট ৬৯।

সামনে ভিড় জমে গেল। এই ফাঁকে একজন ওয়াশরুমে গিয়ে গ্লাসে ইউরিন ভরে নিয়ে এসে তাঁর সামনে ধরল। মাতাল চুমুক দিয়েই মুখ বিকৃত করে বললেন, ওয়াক থু! এটা তো পেচ্ছাব।

লোকটি বলল, তা ঠিক, এখন বলুন এটা কার?

চঞ্চল ভৌমিক


মন্তব্য