kalerkantho

শনিবার । ৩ ডিসেম্বর ২০১৬। ১৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ২ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।

বোঝার ভুল

আইডিয়া : জাহাঙ্গীর আলম আঁকা : নিপুন ও কৌশিক

২০ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ০০:০০



বোঝার ভুল

মেয়ে : তুমি দেখি ঘেমে নেয়ে একাকার।

বাবা : খুব গরম লাগছে, এসিটা দে তো মা।

মেয়ে : আমি এসি দিতে পারব না বাবা। ওটা অনেক ওপরে সেট করা। ওজনটাও বেশি। আমার পক্ষে বয়ে আনা সম্ভব না।

বাবা : আরে এসি দিতে বলেছি মানে চালু করতে বলেছি।

 

 

 

 

ছেলে : আসুন, ভেতরে এসে বসুন।

লোক : এটা মতিন সাহেবের বাসা না? ওনাকে একটু চাইছিলাম।

ছেলে : চাইলেই তো বাবাকে দেওয়া যাবে না। যে সে এসে চাইবে আর আমরা বাবাকে দিয়ে দিব ভেবেছেন?

লোক : ইয়ে চাইছিলাম মানে ওনার সঙ্গে একটু দেখা করতে চাইছিলাম।


 

 

 

 

লোক : আজ আমি আমার নতুন জুতাটা পড়ব।

মা : জুতা পড়বি কেন? পড়ার জন্য বই আছে, পত্রিকা আছে, উপন্যাস আছে সেগুলো পড়।

লোক : আরে পড়ব মানে পরিধান করব!

মা : ও, তাই বল।


 

 

স্ত্রী : যাক এতক্ষণ পর কারেন্ট এসেছে।

স্বামী : তাই নাকি, যাই দরজাটা খুলি।

স্ত্রী : আরে দরজা খুলতে যাচ্ছ কেন? কারেন্ট কি দরজা দিয়ে আসে নাকি?

স্বামী : তাই তো!


 

বন্ধু এক : লিজা আমাকে ছেঁকা দিয়েছে দোস্ত। কষ্টে বুকটা ভেঙে যাচ্ছে।

বন্ধু দুই : বলিস কী, ছেঁকা দিলে তো পুড়ে যাওয়ার কথা, ভাঙল কেন?

বন্ধু এক : আরে ভাঙা মানে ওই ভাঙা না...কেমনে যে বোঝাই...।

বন্ধু দুই : ও এইবার বুঝছি।


 

 

বাস হেলপার : ওই মিরপুর, কাজীপাড়া, শ্যাওড়াপাড়া...

লোক : মিরপুর, কাজীপাড়া, শ্যাওড়াপাড়া ওদের ডাকছেন কেন? ওরা তো মানুষ না যে আপনার ডাক শুনে দৌড়ে গাড়িতে উঠবে।

হেলপার : আমি মিরপুর, কাজীপাড়া, শ্যাওড়াপাড়ায় যাওয়ার প্যাসেঞ্জার ডাকতাছি ভাইজান।

 


 

লোক এক : আমার ছবি তোল।

ক্যামেরা হাতে লোক : তোমার ছবি কোথায় পড়ে আছে মামা?

লোক এক : ছবি পড়ে আছে মানে কি? আমি ক্যামেরা দিয়ে ছবি ওঠানোর কথা বলছি!

ক্যামেরা হাতে লোক : ও আচ্ছা আচ্ছা...তাই বলো। এখনই ওঠাচ্ছি।


 

মহিলা : জোকসটা দারুণ ছিল। হাসতে হাসতে মরে গেছি।

শিশু : মিথ্যা কথা বলবে না আন্টি। মরে গেলে তুমি কি কথা বলতে পারতে?

মহিলা : আরে এই মরে যাওয়া সত্যিকারের মরে যাওয়া না রে বোকা!

শিশু : কিছুই বুঝলাম না।

 


 

ছেলে : এত রাতে কই যাচ্ছ বাবা?

বাবা : বাইরে গিয়ে একটু বাতাস খেয়ে আসি।

ছেলে : মাত্র ভাত খেলে। এখনই খিদে লেগে গেল যে বাতাস খেতে হবে!

বাবা : আরে এই খাওয়া সেই খাওয়া না। এই খাওয়া মানে শরীরে বাতাস লাগানো।


 

 

ছেলে : মন খারাপ করে বসে আছ কেন বাবা?

বাবা : তোর মা কে কল দিলাম, রিসিভ না করে ফোনটা কেটে দিল?

ছেলে : কই দেখি দেখি, এত দামি ফোনটা কেটে ফেলল?

বাবা : আরে সেই কাটা না গাধা! আমি ফোন রিসিভ না করার কথা বলছি।


মন্তব্য