kalerkantho

রবিবার। ৪ ডিসেম্বর ২০১৬। ২০ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৩ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


হাটের খণ্ডচিত্র

আইডিয়া : মাসুদ রানা আশিক, আঁকা : নিপুন এবং কৌশিক   

৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ০০:০০



হাটের খণ্ডচিত্র

বিক্রেতা : তামাশা করেন মিয়া! আমি হাতির লাহান গরু পামু কই? কোথাও কি দেখছেন হাতির লাহান গরু পাওয়া যায়? ক্রেতা : তাইলে হাটের গেটে লেইখা রাখছ কেন ‘বিরাট গরু-ছাগলের হাট’ অথচ বিরাট কিছুই নাই। সবই নরমাল সাইজের।

প্রথম বন্ধু : তোর বাবারে নিয়া গরু কিনতে আইছস বুঝি?

দ্বিতীয় বন্ধু : আরে নাহ! বাবায় আমারে সব সময় গরু বইলা গালি দেয়। তাই বাবারে নিয়া আসছি এইটা দেখাইতে যে, গরু আসলে কেমন।


প্রথম ক্রেতা : গরুর হাটে এত্ত বড় ঝুড়ি নিয়া আইছেন কেন? ঝুড়িতে কইরা গরু নিয়া যাইবেন নাকি?

দ্বিতীয় ক্রেতা : গরু গোবর সাপ্লাই দেয়। এই ঝুড়িতে কইরা সেই গোবর নিমু। জানেন না, গোবর জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করা যায়।


 

প্রথম প্রতিবেশী : ডাক্তার সঙ্গে নিয়া হাটে আসছেন যে? নিশ্চয়ই গরু পরীক্ষা কইরা কিনবেন?

দ্বিতীয় প্রতিবেশী : আরে ব্যাপারটা তা না। হাটে যদি গরুর লাথি খাইয়া আহত হই, সেই জন্য ডাক্তার আনলাম।


 

ক্রেতা : ওই মিয়া, গরুর গায়ে ফরমালিন দিছ নাকি! এত তাজা তাজা লাগে ক্যান!

বিক্রেতা : ফরমালিন দেই নাই স্যার, পার্লার থাইকা সাজাইয়া আনছি।


 

ক্রেতা : এইটা আবার কেমুন গরু রে ভাই। একটুও তো নড়েচড়ে না। ভিরমি খাইল নাকি?

বিক্রেতা : লাল জামা পইরা আসেন। তখন দেখবেন নড়নচড়চ কারে কয়।


মন্তব্য