kalerkantho

শনিবার । ২১ জানুয়ারি ২০১৭ । ৮ মাঘ ১৪২৩। ২২ রবিউস সানি ১৪৩৮।

জোকস

২৯ মার্চ, ২০১৬ ০০:০০



জোকস

প্রথম বান্ধবী : আজকে আমার এনগেজমেন্ট হয়ে গেল। এই  যে এনগেজমেন্ট রিং।

দ্বিতীয় বান্ধবী : হুঁ, তোমার বর লম্বা, ওর চোখ নীল, চুল হালকা বাদামি, আর ওর ডান গালে একটা তিল আছে।

প্রথম বান্ধবী (অত্যন্ত  আর্শ্চয হয়ে) : এসব তুমি শুধু আংটি দেখে বলে দিলে।

দ্বিতীয় বান্ধবী : হুঁ, কারণ আংটিটা ওকে আমি দুই সপ্তাহ আগেই ফেরত দিয়েছি।

♦ দামি পোশাক পরা সম্ভ্রান্ত চেহারার এক ভদ্রলোক স্টেশনের কাছে রেললাইনের ধারে দাঁড়ানো দুজন গ্রাম্য লোককে দেখে জিজ্ঞেস করলেন, এখন কোন ট্রেন আসবে?

স্যার, এখন একটা মালগাড়ি আইব, একজন জানাল।

এরপর কোন গাড়ি আসবে?

এরপর আইব একটা লোকাল ট্রেন।

কেন, কোনো স্পেশাল ট্রেন আসবে না?

ইসপিশিয়াল তো স্যার চইলা গেছে কখন। ক্যান, আপনে কই যাইবেন?

যাব না, আত্মহত্যা করতে এসেছিলাম। তা আর হলো না। বুঝলেন আমার মতো লোক তো আর যে-সে ট্রেনের  নিচে পড়ে আত্মহত্যা করতে পারে না।

♦ কবীর (তার বন্ধুকে) : কী হে, তোমার হাতের আঙুলে ওই সুতাটা জড়িয়েছ কেন?

মনা : চিঠি ডাকে দেওয়ার কথা মনে করিয়ে দেওয়ার জন্য আমার স্ত্রী এটা বেঁধে দিয়েছে।

কবীর : তা চিঠি ডাকে দিয়েছ তো?

মনা : না, আমার স্ত্রী ভুলে চিঠিটা আমাকে দেয়নি।

♦ আমেরিকা, ইংল্যান্ড এবং বাংলাদেশের তিন বন্ধু ঘুরতে বেরিয়েছে। কে কাকে টেক্কা দেবে তা নিয়ে প্রত্যেকেই ব্যতিব্যস্ত। হঠাৎ আমেরিকার লোকটা বলল, ‘আমরা বীর? কোনো বাঘ যদি আমাদের সামনে আসে, তাহলে তার দিকে শুধু বন্দুকটা তাক করলেই কেল্লা ফতে! গুল্লির কোনো দরকার নাই!’

এই কথা শুনে ব্রিটিশ লোকটা বলল, ‘এ আর এমন কী? আমাদের এমন সাহস যে ঝোলার ভেতর থেকে বন্দুকের নলটা যদি কোনোভাবে বাঘ ব্রাদারের নজরে পড়েছে, তাহলে সেখানেই তার হার্ট আ্যাাটাক হবে। ’

এই দুজনের কথা শুনে বাংলাদেশের লোকটা ভাবছে, আমার তো প্রেস্টিজের ব্যাপার। তাই সে চট করে বলল, ‘আরে ধুরো মিয়ারা! তোমরা কোন জমানায় আছ? আমাদের তো বন্দুক-ফন্দুক কিসসু লাগে না! ওই সব আমাদের সাহসের কাছে ফালতু জিনিস, ফাও প্যাঁচাল!’

কথা শুনে আমেরিকান আর ব্রিটিশ তো অবাক। জিজ্ঞেস করল, ‘তাইলে তোমরা বাঘরে মারো ক্যামনে?’

বাংলাদেশের লোকটা বলল, ‘বাঘ আমাদের সামনে আসলে তার সামনে গিয়া আমরা শুধু কই—এ রাআআ...ম! তুমি ন্যাংটো-পুটো? বাঘটা তখন লজ্জায়ই মারা যায়!’

 


মন্তব্য