kalerkantho

বুধবার । ২৫ জানুয়ারি ২০১৭ । ১২ মাঘ ১৪২৩। ২৬ রবিউস সানি ১৪৩৮।


নিখিল বঙ্গ চোরসংঘের দাবিনামা

চুরি একটি ঐতিহ্যবাহী পেশা। কিন্তু অন্য পেশার মতো অনেক সুযোগ-সুবিধা এখানে নেই। তাই নিখিল বঙ্গ চোর সংঘ সরকারের কাছে যে দাবি জানাতে পারে তা জানাচ্ছেন , আদিত্য রহিম, -এঁকেছেন , কাওছার মাহমুদ

১৫ মার্চ, ২০১৬ ০০:০০



নিখিল বঙ্গ চোরসংঘের দাবিনামা

ইনস্যুরেন্স

পেশা হিসেবে চুরি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। কাজে নেমে ধরা খেয়ে চোরদের শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত হওয়ার ঘটনা হরহামেশাই চোখে পড়ে।

অনেকের হাত-পা ভাঙে আবার অনেকে গণধোলাইয়ের শিকার হয়ে মৃত্যুমুখে পতিত হয়। এসব কারণে চুরি পেশাকে সরকারিভাবে ইনস্যুরেন্সের আওতায় আনতে হবে।

 

ক্ষুদ্রঋণ

খালি হাতে চুরি করা সম্ভব নয়। এর জন্য নানা রকম সরঞ্জাম, যেমন—তেল, শাবল, টর্চ লাইট ইত্যাদিসহ আরো নানা কিছুর প্রয়োজন হয়। এসব কিনতে টাকা লাগে। কিন্তু গরিব-দুস্থ চোরদের সেই সক্ষমতা কোথায়। তাই এ পেশাকে টিকিয়ে রাখতে চোরদের স্বল্প সুদে ক্ষুদ্রঋণ দিতে হবে।

 

বয়স্ক চোর ভাতা

বয়স হয়ে গেলে চোরেরা আর সেভাবে কাজ করতে পারে না। চোর বলে সাধারণ মানুষও তাদের সাহায্য করে না। ফলে শেষ বয়সে চোরেরা পড়ে যায় দারুণ অভাবে। এসব দুস্থ চোরের জন্য সরকারের তরফ থেকে বয়স্ক চোর ভাতা প্রদান করতে হবে।   প্রতি মাসে স্বয়ংক্রিয়ভাবে এই টাকা তাদের অ্যাকাউন্টে যুক্ত হতে হবে।

 

চুরিবিদ্যা শিক্ষা

চুরি করার জন্য পর্যাপ্ত জ্ঞান-বুদ্ধি দরকার। এই জ্ঞান-বুদ্ধি উপযুক্ত শিক্ষা ছাড়া অর্জন করা সম্ভব নয়। শিক্ষার অভাবে অসংখ্য উদীয়মান চোর পেশাজীবনের শুরুতেই ঝরে পড়ে। এ অবস্থা ঠেকাতে প্রতিটা কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে চোরলজি বিভাগ খুলে তৃণমূল পর্যায় থেকে ছেলেমেয়েদের শিক্ষা দিতে হবে।

 

স্বাস্থ্যসেবা

ধরা পড়ে ধোলাই খাওয়া চোর হাসপাতালে গিয়ে ঠিকমতো চিকিত্সাসেবা পায় না। সেখানে  চিকিত্সকের অভাব, বেডের অভাবসহ আরো নানা রকম সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। তাই প্রত্যেক হাসপাতালে চোরদের জন্য আলাদা চিকিত্সক ও বেডের ব্যবস্থা রাখতে হবে।


মন্তব্য