kalerkantho


খোঁড়া যুক্তি

বাংলাদেশের দুজন বোলারের বোলিং অ্যাকশন পর্যবেক্ষণ করবে আইসিসি। খোঁড়া যুক্তি দিয়ে একসময় হয়তো তাঁদের নিষিদ্ধও করবে। এরই ধারাবাহিকতায় অন্য বাংলাদেশি খেলোয়াড়দের ওপরও একসময় নেমে আসবে নিষিদ্ধ করার আদেশ। আইসিসির সুবিধার্থে বাংলাদেশের অন্য খেলোয়াড়দের নিষিদ্ধ করার কিছু খোঁড়া যুক্তি জানাচ্ছেন আবিদুল ইসলাম রিমন

১৫ মার্চ, ২০১৬ ০০:০০



খোঁড়া যুক্তি

♦ তামিমের চোখের অ্যাকশন অবৈধ। কারণ সে চোখ বড় বড় করে ব্যাটিং করে।

♦ সৌম্য অর্থ শান্ত। কিন্তু বাংলাদেশের ড্যাশিং এই ওপেনারের কাজের সঙ্গে নামের কোনো মিল নেই। তিনি বরাবর মাঠে নেমে বিপক্ষ দলের খেলোয়াড়দের অশান্ত করে তোলেন। যাঁর নামের সঙ্গে কাজের মিল নেই, তাঁকে ভদ্রলোকের খেলায় মানায় না। সুতরাং সৌম্য সরকারের নাম অবৈধ। সুজা হিসেব তাই সে নিষিদ্ধ।

♦ সাব্বিরের বডি ল্যাংগুয়েজ অবৈধ। তাঁকে দেখলে মেয়েরা গ্যালারিতে ‘ম্যারি মি সাব্বির’ বলে চিল্লায়। খেলার সঙ্গে বিয়ে মেশানো ঠিক নয়।

সাব্বিরের বডি ল্যাংগুয়েজের কারণে মিশেছে। সুতরাং সাব্বিরের বডি অ্যাকশন অবৈধ।

♦ মুশফিকুর রহিমকে দেখতে ছোটখাটো মনে হয়। সুতরাং তাঁর হাইট অবৈধ।

♦ সাকিব আল হাসান তিন ফরমেটে এক নম্বর অলরাউন্ডার। তিনি একা একা সব দখল করে ফেলছেন। কাউকে সুযোগ দিচ্ছেন না। সুতরাং তাঁর র্যাংকিংয়ে এক নম্বর হওয়াটা অবৈধ। তাই তিনি যত দিন সিরিয়ালের বাইরে না যাবেন, তত দিন সব ধরনের আন্তর্জাতিক খেলা থেকে নিষিদ্ধ। তবে শুধু শর্তসাপেক্ষে তিনি ফিল্ডিং করতে পারবেন।

♦ মাহমুদ উল্লাহ রিয়াদকে বলা হয় সাইলেন্ট কিলার। ও মাই গড! তার মানে তিনি কিলার! তিনি ব্যাটিং দিয়ে প্রতিপক্ষ বোলারদের কিল করেন! সুতরাং তাঁর ব্যাটিং অবৈধ।

♦ নাসিরের দেহের গড়ন চিকনা, ছোটখাটো। তাই তাঁকে ক্রিকেট মাঠে তেমন একটা মানায় না। সুতরাং সে মোটকু হওয়া পর্যন্ত নিষিদ্ধ।

♦ বাংলাদেশ টিমের অধিনায়ক মাশরাফির পায়ে বেশ কয়েকবার অপারেশন হয়েছে। তিনি কষ্ট করে দেশের জন্য খেলেন। সুতরাং মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে বিচার করে তিনি আজীবনের জন্য নিষিদ্ধ।

♦ মুস্তাফিজের বোলিং অ্যাকশন অবৈধ। কারণ তিনি ‘কাটার’ করেন। কাটার তো সেলুন করবে। মুস্তাফিজ কেন? তিনি কি সেলুন মামা? সুতরাং মুস্তাফিজের বোলিং অ্যাকশন নিষিদ্ধ। তবে শর্তসাপেক্ষে তিনি শুধু ব্যাটিং করতে পারবেন।


মন্তব্য