বিচিত্রতা-330811 | ঘোড়ার ডিম | কালের কণ্ঠ | kalerkantho

kalerkantho

শুক্রবার । ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৬। ১৫ আশ্বিন ১৪২৩ । ২৭ জিলহজ ১৪৩৭

বিচিত্রতা

আইডিয়া : ফখরুল ইসলাম আঁকা : মানব

১ মার্চ, ২০১৬ ০০:০০



বিচিত্রতা

বউ : অপারেশনের পর আজই তো আপনার চোখের পট্টি খুলল। তা এখন কেমন দেখছেন মা?

শাশুড়ি : দেখছি, তুমি মাসখানেক যাবৎ ঘরদোর ভালো করে পরিষ্কার করো না। সারা বাড়িতে কেমন ধুলো জমে আছে।

 

 

বাবা : আমার পাঞ্জাবিটা এভাবে কেটে কুচি কুচি করেছে কে?

ছোট ছেলে : দাদা বলেছে, যুদ্ধের সময় পাঞ্জাবিরা নাকি বাঙালিদের অনেক ক্ষতি করেছে। তাই আমি ওটাকে কেটে প্রতিশোধ নিয়েছি বাবা।

 

 

মিতু : ছেলেটাকে দেখে রাগে গা জ্বলে যাচ্ছে।

টিনা : গা জ্বলার কারণটা তো বুঝলাম না! ছেলেটা তো তোর দিকে চাইছেই না।

মিতু : সে জন্যই তো রাগটা হচ্ছে।

 

 

মুদি দোকানদার : আমি আপনাকে গ্যারান্টি দিয়ে বলছি যে ডিমগুলো নতুন পাড়া হয়েছে।

ক্রেতা : কিভাবে আপনি গ্যারান্টি দিচ্ছেন?

মুদি দোকানদার : আরে বাবা, আপনি কখনো শুনেছেন যে মুরগি পুরনো ডিম পাড়ে?

 

 

বউ : জানো আজ কী হয়েছিল? বড় দেয়ালঘড়িটা দেয়াল থেকে খুলে গেছে। তখন আমি নিচ দিয়ে যাচ্ছিলাম। ঘড়িটা আর দুই সেকেন্ড আগে পড়লে আমার মাথায় পড়ত আর আমি শেষ হয়ে যেতাম। তখন তুমি আর আমাকে পেতে না।

স্বামী : ধেৎ! তোমাদের ওই ঘড়িটা সব সময়ই বড্ড স্লো।

 

 

প্রথম বন্ধু : কী ভাবছিস দোস্ত?

দ্বিতীয় বন্ধু : ভাবছি, মেয়েদের হূদয় একেবারে সরল, স্বচ্ছ জলের মতো; আর ছেলেদের কমপ্লিকেটেড, হাইটেক অনেকটা মোবাইলের মতো। এখন ‘জল’ মোবাইলে পড়ুক কিংবা ‘মোবাইল’ জলে, মোবাইলটাই যাবে।

মন্তব্য