kalerkantho

বসুন্ধরা-সায়েদাবাদ

‘গেট লক’ পুরো পথেই খোলা

শাখাওয়াত হোসাইন   

২২ মার্চ, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



‘গেট লক’ পুরো পথেই খোলা

গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুর সাড়ে ১২টা। রাজধানীর প্রগতি সরণির বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার মূল ফটক থেকে বাসে চেপে বাসাবোর বুদ্ধমন্দিরের উদ্দেশে রওনা হন সফিকুল ইসলাম। অনাবিল পরিবহনের বাসে (ঢাকা মেট্রো ব-১৫-১৪৬৫ ) সহকারী তাইজুল ইসলাম গেট লক সার্ভিসের কথা বলে বাসে ওঠান তাঁকে। কিন্তু সফিকুল বাসে উঠে আসন না পেয়ে সহকারীর সঙ্গে বাগিবতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন। কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে সফিকুলকে বাস থেকে নেমে যাওয়ার নির্দেশ দেন তাইজুল। পরে বাসের অন্য যাত্রীদের সমঝোতায় পরিস্থিতি শান্ত হলেও রামপুরার ডিআইটি সড়ক পর্যন্ত তাঁকে দাঁড়িয়ে যেতে হয়। সফিকুলের মতো নিরুপায় অনেক বাস যাত্রীকে দাঁড়িয়েই পৌঁছতে হয় গন্তব্যে। তথাকথিত এসব গেট লক বাসে প্রতিনিয়ত ভোগান্তির শিকার হচ্ছে যাত্রীরা। অনাবিল পরিবহনের ওই বাস গেট লক বলা হলেও পুরো রাস্তায় খোলা ছিল দরজা। আবার সায়েদাবাদ পর্যন্ত বাসটিতে কমপক্ষে ১৫ জন যাত্রী দাঁড়ানো ছিল। ভাড়াও নেওয়া হয়েছে অতিরিক্ত। গতকাল বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা থেকে সায়েদাবাদ পর্যন্ত অনাবিল পরিবহনে ভ্রমণ করে এসব দৃশ্য প্রত্যক্ষ করা গেছে।

যাত্রীদের অভিযোগ, বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা থেকে বুদ্ধমন্দিরের দূরত্ব ১১ কিলোমিটারের কম। সরকার নির্ধারিত কিলোমিটারপ্রতি এক টাকা ৭০ পয়সা হিসাবে এইটুকু পথের ভাড়া ১৮ টাকা ৭০ পয়সা। কিন্তু অনাবিল পরিবহন ভাড়া নেয় ২৮ টাকা। কেন বেশি ভাড়া নেওয়া হচ্ছে জিজ্ঞাসা করলে যাত্রীদের সঙ্গে খারাপ আচরণ করে সহকারীরা। অতিরিক্ত ভাড়া এবং গেট লক সার্ভিস বলা হলেও পুরো রাস্তায় গেট খোলা রাখার কারণ জানতে চাইলে বাস সহকারী তাইজুল ইসলাম বলেন, ‘এই নিয়মেই বাস চলে। আর এটাই নির্ধারিত ভাড়া। সরকারি হিসাবে ভাড়া নিলে পেট চলবে না। বসিয়ে যাত্রী নিলে ভাড়া আরো বেশি পড়বে।’

বাসটির চালক বাদল বলেন, ‘ভাড়া মালিক ঠিক করে দিয়েছেন। কম নিলে আমাদের পকেট থেকে দিতে হয়।’

 

মন্তব্য