kalerkantho

সাটুরিয়ায় দুই পুলিশ মিলে তরুণীকে ধর্ষণ

৫০ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণের রুল হাইকোর্টের

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১১ মার্চ, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



৫০ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণের রুল হাইকোর্টের

মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া থানার দুই পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে এক তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগের ঘটনায় হাইকোর্ট একটি রুল জারি করেছেন। ধর্ষণের শিকার তরুণীকে ৫০ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে এই রুল জারি করেন উচ্চ আদালত।

একই সঙ্গে ওই ঘটনার তদন্ত রিপোর্ট, মেডিক্যাল রিপোর্ট, কেস ফাইলসহ প্রয়োজনীয় সব তথ্য ১৮ এপ্রিলের মধ্যে আদালতে দাখিল করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরী ও বিচারপতি মো. আশরাফুল কামালের হাইকোর্ট বেঞ্চ গতকাল রবিবার এ আদেশ দেন। জনস্বার্থে চিলড্রেন চ্যারিটি বাংলাদেশ ফাউন্ডেশন ও বাংলাদেশ লিগ্যাল এইড সার্ভিসেস ট্রাস্টের (ব্লাস্ট) করা এক রিট আবেদনে এ আদেশ দেওয়া হয়। রিট আবেদনকারীপক্ষে আইনজীবী ছিলেন ব্যারিষ্টার মো. আব্দুল হালিম।

রুলে হাউস, মোটেল, গেস্ট হাউস, হোটেল, ডাকবাংলো, পুলিশ স্টেশন, পুলিশ স্টেশনের রেস্টরুম, সেফ হোমে নারী ও শিশুদের যৌন হয়রানি থেকে রক্ষায় একটি স্কিম ও গাইডলাইন তৈরির কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না তাও জানতে চাওয়া হয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব, পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি), মানিকগঞ্জের পুলিশ সুপার ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এবং সাটুরিয়া থানার ওসিসহ সংশ্লিষ্ট আটজনকে চার সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

ধর্ষণের শিকার ওই তরুণী ১১ ফেব্রুয়ারি রাতে সাটুরিয়া থানায় অভিযুক্ত দুই পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে মামলা করেন। মামলায় উপপরিদর্শক (এসআই) সেকেন্দার হোসেন ও সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) মাজহারুল ইসলামকে আসামি করা হয়। এর আগে এই দুজনের বিরুদ্ধে জেলা পুলিশ সুপারের (এসপি) কাছে লিখিত অভিযোগ করেন তিনি। তখন দুজনকেই থানা থেকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনসে সংযুক্ত করা হয়। মামলার পরদিন সকালে দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পরে ১২ ফেব্রুয়ারি মানিকগঞ্জের আদালত ওই দুই পুলিশ সদস্যকে ছয় দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

মন্তব্য