kalerkantho

এবারও এডিপি কাটছাঁট

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৬ মার্চ, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



এবারও এডিপি কাটছাঁট

আগের বছরের ধারাবাহিকতায় এবারও সংশোধিত বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) আকার কমছে। তবে অন্য বারের তুলনায় এবার মন্ত্রণালয়গুলোর টাকা ফেরত দেওয়ার প্রবণতা বেশি। চলতি ২০১৮-১৯ অর্থবছরে এডিপি থেকে আট হাজার কোটি টাকা কমছে। ফলে সংশোধিত এডিপির আকার কমে দাঁড়াচ্ছে এক লাখ ৬৫ হাজার কোটি টাকা। গতকাল অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে পরিকল্পনা কমিশনকে এই বরাদ্দ বেঁধে দেওয়া হয়েছে। এখন পরিকল্পনা কমিশন বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের মধ্যে এই টাকা বিতরণ করবে। চলতি মাসের মধ্যে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের সভায় সংশোধিত এডিপি অনুমোদন পাওয়ার কথা রয়েছে।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের তথ্য বলছে, চলতি অর্থবছরের এডিপির আকার ছিল এক লাখ ৭৩ হাজার কোটি টাকা, এর মধ্যে রাষ্ট্রীয় কোষাগার থেকে

জোগান দেওয়ার প্রতিশ্রুতি ছিল এক লাখ ১৩ হাজার কোটি টাকা। বাকি ৬০ হাজার কোটি টাকা উন্নয়ন সহযোগীদের কাছ থেকে পাওয়ার আশা করেছিল সরকার।

কিন্তু অর্থবছরের মাঝখানে এসে মন্ত্রণালয়গুলো বলছে, এই টাকা পুরোপুরি খরচ হবে না। তাই আগেভাগেই অর্থ ফেরত দেওয়া হচ্ছে। সংশোধিত এডিপির আকার দাঁড়াচ্ছে এক লাখ ৬৫ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে রাষ্ট্রীয় কোষাগার থেকে আসবে এক লাখ ১৪ হাজার কোটি টাকা। বাকি ৫১ হাজার কোটি টাকা উন্নয়ন সহযোগীদের কাছ থেকে পাওয়া যাবে। অর্থাৎ সংশোধিত এডিপিতে উন্নয়ন সহযোগীদের ৯ হাজার কোটি টাকা কাটছাঁট হচ্ছে। আর সরকারি তহবিল থেকে এক হাজার কোটি টাকা বাড়ানো হচ্ছে। এতে সংশোধিত এডিপির আকার দাঁড়াচ্ছে এক লাখ ৬৫ হাজার কোটি টাকা।

পরিকল্পনা কমিশন সূত্র বলছে, অর্থবছরের শুরুতে এডিপিতে প্রচুর টাকা বরাদ্দ দিয়ে চমক দেন অর্থমন্ত্রী। কিন্তু খরচ করতে না পেরে বছরের মাঝামাঝি এসে এর বড় একটি অংশ ফেরত দেয় মন্ত্রণালয় ও বিভাগগুলো। এবারও এর ব্যতিক্রম হচ্ছে না। বড় একটি অংশ কাটছাঁট হচ্ছে বৈদেশিক সহযোগিতা থেকে। উন্নয়ন সহযোগীদের টাকা খরচ করতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি বেশি হওয়ার কারণে সে টাকা ফেরত দেওয়া হয় বলে অভিযোগ দীর্ঘদিনের।

কমিশনের একাধিক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে বরাদ্দ পাওয়া গেছে। এখন বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের মধ্যে টাকা বিতরণের প্রক্রিয়া শুরু হবে। চলতি মাসের শেষের দিকে এনইসি সভায় সংশোধিত এডিপি অনুমোদনের জন্য উত্থাপন করা হবে। এবারও গুরুত্ব পাবে সড়ক পরিবহনে। এরপর থাকছে ভৌত অবকাঠামো ও শিক্ষা খাতে।

মন্তব্য