kalerkantho

ভালো নজির নেত্রকোনায়

হাফিজুর রহমান চয়ন, হাওরাঞ্চল   

৫ মার্চ, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ভালো নজির নেত্রকোনায়

কিশোরগঞ্জ ও সুনামগঞ্জে হাওরের ফসল রক্ষা বাঁধ নির্মাণ ও সংস্কারকাজে গাফিলতি ও অনিয়মের ব্যাপক অভিযোগ থাকলেও এ ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম নেত্রকোনা। জেলার মোহনগঞ্জ ও খালিয়াজুরী উপজেলার হাওরে সব প্রকল্পেই মাটি কাটার কাজ শেষ হয়েছে। শুধু কমপ্যাকশন (দুরমুজ দিয়ে মাটি শক্ত করা) ও ঘাস লাগানোর কাজ বাকি। জেলা ও উপজেলা প্রশাসন সার্বক্ষণিক নজরদারি করছে।

স্থানীয় কৃষক ও প্রশাসন সূত্র মতে, সার্বিক কাজের অগ্রগতি ৯০ শতাংশ। জানা যায়, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব সাজ্জাদুল হাসানের দৃঢ় মনোভাবের কারণে নেত্রকোনা জেলা প্রশাসন ও পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) সার্বক্ষণিক নজরদারি রাখছে প্রকল্পের কাজে। জেলা প্রশাসক মঈনউল ইসলাম গতকাল সোমবারও খালিয়াজুরীতে প্রকল্প এলাকায় ছিলেন। আগের দিন পরিদর্শনে ছিলেন পুলিশ সুপার জয়দেব চৌধুরী।

গতকাল ফোন করা হলে খালিয়াজুরী পাউবোর উপসহকারী প্রকৌশলী জসীমউদ্দিন জানান, তিনি জেলা প্রশাসকের সঙ্গে প্রকল্প এলাকায় আছেন। তাই এ মুহূর্তে বিস্তারিত কিছু বলতে পারছেন না। অন্য উপসহকারী প্রকৌশলী নিবরাণ সাহা জানান, তাঁর অধীনে থাকা ১৭টি প্রকল্পের কাজ ৯০ শতাংশ শেষ হয়েছে।

নেত্রকোনা পাউবোর নির্বাহী প্রকৌশলী মুহাম্মদ আক্তারুজ্জামান কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘কাজ মোটামুটি শেষ পর্যায়ে। তবে বাঁধের কাজে শেষ বলে কিছু নেই। হাওরে ফসল কাটা না হওয়া পর্যন্ত আমাদের লোকজন বাঁধেই থাকবে।’

পাউবো সূত্রে জানা যায়, এ বছর মোহনগঞ্জ উপজেলার ৯টি পিআইসির কাজে বরাদ্দ আছে এক কোটি ৭০ লাখ টাকা। এ ছাড়া চরহাইজদা হাওরে ফসল রক্ষা বাঁধে আরসিসি ব্লক স্থাপনকাজে ১১টি প্যাকেজে বরাদ্দ আছে আরো প্রায় ৪৩ কোটি টাকা। খালিয়াজুরীর ২৭টি প্রকল্পে বরাদ্দ প্রায় চার কোটি ৭০ লাখ টাকা।

 

মন্তব্য