kalerkantho


তরুণ্যোজ্জ্বল মন্ত্রিসভার আজ প্রথম বৈঠক

রাষ্ট্রপতির ভাষণসহ ছয় এজেন্ডা

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২১ জানুয়ারি, ২০১৯ ০০:০০





তরুণ্যোজ্জ্বল মন্ত্রিসভার আজ প্রথম বৈঠক

টানা তৃতীয় মেয়াদের আওয়ামী লীগ সরকারের নবগঠিত তারুণ্যের মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠক আজ। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ যে ভাষণ দেবেন, এই বৈঠকে তার খসড়া অনুমোদন করা হতে পারে। ভাষণটির খসড়া মন্ত্রিসভার সদস্যদের কাছে পাঠানো হয়েছে। বৈঠকের জন্য আরো পাঁচটি নির্ধারিত এজেন্ডা রয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র কালের কণ্ঠকে এ তথ্য জানিয়েছে।

গত ৩০ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিপুল জয় পায় ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। পরে গত ৭ জানুয়ারি প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভার সদস্যরা শপথ নেন। শপথ নেওয়ার পর মন্ত্রীরা কাজ শুরু করলেও আজই প্রথম মন্ত্রিসভা বৈঠক অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

বছরের শুরুতে সংসদের শীতকালীন অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির ভাষণে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের চিত্র তুলে ধরা হয়। এর আগে মন্ত্রিসভা এই ভাষণের অনুমোদন দেয়। জানা গেছে, আগামী ৩০ জানুয়ারি শুরু হতে যাওয়া সংসদ অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির ভাষণে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে গৃহীত উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের একটি সংক্ষিপ্ত রূপ সংসদ সদস্যদের সামনে উপস্থাপন করা হবে।

রাষ্ট্রপতির ভাষণ ছাড়াও মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠকে আরো পাঁচটি এজেন্ডা রয়েছে। এগুলো হচ্ছে গণপ্রতিনিধিত্ব (সংশোধন) আইনের খসড়ার নীতিগত অনুমোদন, ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন (নিয়ন্ত্রণ) (সংশোধন) আইনের খসড়ার নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন, জাতীয় সমাজকল্যাণ পরিষদ আইনের খসড়ার চূড়ান্ত অনুমোদন, বাংলাদেশ শিল্প কারিগরি সহায়তা কেন্দ্র আইনের নীতিগত অনুমোদন এবং প্রতিবন্ধী ব্যক্তির অধিকার ও সুরক্ষা আইন, ২০১৩ এবং প্রতিবন্ধী ব্যক্তির সুরক্ষা বিধিমালা এবং ২০১৫-র আলোকে প্রতিবন্ধী বিষয়ক জাতীয় কর্মপরিকল্পনার খসড়ার অনুমোদন।

জানা গেছে, জাতীয় সমাজকল্যাণ পরিষদের কার্যক্রম গতিশীল ও সুসংহত করার জন্য বাংলাদেশ জাতীয় সমাজকল্যাণ পরিষদ আইনের খসড়া প্রণয়ন করা হয়েছে। নারী, শিশু, দুর্বল, অনগ্রসর ব্যক্তি, গোষ্ঠী ও সম্প্রদায়ের সার্বিক জীবনমান উন্নয়নে কর্মসূচি গ্রহণ করবে সমাজকল্যাণ পরিষদ। সমাজকল্যাণমন্ত্রীকে সভাপতি করে সমাজকল্যাণ পরিষদ গঠন করা হবে।

দেশে ইট প্রস্তুত ও ভাটা নির্মাণের আইন ও বিধিমালা থাকলেও এসব মানা হয় না। নিয়মনীতি উপেক্ষা করে ফসলি জমির পাশেই ইটের ভাটা নির্মাণ করা হচ্ছে। অপরিকল্পিতভাবে ইটভাটা নির্মাণের কারণে পরিবেশের ওপর মারাত্মক বিপর্যয় নেমে আসছে। দেশে বর্তমানে ইটভাটার সংখ্যা ছয় হাজার ৯৩০, আর বছরে দেশে ইটের চাহিদা দেড় হাজার কোটি।

খসড়া আইনে ইট তৈরিতে মাটির ব্যবহার শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনার কথা বলা হয়েছে। নদী খনন থেকে উঠে আসা বালু দিয়ে ইটের বিকল্প উপকরণ প্রস্তত করার কথা আইনে রয়েছে।

 



মন্তব্য