kalerkantho


যানজটে অচল ঢাকা

পথে নামলেই বিভীষিকা

► রমজানে জরুরি ব্যবস্থাপনা নেই, ৩৬ সংস্থা দায়হীন
► পাঁচ গুণ বেশি গাড়ি চলে
► ৭৩ মোড়ে আটকে থাকে গাড়ি
► ৯৮.৩% গণপরিবহন আইন মানে না

পার্থ সারথি দাস   

১১ জুন, ২০১৮ ০০:০০



পথে নামলেই বিভীষিকা

রাজধানীর আজিমপুর থেকে নীলক্ষেত, নিউ মার্কেট হয়ে পুরো মিরপুর সড়কে গত শনিবার রাত ১১টায় ঠায় দাঁড়িয়েছিল বাস, ব্যক্তিগত গাড়ি, রিকশাসহ সব ধরনের যানবাহন। বাস থেকে নেমে দলে দলে হাঁটছিল নারী-পুরুষরা। এলিফ্যান্ট রোডে বাটা সিগন্যাল থেকে স্টার মল্লিকা পর্যন্ত আরো নাজুক চিত্র দেখা যায় যানজটের। ওই এলাকায় নিয়মিত রিকশা চালান মো. বাবুল মিয়া। তিনি বলেন, ‘মানুষ রিকশায় উডে, বইয়া থাকতে থাকতে হাইট্যা চইল্যা যায়। গাড়ি তো চলে না।’

ঈদের কেনাকাটা সামনে রেখে রাজধানীর বিপণিবিতান ঘিরে সড়কগুলো সচল থাকছে না। সব ফ্লাইওভারেও এর প্রভাব পড়ছে। গতকাল রবিবার সকালে মালিবাগ-মৌচাক হয়ে সাতরাস্তায় নেমে তেজগাঁও ফ্লাইওভারে উঠে ৪৫ মিনিট যানজটে আটকে থাকতে হয়েছে যাত্রী ও চালকদের। গত ৭ জুন দুপুরে মৌচাক থেকে সংসদ ভবন এলাকায় যেতে এক সাংবাদিককে রাস্তায় শুধু গাড়িতে স্থির থাকতে হয়েছে দুই ঘণ্টা।

কয়েকজন প্রভাবশালী মন্ত্রী, সচিব ও পুলিশের বড় কর্মকর্তা যানজট থেকে রেহাই পেতে উল্টো পথে চলাচল করছেন পুলিশেরই সহযোগিতায়। ভিআইপিদের চলাচলের জন্যও রাস্তা বন্ধ রাখা হচ্ছে। অন্যদিকে সাধারণ মানুষ কেনাকাটার জন্য পথে বেরিয়ে হেঁটেও চলতে পারছে না। মধ্যরাতেও ঢাকার রাস্তায় গাড়ি আটকে থাকে সারি সারি। জিল্লুর রহমান ফ্লাইওভার দিয়ে কালশী হয়ে নিয়মিত চলাচলকারী জাবালে নূর পরিবহনের চালক আশিকুর রহমান গত শনিবার রাতে আটকে থেকে বলেন, প্রগতি সরণি, বাড্ডা, রামপুরায়ও আটকে থাকতে হয়। রাত হলেই ট্রাক বেপরোয়া চলে, ট্রাফিক পুলিশ থাকে না। আর এখানে ব্যারিকেড দেওয়ায় জট লেগেছে। 

সমন্বিত জরুরি যান চলাচল ব্যবস্থাপনার অনুপস্থিতিতে মধ্যরাতেও যানজটে অচল থাকছে ঢাকার রাস্তা। ব্যয়বহুল ওভারপাস ও ফ্লাইওভারগুলোতেও ক্ষণে ক্ষণে যানজট লাগছে। সীমিত সড়কে অনিয়ন্ত্রিত গাড়ি, যান চলাচলের বিজ্ঞানসম্মত ব্যবস্থাপনা না থাকা, কেন্দ্রীয় একক সংস্থার সমন্বয় না থাকায় স্বাভাবিক সময়েই সঙ্গিন থাকে পরিস্থিতি। বুয়েটের এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যানজটে দিনে গড়ে নষ্ট হয় ৫০ লাখ কর্মঘণ্টা। এর ওপর সিটি করপোরেশনসহ ৩৬টি সংস্থার দায় এড়িয়ে চলার সংস্কৃতি পরিস্থিতিকে ভয়াল রূপ দিয়েছে। রমজান মাসের শুরু থেকে রাজধানীর ৭৩টি মোড়েই প্রতিদিন যানবাহনে আটকে থাকতে হচ্ছে লাখ লাখ মানুষকে। তীব্র গরমে বাসে ঝুলন্ত যাত্রীর প্রাণ যায় যায়, তবু বাস এগোয় না। 

ঢাকা মহানগরীর মিরপুর অঞ্চল থেকে সবচেয়ে বেশি নগর পরিবহন চলাচল করে। এ ছাড়া অন্যান্য ব্যক্তিগত ও বিভিন্ন শ্রেণির গাড়ি এবং অযান্ত্রিক যানবাহনও চলাচল করে। বিআরটিএর হিসাবে, মিরপুর থেকে দিনে গড়ে ৮৫০টি বাস-মিনিবাস চলাচল করে। মিরপুর-১২ থেকে কাজীপাড়া হয়ে আগারগাঁও সড়কটি ছয় লেনের। সড়ক বিভাজক ঘিরে বেষ্টনী দিয়ে মেট্রো রেলের অবকাঠামো নির্মাণকাজ চলায় এখন এটির এক লেনের মতো চওড়া পথ আছে চলাচলের জন্য। অন্যান্য দিন গুলিস্তান থেকে মিরপুর-১২ পর্যন্ত যেতে দেড় ঘণ্টা লাগে। গতকাল লেগেছে সাড়ে তিন ঘণ্টা।

বুয়েটের এক গবেষণা মতে, স্বাভাবিক সময়ে ঢাকায় যান চলাচলের গতি গড়ে ঘণ্টায় পাঁচ কিলোমিটার। এটি হেঁটে চলার গতির সমান। এখন গাড়ি থেকে নেমে হেঁটেও চলা যাচ্ছে না। একে তো বিভিন্ন বিপণিবিতানের সামনে জনজট, তার ওপর বর্ষা সামনে রেখে ওয়াসাসহ বিভিন্ন সংস্থার উন্নয়নকাজের হিড়িক চলছে।

জানা গেছে, ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের ৪০ শতাংশ সড়কই চলাচলের অনুপযোগী। সামান্য বৃষ্টি হলেই নগরীতে বাস বন্ধ রেখে চালাতে হয় নৌকা। পান্থপথে বসুন্ধরা সিটি শপিং মলসহ হাতে গোনা কয়েকটি বিপণিবিতানের সামনে গাড়ি রাখার স্থান আছে। অন্য কোথাও তা নেই। ফলে পথে মানুষ ও গাড়ি জট পাকিয়ে চলাচল অনিরাপদ, বিভীষিকাময় হয়ে উঠেছে।

ঈদ যাত্রার ব্যবস্থাপনার জন্য প্রস্তুতিমূলক বৈঠক হয়ে থাকে। সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় এ ব্যবস্থা ধারাবাহিকভাবে চালিয়ে এখন মহাসড়কের পাশে এ বৈঠক করছে। কিন্তু ঢাকায় রমজান মাসে যান চলাচল ব্যবস্থাপনা নিয়ে বিভিন্ন দপ্তরের মধ্যে সমন্বিত বৈঠকই হয়নি। শুধু ঢাকা মহানগর ট্রাফিক পুলিশ জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের মাঠে সরব থাকার নির্দেশনা দিয়েছে।

বুয়েটের অধ্যাপক ড. সামছুল হক কালের কণ্ঠকে বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন নগরীতে স্বাভাবিক সময়ে এবং বিশেষ মৌসুমে যান চলাচল ব্যবস্থাপনার সমন্বিত ব্যবস্থাপনা থাকে। সবচেয়ে সমস্যাগ্রস্ত ঢাকায় এ বিষয়ে সবচেয়ে বেশি জোর দেওয়া দরকার ছিল। যানজট নিয়ন্ত্রণে কমপক্ষে ৩৭টি সংস্থা জড়িত। এর মধ্যে ট্রাফিক পুলিশকে মাঠে দেখা যায়। অন্যদের প্রতিনিধিত্ব দেখা যায় না। 

ঢাকামুখী জনস্রোতে ঢাকায় জনজট ভয়াল রূপ নিয়েছে। রাজধানীতে চলাচলের জন্য ২৫ শতাংশ সড়ক থাকার কথা, আছে ৫ শতাংশ। ৮৮ কিলোমিটার প্রধান সড়কে ১১ লাখ যানবাহন চলাচল করছে। আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী ঢাকার প্রধান সড়কে দুই লাখ ১৬ হাজার যানবাহন চলাচল করতে পারে। বর্তমানে এর পাঁচ গুণ বেশি গাড়ি চলাচল করছে।

সংকুচিত সড়কে প্রতিদিন নিবন্ধিত হচ্ছে ৩৮২টি গাড়ি। নিবন্ধিত গাড়ি আছে ১১ লাখ ১৫ হাজার ৬৫৪টি। প্রায় দুই কোটি মানুষের নগরীতে রমজানের শুরু থেকেই বিশেষ করে কেনাকাটার জন্য বাড়তি গাড়ি প্রতিদিন ঢুকছে রাজধানীতে। ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) ট্রাফিক বিভাগের (দক্ষিণ) ভারপ্রাপ্ত উপকমিশনার মেহেদী হাসান কালের কণ্ঠকে বলেন, উন্নয়নকাজের জন্য কোনো সড়কের সব লেন ব্যবহার করা যাচ্ছে না।

২০৩০ সালে ঢাকার জনসংখ্যা তিন কোটি ছাড়াবে। চাকরি, বদলি, পদোন্নতি, পেনশন, মিছিল, সমাবেশ, ব্যবসা, বিনোদন—সবকিছুর কেন্দ্রীয় এলাকা ঢাকা দেশের ১ শতাংশ। অথচ মোট জিডিপির ৩৬ শতাংশ জোগান আসছে ঢাকা থেকে। দেশের কর্মসংস্থানের ৪৪ শতাংশ ব্যবস্থা হয় এ নগরীতে। ড. সামছুল হক মনে করেন, ঢাকা এখন মৃতপ্রায়। নগরী সরিয়ে নিতে হবে অন্যত্র। জলাবদ্ধতা, বিভিন্ন উৎসবে গাড়ি চলাচলের জন্য ব্যবস্থাপনা থাকা জরুরি।

গণপরিবহনে নৈরাজ্য চলছে। তাকে উসকে দিচ্ছে পরিকল্পনা বাস্তবায়ন না হওয়া। বুয়েটের দুর্ঘটনা গবেষণা ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ড. মোয়াজ্জেম হোসেন বলেন, একই সড়কে নানা গতির বাহন, যার মধ্যে রিকশাই চলে ১৫ লাখ। আছে ভ্যান, সিএনজি অটোরিকশা, ঠেলাগাড়ি, ঘোড়ার গাড়ি। এ অবস্থা থেতে পরিত্রাণের জন্য প্রথমে একটি বাস কম্পানি গঠন করতে হবে। কম্পানিভিত্তিক বাস চলাচলের ব্যবস্থা হলে সড়কে বিশৃঙ্খলা কমবে। তিনি কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘ঢাকায় যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাই নেই। বিজ্ঞানসম্মত কোনো ব্যবস্থা গড়ে ওঠেনি। এমনটা বিশ্বের আর কোনো নগরীতে নেই। কেন্দ্রীয়ভাবে নির্দিষ্ট সংস্থা ঢাকা যানবাহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষ (ডিটিসিএ) এটি নিয়ন্ত্রণ করতে পারত। লন্ডন শহরে যেখানে এক হাজার ৫০০ প্রকৌশলী আছেন, এ সংস্থায় তো পাঁচজন প্রকৌশলীও নেই। যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ করছে প্রশিক্ষণহীন ট্রাফিক পুলিশ। স্বয়ংক্রিয় সিগন্যাল ব্যবস্থা থাকলেও হাতের ইশারায় চলাচল নিয়ন্ত্রণ দৃশ্য দেখে অবাক হতে হয়।’ ড. মোয়াজ্জেম আরো বলেন, রমজানে যানজট বেশি হওয়ার একটি বড় কারণ কর্মঘণ্টা কমে আসা। সরকারি দপ্তরের সময়সূচি পরিবর্তন করা হলেও পরিবর্তিত সূচি অনুসারে আগাম ব্যবস্থা নেই। গাড়ির প্রবল চাপ পড়ছে কম সময়ে। এটা নিয়ন্ত্রণ করা ট্রাফিক পুলিশের জন্য অসম্ভব হয়ে পড়ছে।

বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (বিআইডিএস) গবেষক ড. নাজনীন আহমেদের মতে, ঢাকায় যানজটের বড় কারণ ব্যক্তিগত যানবাহনের আধিক্য। গণপরিবহন ব্যবস্থা ভালো নয় বলেই অনেকে ধার করে বা ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে একটি ব্যক্তিগত পরিবহণ কিনছেন।

ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্র্যাক ইনস্টিটিউট অব গভর্ন্যান্স অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টের (বিআইজিডি) এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেখানে সেখানে গাড়ি পার্কিং, ব্যক্তিগত গাড়ির আধিক্য, আইন না মানাই যানজটের বড় কারণ। ঢাকার ৯৮.৩ শতাংশ গণপরিবহন ও ৬৮ শতাংশ ব্যক্তিগত গাড়ি আইন মানে না। বিমানবন্দর থেকে গুলশান, মহাখালী, গুলিস্তান হয়ে পোস্তগোলা যাওয়ার ২৬ কিলোমিটার পথে অফপিক আওয়ার বা অপেক্ষাকৃত কম ব্যস্ত সময়ে গাড়ির গতিসীমা থাকে ঘণ্টায় ২২ কিলোমিটার। তবে পিক আওয়ারে তা কমে ২০১৬ সালে হতো ৯ কিলোমিটার। কালের কণ্ঠ’র প্রতিবেদকরা দেখেছেন, এখন ওই গতি নেমেছে পাঁচ কিলোমিটারে।

ডিটিসিএর সাবেক নির্বাহী পরিচালক ড. সালেহ উদ্দিন আহম্মদ কালের কণ্ঠকে বলেন, ডিটিসিএ নামে সংস্থাটিতে প্রয়োজনীয় জনবল নেই। কিছু সমীক্ষা করেছিল। পুরো পরিবহন খাতের সমন্বয় ও শৃঙ্খলার জন্য সংস্থাটি তেমন কোনো কাজ করতে পারছে না।

৩০০ কম্পানির বাস শৃঙ্খলায় আনতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ : ঢাকায় সড়কের শৃঙ্খলা আনতে কম্পানিভিত্তিক বাস পরিচালনার জন্য ২০১৫ সাল থেকে অংশীজনদের সঙ্গে ৩০টির বেশি বৈঠক করেছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন। ওই প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত ড. সালেহ উদ্দিন আহম্মদ বলেন, ‘ঢাকা ও আশপাশে ৩০০টি কম্পানির বাস চলাচল করে। রুট আছে ২৪৬টি। আমরা এগুলোকে ছয়টি কম্পানি ও ২২টি রুট করব। একটি কেন্দ্রীয়সহ সাতটি বাস টার্মিনাল করা হবে। কোনো ধরনের সিটিং সার্ভিস থাকবে না। এমন ব্যবস্থা করা হবে যাতে যাত্রী তোলার জন্য বাসগুলোর মধ্যে অসুস্থ প্রতিযোগিতা না থাকে। গত ৩১ মে প্রধানমন্ত্রী এ জন্য নির্দেশ দিয়েছেন। ঈদের পর আমরা প্রস্তাব চূড়ান্ত করব পরিবহন মালিকদের সঙ্গে বসে।’ তিনি বলেন, এটি হবে স্থায়ী ব্যবস্থা। তবে উৎসব মৌসুমে কেনাকাটা বেড়ে গেলে গাড়ি চলাচল নিয়ন্ত্রণ ও শৃঙ্খলা রক্ষার জন্য সব সংস্থা মিলে বৈঠক করে ব্যবস্থা নিতে পারে। এ জন্য বার্ষিক পরিকল্পনা করতে হবে। বছরে দুটি ঈদ ও অন্যান্য বড় উৎসব যেমন নববর্ষের আগে যান চলাচল ব্যবস্থাপনা সমন্বিতভাবে করতে হবে।

সিসি ক্যামেরা বহুমুখী কাজে লাগছে না : ড. সালেহ উদ্দিন আহম্মদ বলেন, ঢাকায় ২১ হাজার সিসি ক্যামেরা বসানোর পরিকল্পনা করা হয়েছে। কিছু ক্যামেরা অপরাধী শনাক্ত করতে কাজে লেগেছে। তবে যান চলাচলে আইন মানা হচ্ছে কি না সে বিষয়ে নজর রাখতে এসব ক্যামেরা আরো বেশি কার্যকর। এসব বিষয়ও ডিটিসিএ সমন্বয় করতে পারে।  সিসি ক্যামেরা বহুমুখী কাজে লাগছে না।

ডিটিসিএ সূত্রে জানা গেছে, বিভিন্ন সংস্থাকে নির্দেশনা পাঠানো হয়, তাও মানা হয় না। ডিটিসিএর সাবেক নির্বাহী পরিচালক সৈয়দ আহম্মদ কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘ঢাকার পরিবহন ব্যবস্থাপনা নিয়ে বহু সংস্থা জড়িত। আমি গত ১০ মে থেকে ওই দায়িত্বে নেই। আমি থাকা অবস্থায় গত বছর যান চলাচল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা করে বিভিন্ন নির্দেশনা দিয়েছিলাম।’

ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ট্রাফিক) মীর রেজাউল আলম বলেন, ‘রমজানে বিপণিবিতানগুলোতে শুক্র ও শনিবার আগে ভিড় উপচে পড়ত; এখন প্রতিদিনই পড়ছে। আমরা দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে রাস্তায় ইফতার করছি। দিনশেষে সব চাপ আমাদেরই। তবে অন্যান্য সংস্থাও হয়তো কাজ করে। তবে আমাদেরটা বেশি দৃশ্যমান। বিপণিবিতান ও টার্মিনালে অতিরিক্ত জনবল দেওয়া হয়েছে। গাড়ির চাপ অনেক বেড়েছে।’



মন্তব্য