kalerkantho


তিনজনের কোমরে বাঁধা ৩২০টি সোনার বার

চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি   

২৬ এপ্রিল, ২০১৮ ০০:০০



তিনজনের কোমরে বাঁধা ৩২০টি সোনার বার

তিন পাচারকারীর কোমরে বাঁধা বিশেষ বেল্টে লুকানো ছিল ৩২০টি সোনার বার। এগুলোর ওজন প্রায় ৩৭ কেজি। বাজারমূল্য ১৬ কোটি টাকা। গতকাল বুধবার দুপুরে চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা সীমান্ত দিয়ে ভারতে পাচার করার সময় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সদস্যরা সোনার বারগুলো উদ্ধার করতে পারলেও তিন চোরাকারবারিকে আটক করা যায়নি।

চুয়াডাঙ্গা ৬ বিজিবি ব্যাটালিয়নের পরিচালক মো. ইমাম হাসান সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানিয়েছেন। তিনি জানান, গতকাল সকালে তাঁরা জানতে পারেন যে কয়েকজন চোরাকারবারি দামুড়হুদা উপজেলার সুলতানপুর সীমান্ত এলাকা দিয়ে ভারতে সোনা পাচার করবে। এই তথ্যের ভিত্তিতে সুলতানপুর ক্যাম্পের বিজিবি সদস্যদের একটি দল সীমান্তের মাথাভাঙ্গা নদীর কাছে অবস্থান নেয়। দুপুর ২টার দিকে তিনজনের একটি চোরাকারবারি দল মাথাভাঙ্গা নদীর তীরে আসে। তাদের প্রত্যেকের কোমরে বিশেষ ধরনের বেল্ট বাঁধা ছিল। বিজিবি সদস্যরা তিনজনকে আটকে জিজ্ঞাসাবাদ করার সময় তারা নদীতে ঝাঁপিয়ে পড়ে। তাদের মধ্যে একজন কোমর থেকে বেল্ট খুলে নদীতীরে ফেলে যায়। অন্য দুজন বেল্ট নদীতে ফেলে

 সাঁতার কেটে পালিয়ে যায়। বিজিবি সদস্যরা তাদের ধাওয়া করলেও ধরতে পারেননি।

বিজিবি কর্মকর্তা ইমাম হাসান জানান, পরে বিজিবি সদস্যরা বেল্ট তিনটি উদ্ধার করে নিয়ে আসেন। বেল্টগুলোতে বিশেষ পদ্ধতিতে আটকে রাখা অবস্থায় ৩২০টি সোনার বার পাওয়া গেছে।

গতকাল বিকেলে সোনার বারগুলো ৬ বিজিবি ব্যাটালিয়নের প্রধান কার্যালয়ে নিয়ে আসা হয়। সেখানে বাহিনীর পরিচালক ইমাম হাসান সাংবাদিকদের এসব তথ্য দেন। তিনি বলেন, চুয়াডাঙ্গার বিভিন্ন সীমান্তপথে চোরাকারবারিরা সোনা চোরাচালানের চেষ্টা করে থাকে। এর আগেও একাধিকবার বিজিবি সদস্যরা চোরাইপথে ভারতে পাচারের উদ্দেশ্যে সীমান্ত এলাকায় নিয়ে আসা সোনা জব্দ করেছেন। গতকালও চোরাকারবারিদের একটি চক্র বাংলাদেশ থেকে ভারতে সোনা পাচারের চেষ্টা করে। সোনা পাচার রোধে বিজিবি সব সময় সতর্ক অবস্থানে আছে।

বিজিবি কর্মকর্তা বলেন, সোনার বারগুলো উদ্ধারের ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

 



মন্তব্য