kalerkantho


ওবায়দুল কাদের বললেন

জোর করে ক্ষমতায় থাকার দুরভিসন্ধি আ. লীগের নেই

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৬ মার্চ, ২০১৮ ০০:০০



জোর করে ক্ষমতায় থাকার দুরভিসন্ধি আ. লীগের নেই

ফাইল ছবি

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘আওয়ামী লীগের ইতিহাসে ষড়যন্ত্র করে ক্ষমতায় আসার নজির নেই। এই ইতিহাস বিএনপির আছে। আমাদের ক্ষমতার উৎস জনগণ। জনগণ নির্বাচনে রায় দেবে।’ বিএনপির উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘নির্বাচনে আসুন, জনগণ চাইলে আমরা ক্ষমতায় থাকব, না চাইলে সরে যাব। জোর করে ক্ষমতায় থাকার কোনো দুরভিসন্ধি আওয়ামী লীগের ইতিহাসে ছিল না, আজও নেই। এটা আমি পরিষ্কারভাবে দলের পক্ষ থেকে দেশবাসীকে জানিয়ে দিলাম।’

গতকাল বৃহস্পতিবার ধানমণ্ডিতে ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভায় ওবায়দুল কাদের এসব কথা বলেন। আগামীকাল জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মদিন এবং মহান স্বাধীনতা দিবসের কর্মসূচি সফল করার লক্ষ্যে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভার শুরুতে নেপালে বিমান বিধ্বস্ত হয়ে হতাহতের ঘটনায় রাষ্ট্রীয় শোক কর্মসূচি পালনের অংশ হিসেবে দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।

ওবায়দুল কাদের অভিযোগ করে বলেন, বিএনপি অহেতুক আদালতের বিষয়কে রাজনীতির মাঠে নিয়ে এসে দেশে অস্থিরতা সৃষ্টির পাঁয়তারা করছে। তিনি বিএনপি নেতাদের উদ্দেশে বলেন, ‘আদালতকে স্বাধীনভাবে সিদ্ধান্ত নিতে দিন। খালেদা জিয়ার দণ্ড দিয়েছেন আদালত, জামিনও দিয়েছেন আদালত। এখন আবার আদালতের নিয়ম অনুযায়ী আপিল বিভাগে সিদ্ধান্ত হবে রবিবার। এখানে সরকারের কোনো প্রভাব ও হস্তক্ষেপ কিছুই নেই। অহেতুক আপনারা বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছেন।’

সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী বলেন, ‘সরকার বিচার বিভাগের স্বাধীনতায় বিশ্বাস করে। আপনারা যে অভিযোগ করছেন তা বাস্তবে ভিত্তিহীন ও মিথ্যা। স্বাধীন বিচারব্যবস্থার ওপর হস্তক্ষেপের নজির এই সরকারের আমলে আমরা সৃষ্টি করিনি।’ তিনি বলেন, ‘অন্যায় যে-ই করুক, সরকার কাউকে ছাড় দেয়নি। ফেনীর ফুলগাজী উপজেলা চেয়ারম্যান একরামুল হক হত্যা মামলায় ৩৯ জনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত।’

নিজেদের নির্বাচনের প্রস্তুতির কথা জানিয়ে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘নির্বাচন সামনে। আমরা কাজ করে যাচ্ছি। দেশে স্থিতিশীল পরিবেশ বজায় থাকুক। নির্বাচনে সিদ্ধান্ত হবে জনগণ কাকে চায়, কাকে চায় না।’ তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগের ভুল-ত্রুটি থাকতে পারে। অতীতে কেউ এর চেয়ে ভালো সরকার দিতে পারেনি, পারবেও না।’

ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শেখ বজলুর রহমানের সভাপতিত্বে সভায় উপস্থিত ছিলেন দলের দপ্তর সম্পাদক ড. আবদুস সোবহান গোলাপ, কেন্দ্রীয় নেতা আমিনুল ইসলাম আমিন, ঢাকা মহানগর উত্তরের সাধারণ সম্পাদক সাদেক খান প্রমুখ।



মন্তব্য