kalerkantho


শিক্ষকদের ‘ন্যায্য’ দাবির চাপ

সরকারের শেষ সময়ে শিক্ষা খাত অস্থির

শরীফুল আলম সুমন   

৪ জানুয়ারি, ২০১৮ ০০:০০



শিক্ষকদের ‘ন্যায্য’ দাবির চাপ

অনশনের চতুর্থ দিনে শিক্ষকরা মোনাজাত করে কান্নায় ভেঙে পড়েন। ছবি : মঞ্জুরুল করিম

সরকারের শেষ বছরে এসে পৃথক দাবি নিয়ে বিভিন্ন পর্যায়ের শিক্ষকরা মাঠে নামায় একরকম অস্থিরতা চলছে শিক্ষা খাতে। নতুন বছরের প্রথম দিন থেকেই ক্লাস শুরু হওয়ার কথা থাকলেও অনেক শিক্ষকই রাজপথে অবস্থান নিয়েছেন। রয়েছে নতুন কর্মসূচিও। চলতি সপ্তাহেই বিসিএস সাধারণ শিক্ষা সমিতি, শিক্ষক-কর্মচারী সংগ্রাম কমিটি ও বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতির (বাশিস)

পৃথক দাবিতে মাঠে নামার ঘোষিত তারিখ রয়েছে। এমপিওর দাবিতে আন্দোলনকারীদের কারণে এরই মধ্যে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। মাঠে নামা শিক্ষকরা নতুন বই বিতরণ উৎসবে যোগ দেননি। ছিলেন না প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী (পিইসি) ও জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেটের মতো (জেএসসি) পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ অনুষ্ঠানে। আন্দোলনে প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও কলেজ পর্যায়ের শিক্ষকরা রয়েছেন। তাঁদের নেতৃত্বদানকারী সংগঠনগুলোর সংখ্যাও কম নয়, প্রায় দুই ডজন!

শিক্ষক নেতারা বলছেন, তাঁদের ন্যায্য দাবি পূরণে প্রতিশ্রুতি দিয়েও সরকার না রাখায় তাদের শেষ মেয়াদে আন্দোলন করাটা অবশ্যই ন্যায়সংগত। এ ক্ষেত্রে শিক্ষাবিদরা সমস্যার সমাধানে সরকারের দায়িত্বের কথা স্মরণ করিয়ে দিচ্ছেন। তবে সরকারের নীতিনির্ধারকরা বলছেন, তাঁদের এমপিওতে নেওয়ার সিদ্ধান্ত এরই মধ্যে হয়েছে, নীতিমালা চূড়ান্ত হওয়া বাকি।

অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘শিক্ষকদের বেতন-মর্যাদা অন্যদের চেয়ে কম। এমনকি অনেক শিক্ষক বেতনও পান না। শিক্ষকরা অনশন করছেন, সরকারের গুরুত্ব নেই। এটা দুঃখজনক। শিক্ষকরা যেন আন্দোলন না করে ক্লাসরুমে থাকেন, এর ব্যবস্থা সরকারকেই করতে হবে।’ জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ও গবেষক ড. এ কে এম শাহনাওয়াজের কথা হচ্ছে, শিক্ষকদের সংকটগুলো আজকের না, অনেক দিনের। প্রথম দিকেই যদি তা সমাধান করা হতো, তাহলে আজকের এই অবস্থা হতো না। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (মাধ্যমিক) চৌধুরী মুফাদ আহমেদ বলেন, ‘আমরা নন-এমপিও প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করার জন্য নতুন করে নীতিমালা করেছি, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ে জমা দেওয়া হয়েছে। পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে তারা তা চূড়ান্ত করবে। প্রসেস শুরু হয়েছে বলে তো শিক্ষকদের খুশি হওয়ার কথা।’

জাতীয় শিক্ষানীতি প্রণয়ন কমিটির সদস্য ও প্রবীণ শিক্ষক নেতা অধ্যক্ষ কাজী ফারুক আহমেদ কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক দলগুলো যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, তা ঠিকমতো বাস্তবায়ন করে না। তাই শিক্ষক সংগঠনগুলো মনে করে, নির্বাচনের আগে সরকারের অবস্থান নমনীয় হবে। এ জন্য তারা আন্দোলন করে। এটা ঐতিহ্যগতভাবে হয়ে আসছে।’ বর্তমানে শিক্ষকরা যে বিষয়গুলো নিয়ে আন্দোলন করছেন, তা অত্যন্ত যৌক্তিক—এই দাবি করে তিনি বলেন, ‘শিক্ষকরা বিনা বেতনে কেন পড়াবেন? দীর্ঘদিন ধরে বলা হচ্ছে জনসংখ্যা অনুযায়ী কত প্রতিষ্ঠান দরকার এর কোনো হিসাব করা হয় না। এখন সরকারের সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ার ধীরগতির জন্য তো শিক্ষকরা দায়ী নন।’

জানা যায়, সরকারি প্রাথমিক শিক্ষকরা শহীদ মিনারে ২৩ ডিসেম্বর থেকে অনশনে নামার পর সমাধানের আশ্বাস পেয়ে যখন সাময়িকভাবে স্থগিত করেছেন, নন-এমপিও ও ইবতেদায়ির শিক্ষকরা এখন আন্দোলনে মাঠে রয়েছেন। বিসিএস সাধারণ শিক্ষা সমিতির ৬, ৭ ও ৮ জানুয়ারি প্রতিষ্ঠানে কর্মবিরতির ঘোষণা রয়েছে। শিক্ষক-কর্মচারী সংগ্রাম কমিটি ৯ থেকে ২৮ জানুয়ারি উপজেলা সদর ও নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানে কর্মসূচি পালন করবে। এ ছাড়া ১০ জানুয়ারি বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি (বাশিস) শহীদ মিনারে কর্মসূচি দিয়েছে।

২০১০ সাল থেকে সরকার সব ধরনের প্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্তি বন্ধ রেখেছে। নন-এমপিও স্কুল, কলেজ ও মাদরাসার সংখ্যা এখন পাঁচ হাজার ২৪২। শিক্ষক-কর্মচারী ৮০ হাজারের মতো। প্রতিষ্ঠানগুলো সরকারের স্বীকৃত হলেও মিলছে না বেতন-ভাতা। প্রেস ক্লাবে এমপিওর দাবিতে আন্দোলন চলছে ‘নন-এমপিও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান শিক্ষক-কর্মচারী ফেডারেশন’-এর নেতৃত্বে। এর সভাপতি গোলাম মাহমুদুন্নবী ডলার কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘নন-এমপিও বেশির ভাগ শিক্ষকই ১৫ থেকে ২০ বছর বিনা বেতনে চাকরি করছেন। আর কত করা যায়? আমাদের যদি এমপিওভুক্তি করা না হয়, তাহলে কেন এত প্রতিষ্ঠানকে স্বীকৃতি দেওয়া হলো? দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আমাদের আন্দোলন চালিয়ে যাব।’ জাতীয়করণের দাবিতে ১ জানুয়ারি থেকে প্রেস ক্লাবে অবস্থান কর্মসূচি চলছে বাংলাদেশ স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদরাসা শিক্ষক সমিতির ব্যানারে। সমিতির মহাসচিব কাজী মোখলেছুর রহমান বলেন, ‘জাতীয়করণের ঘোষণা না আসা পর্যন্ত আন্দোলন চলবে। শিগগিরই আমরা প্রধানমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি দেব। তাতেও দাবি আদায় না হলে আমারা আমরণ অনশন কর্মসূচি দেব।’

জানা যায়, প্রায় দুই যুগ ধরে ইবতেদায়ি মাদরাসা চলছে। ১৯৯৪ সালে এক পরিপত্রের মাধ্যমে রেজিস্টার্ড বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদরাসা শিক্ষকদের ভাতা ৫০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়। পরে রেজিস্টার্ড বিদ্যালয়গুলোকে বেতন কাঠামোয় আনা হলেও বঞ্চিত থাকেন মাদরাসা শিক্ষকরা। শুধু তাঁদের ভাতা বাড়িয়ে এক হাজার ২০০ টাকা করা হয়। ২০১৩ সালে একযোগে ২৬ হাজার বিদ্যালয় জাতীয় করা হয় এবং এবারও ইবতেদায়ি বাইরে থেকে যায়, ভাতা করা হয় সর্বোচ্চ দুই হাজার ৫০০ টাকা। সমিতির মহাসচিব কাজী মোখলেছুর রহমান বলেন, ১০ হাজার ইবতেদায়ি মাদরাসার মধ্যে মাত্র এক হাজার ৫১৯টি প্রতিষ্ঠানের চারজন করে শিক্ষক এই ভাতা পান। এর মধ্যে প্রধান শিক্ষক দুই হাজার ৫০০ ও সহকারী শিক্ষক দুই হাজার ৩০০ টাকা পান।

সমস্যার কারণ ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে শিক্ষাবিদ অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, ‘শিক্ষাকে রাষ্ট্রীয়ভাবে যেভাবে গুরুত্ব দেওয়া উচিত, তা হচ্ছে না। বিপুল জনগোষ্ঠীকে দক্ষ করতে চাইলে শিক্ষাকেই সর্বাধিক গুরুত্ব দিতে হবে। কিন্তু আমরা দেখতে পাচ্ছি, বাজেটে শিক্ষায় বরাদ্দ বাড়ছে না; যে কারণে আস্তে আস্তে সংকট তৈরি হচ্ছে। শিক্ষার মানও বাড়ছে না। যদি শিক্ষককে গুরুত্ব দেওয়া না হয়, তাহলে শিক্ষার মান বাড়বে না।’ অধ্যাপক ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ মনে করেন, চলমান আন্দোলনে কোনো রাজনৈতিক দুরভিসন্ধিতা নেই। তিনি বলেন, ‘এখন নন-এমপিও শিক্ষকরা তো শিক্ষার্থীই পড়াচ্ছেন। তাহলে তাঁদের দায়িত্ব কেন সরকার নেবে না? এ ছাড়া নন-এমপিও প্রতিষ্ঠান স্বীকৃতি দিতে এমপিও না দেওয়ার যে শর্ত দেওয়া হয়েছে, তা ঠিক নয়। তাহলে শিক্ষকরা কি বিনা বেতনে পড়াবেন? প্রয়োজন মনে না করলে সরকার স্বীকৃতি দেয় কেন?’  

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (মাধ্যমিক) চৌধুরী মুফাদ আহমেদ বলেন, ‘২০১০ সালের পর থেকে এত দিন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির কোনো চিন্তাই অর্থ মন্ত্রণালয়ের ছিল না। কিন্তু অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে শিক্ষামন্ত্রীর সর্বশেষ আলোচনায় তিনি রাজি হয়েছেন। তবে ব্যাপারটা এমন না যে সিদ্ধান্ত আছে আর দিয়ে দেওয়া হলো। সরকারেরও তো প্ল্যান আছে, তাদের সামর্থ্য থাকতে হবে। সরকার নতুন নতুন প্রতিষ্ঠান জাতীয় করে যাচ্ছে। ভবিষ্যতে হয়তো আরো করবে। তাই আমি বলব, শিক্ষকদের যৌক্তিক দাবিগুলো তারা যেন বাস্তবতা বুঝে আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করে।’

এদিকে দেশের সব প্রতিষ্ঠান জাতীয়করণের দাবিতে সক্রিয় থাকা বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি (বাশিস) ১০ জানুয়ারি কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে অবস্থান ধর্মঘট ও অনশন কর্মসূচি পালনের ঘোষণা দিয়েছে। এ ছাড়া  জাতীয় পর্যায়ের ৯টি শিক্ষক-কর্মচারী সংগঠনের সমন্বয়ে শিক্ষক-কর্মচারী সংগ্রাম কমিটি নামে যৌথ মোর্চা গঠন করা হয়েছে শিক্ষাব্যবস্থা জাতীয়করণের লক্ষ্যে। গত ৩০ ডিসেম্বর জাতীয় প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে তারা ৯ থেকে ২৮ জানুয়ারি পর্যন্ত আন্দোলন কর্মসূচি দেয়। কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে ৯ জানুয়ারি সব উপজেলা সদরে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল, ১৪ জানুয়ারি জেলা সদরে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল এবং এর পরও দাবি আদায় না হলে ২২ জানুয়ারি থেকে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অবিরাম ধর্মঘট পালন। মোর্চাটির আরো কিছু দাবি রয়েছে। এর মধ্যে আছে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বার্ষিক ৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধি, পূর্ণাঙ্গ উৎসব ভাতা, বাংলা নববর্ষ ভাতা, বাড়িভাড়া ও চিকিৎসা ভাতা প্রদান, পূর্ণাঙ্গ পেনশন চালু, নন-এমপিও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর এমপিওভুক্তি ও জাতীয় শিক্ষানীতি ২০১০ বাস্তবায়ন।

সংগঠনের প্রধান সমন্বয়কারী ও বাংলাদেশ কলেজ শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যক্ষ আসাদুল হক বলেন, ‘একই পড়ালেখা করিয়ে সরকারি স্কুলের শিক্ষকরা এক রকম সুবিধা আর বেসরকারি বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা আরেক রকম সুবিধা পান। তাই আমাদের প্রধান দাবি সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জাতীয়করণ। ঘোষিত কর্মসূচিতে কাজ না হলে ২৮ জানুয়ারি আরো কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।’

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সমস্যাটি অন্য রকম। প্রধান শিক্ষকদের পদ দ্বিতীয় শ্রেণিতে উন্নীত করা এবং পিএসসি থেকে প্রধান শিক্ষক পদে নিয়োগের সুপারিশ করার পরও প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকরা এখনো ১১তম গ্রেডে বেতন পান। তাঁরাও দীর্ঘদিন ধরে দশম গ্রেডে বেতনের দাবি করছেন। তাঁদের ভাষ্য, পিএসসি থেকে দ্বিতীয় শ্রেণির পদে বিভিন্ন দপ্তরে সুপারিশপ্রাপ্ত অন্য প্রার্থীরা দশম গ্রেডে বেতন পাচ্ছেন। বাংলাদেশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক সমিতির মুখপাত্র এস এম ছায়িদ উল্লা বলেন, ‘আমরা এরই মধ্যে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করেছি। আমাদের দাবি নিয়ে মন্ত্রণালয়ে কাজ চলছে বলে জেনেছি। দাবি পূরণ না হলে আগামী দিনে আমরাও আন্দোলনে যাব।’

এদিকে সরকারি বিদ্যালয়গুলোর সাড়ে তিন লাখ সহকারী শিক্ষকের দাবি হচ্ছে, প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকদের এক ধাপ নিচে বেতনলাভ। দাবি আদায়ের আশ্বাস দিয়ে শিক্ষকদের অনশন ভাঙান প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী। বাংলাদেশ প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক সমিতির সভাপতি মোহাম্মদ শামছুদ্দীন মাসুদ বলেন, ‘আমাদের কর্মসূচি স্থগিতের পর ফলাফল প্রকাশ ও বই উৎসব থাকায় এখনো এ বিষয়ে তেমন আলোচনা হয়নি। তবে সহকারী শিক্ষকদের সাতটি সংগঠন থেকে সাতজন প্রতিনিধির নাম চেয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। আমরা কর্মসূচি প্রত্যাহার করিনি। দাবি আদায় না হলে আন্দোলন নতুন করে শুরু হবে।’

বাংলাদেশ বিসিএস সাধারণ শিক্ষা সমিতিও আছে স্বার্থসংশ্লিষ্ট আন্দোলনে। জাতীয়কৃত কলেজ শিক্ষকদের নন-ক্যাডার ঘোষণার দাবিতে সমিতি ২৬ ও ২৭ নভেম্বর কর্মবিরতি পালন করে। আগামী ৬, ৭ ও ৮ জানুয়ারি সারা দেশের সরকারি কলেজ ও শিক্ষা সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোতে কর্মবিরতির মতো কঠিন কর্মসূচি রয়েছে তাদের। অন্যদিকে জাতীয়কৃত কলেজ শিক্ষকরাও ক্যাডার পদ দাবি করেছেন। কিন্তু এসব কলেজের ‘শিক্ষক গেজেট’ এখনো প্রকাশিত না হওয়ায় তাঁরা বড় কোনো কর্মসূচিতে আসতে পারছেন না বলে জানা গেছে। বিসিএস সাধারণ শিক্ষা সমিতির মহাসচিব শাহেদুল খবির চৌধুরী বলেন, ‘আমাদের ঘোষিত কর্মসূচি বহাল আছে। তবে মন্ত্রণালয় আমাদের বলেছে, তারা বিষয়টি নিয়ে কাজ করছে। তাই কর্মবিরতি স্থগিত করা হবে কি না সে বিষয়ে এখনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। তবে আমরা  বিসিএস ছাড়া কাউকে ক্যাডার পদে দেখতে চাই না।’

 

 



মন্তব্য

Akram commented 16 days ago
মানুষ গড়ার কারিগরদের আজ এই অবস্থা।