kalerkantho


তরুণদের প্রধানমন্ত্রী

কখনোই ভুললে চলবে না, আমরা বিজয়ী জাতি

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

১৭ ডিসেম্বর, ২০১৭ ০০:০০



কখনোই ভুললে চলবে না, আমরা বিজয়ী জাতি

ফাইল ছবি

মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও লাখো শহীদের ত্যাগের মহিমায় নিজেদের গড়ে তুলতে তরুণ প্রজন্মের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, ‘এক মুহূর্তের জন্যও এটা ভোলা যাবে না, আমরা বিজয়ী জাতি, বীরের জাতি। আমরা মাথা নত করে চলি না। এটাই আমাদের প্রতিজ্ঞা।’

গতকাল শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আয়োজিত বিজয় উৎসবে যোগ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে আওয়ামী লীগের তিন দিনের কর্মসূচির অংশ হিসেবে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা বলেন, ‘মুক্তিযোদ্ধারাই দেশের শ্রেষ্ঠ সন্তান। বঙ্গবন্ধুর ডাকে সাড়া দিয়ে তাঁরা যুদ্ধ করেছিলেন, তাই তাঁদেরকে লাখো সালাম জানাই। এই সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ১৯৭১ সালের ১৬ই ডিসেম্বর হানাদার বাহিনী আত্মসমর্পণ করেছে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ৭ই মার্চের ভাষণও দিয়েছেন এখানেই। এই সোহরাওয়ার্দী উদ্যান ঐতিহাসিক স্থান।’

তিনি বলেন, ‘এ দেশে পঁচাত্তর পরবর্তী সময়ে ইতিহাস বিকৃতির চেষ্টা করা হয়েছিল। আমি বাংলাদেশের মানুষের কাছে কৃতজ্ঞ, তাঁরা আমাকে ও আওয়ামী লীগকে আবারও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বাংলাদেশকে পরিচালনার সুযোগ করে দিয়েছেন। বাংলাদেশ এখন বিশ্বে রোলমডেল। এই ঐতিহ্য ধরে রাখতে হবে।’

 

২০২১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সুবর্ণ জয়ন্তী উদ্যাপন করা হবে বলে উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘দেশের প্রতিটি মানুষ যেন যুগ যুগ ধরে এই আনন্দ উৎসব করে যেতে পারে, সেটাই চাই। আর যেন কোনো অন্যায়-অবিচার দেশে না হয়। ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশ হবে উন্নত দেশ।’

তরুণদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘তোমাদের মধ্য থেকে প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী হবে। আগামী দিনে তোমাদের দেশ পরিচালনা করতে হবে। নিজেদের সেভাবে উপযুক্ত নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। তোমরা লেখাপড়া শিখে মানুষের মতো মানুষ হবে।’ বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমরা বয়োবৃদ্ধ হয়ে গেছি, যোগ্য নতুন প্রজন্মের হাতে দেশ গড়ার দায়িত্ব দিয়ে যেতে চাই।’

অনুষ্ঠানে উপস্থিত মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গেও ভিডিও কনফারেন্সে কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। এ সময় একজন মুক্তিযোদ্ধার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সুস্থ সংস্কৃতিচর্চার সুযোগ করে দেওয়ার আশ্বাস দেন তিনি।


মন্তব্য