kalerkantho


বিজয়ের উৎসবে উচ্ছল বাংলাদেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৭ ডিসেম্বর, ২০১৭ ০০:০০



বিজয়ের উৎসবে উচ্ছল বাংলাদেশ

মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় খেলার মাঠে হাজারো কণ্ঠে দেশের গানের অনুষ্ঠানের আয়োজন করে ছায়ানট। ছবি : কালের কণ্ঠ

পথে পথে ছিল উচ্ছল মানুষের ঢল। হাতে ছিল লাল-সবুজের পতাকা। গায়ে ছিল লাল-সবুজের পোশাক। কণ্ঠে ছিল ‘জয় বাংলা’ ধ্বনি। রাজধানীর অদূরে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধ থেকে দেশের বিভিন্ন স্থানের শহীদ বেদি সূর্যোদয়ের পরপরই ভরে ওঠে ফুলে ফুলে। দিনভর নানা আয়োজনে শ্রদ্ধা-ভালোবাসার অর্ঘ্যে জাতি স্মরণ করেছে স্বাধীনতার স্থপতি বঙ্গবন্ধু  শেখ মুজিবুর রহমান, জাতীয় চার নেতাসহ একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধে প্রাণ উৎসর্গকারী জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের।

মহান বিজয়ের ৪৬ বছর পূর্তি ছিল গতকাল শনিবার। স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীর দ্বারপ্রান্তে বিশ্বসভায় উজ্জ্বল বাংলাদেশে এবারের বিজয় উৎসব বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ই মার্চের ভাষণের বিশ্ব প্রামাণ্য ঐতিহ্যের স্বীকৃতির গৌরব সঙ্গে নিয়ে উদ্যাপিত হয়েছে। উন্নয়নের মহাসড়কে এগিয়ে চলা দেশটিতে দিনজুড়ে কর্মসূচিতে অসাম্প্রদায়িক ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় আরো ঐক্যবদ্ধ হয়ে পথ চলার অঙ্গীকার ছিল জোরালো। স্বাধীনতাবিরোধী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীকে নিষিদ্ধের দাবি উঠেছে আরো জোরে। একই সঙ্গে মানবতাবিরোধী সব অপরাধীর বিচার নিশ্চিত করতে সরকারের কাছে দাবি জানিয়েছেন মুক্তিযোদ্ধারা।

দিবসটির কর্মসূচি শুরু হয় জাতীয় স্মৃতিসৌধ থেকে, সূর্যোদয়ের পরপরই রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার শ্রদ্ধা নিবেদনের মধ্য দিয়ে। তাঁরা শ্রদ্ধা জানিয়ে চলে যাওয়ার পর স্মৃতিসৌধ উন্মুক্ত করে দেওয়া হয় সবার জন্য। নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সব বয়সী, বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ বেদিতে ফুল দিয়ে ৩০ লাখ শহীদকে শ্রদ্ধা জানিয়েছে। মুক্তিযোদ্ধা থেকে শুরু করে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সংগঠন ও ব্যক্তির শ্রদ্ধার্ঘ্যে ভরে ওঠে জাতীয় স্মৃতিসৌধ।

সকালে রাজধানীর শেরেবাংলানগরে জাতীয় প্যারেড স্কয়ারে ৩১ বার তোপধ্বনির মধ্য দিয়ে দিবসের শুরু হয়। জাতীয় প্যারেড স্কয়ারে কুচকাওয়াজে প্রধান অতিথি ছিলেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। তিনি কুচকাওয়াজ পরিদর্শন ও সালাম নেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও উপস্থিত ছিলেন। দিবসটি উপলক্ষে সরকারি-বেসরকারি ভবনগুলোয় দিনভর উড়েছে জাতীয় পতাকা। গতকাল ছিল সরকারি ছুটি। সংবাদপত্রগুলো প্রকাশ করে বিশেষ ক্রোড়পত্র। বেতার ও টেলিভিশন সম্প্রচার করেছে বিশেষ অনুষ্ঠান।

ঢাকা থেকে সড়ক পথে গতকাল সকাল ৬টা ২৮ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী ও ৬টা ৩০ মিনিটে রাষ্ট্রপতি জাতীয় স্মৃতিসৌধে প্রবেশ করেন। সকাল ৬টা ৩৪ মিনিটে প্রথমে রাষ্ট্রপতি, কিছু সময় পরই প্রধানমন্ত্রী শহীদ বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। শহীদদের স্মরণে এ সময় বিউগলে বেজে ওঠে করুণ সুর। তাঁদের পরই ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান জাতীয় সংসদের স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী। এরপর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন প্রধান বিচারপতির দায়িত্ব পালনরত বিচারপতি মো. আব্দুল ওয়াহ্হাব মিঞার নেতৃত্বে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিরা। রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা নিবেদনের সময় মন্ত্রিপরিষদের সদস্যরা, কূটনৈতিক ব্যক্তিরা, তিন বাহিনীর প্রধানরা, মুক্তিযোদ্ধা, পদস্থ সামরিক-বেসামরিক কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আওয়ামী লীগের সভাপতি হিসেবে নেতাকর্মীদের নিয়ে স্মৃতিসৌধ ও বঙ্গবন্ধু কর্তৃক স্থাপিত জাতীয় স্মৃতিসৌধের ভিত্তিপ্রস্তর ফলকটিতে শ্রদ্ধা জানান শেখ হাসিনা। পরে পরিদর্শন বইয়ে তিনি স্বাক্ষর করেন। এরপর শহীদদের উদ্দেশে সাত বীরশ্রেষ্ঠের পরিবার, যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধারা শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। ৬টা ৪৭ মিনিটের দিকে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী স্মৃতিসৌধ এলাকা ত্যাগ করেন।

আমাদের সাভার প্রতিনিধি জানান, সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়ার পর হাতে লাল-সবুজের পতাকা, রং-বেরঙের ফুল নিয়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতাকর্মী, সমর্থক ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সদস্যরা স্মৃতিসৌধ প্রাঙ্গণে ভিড় করেন।

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া সকাল ১১টা ১২ মিনিটে স্মৃতিসৌধের শহীদ বেদিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান। এ সময় তাঁর সঙ্গে ছিলেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান, ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ভাইস চেয়ারম্যান ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, ভাইস চেয়ারম্যান এনাম আহম্মেদ চৌধুরী, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমানউল্লাহ আমান, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভী, যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবীর প্রমুখ। বিকেল পর্যন্ত স্মৃতিসৌধে ছিল সর্বস্তরের মানুষের ভিড়।

এক হাতে ফুল, অন্য হাতে জাতীয় পতাকা; গায়ে জাতীয় পতাকার লাল-সবুজের বাহারি পোশাক পরে পরিবারের সদস্যদের কাঁধে চেপেও অনেক শিশু বাংলাদেশের গৌরব দেখতে, বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে এসেছিল স্মৃতিসৌধে। সঙ্গে এসেছিল পরিবারের বড় সন্তানরাও। সাথী নামের এক নারী কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘১৯৭১ সালে আমার জন্ম হয়নি। তবে লোকের মুখে যে ভয়াবহ দৃশ্যের বর্ণনা শুনেছি, তা ভোলার নয়। প্রথমবারের মতো এসেছি এখানে। আমি রাজাকারমুক্ত বাংলাদেশ চাই। দেশে এখনো হানাহানি বন্ধ হয়নি। এখনো জীবনের নিরাপত্তা নেই। আমরা একটি সুন্দর দেশ চাই।’

সাভার স্মৃতিসৌধে এবার অন্যান্যবারের চেয়ে অনেক বেশি মানুষ এসেছিল। ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে যানজটের কারণে ১০ মিনিটের দূরত্ব পার হতে সময় লগেছে আড়াই ঘণ্টা। স্মৃতিসৌধ এলাকা থেকে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের নয়ারহাট হয়ে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ও নবীনগর-চন্দ্রা মহাসড়কের নবীনগর ত্রিমোড় থেকে বাইপাইল পর্যন্ত দীর্ঘ যানজট দেখা গেছে। অনেকে প্রায় তিন কিলোমিটার হেঁটে স্মৃতিসৌধে প্রবেশ করেছে।

নানা আয়োজন : রাজধানীতে গতকাল আওয়ামী লীগের আয়োজনে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা হয়। লাখো মানুষের অংশগ্রহণে ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটের ফটকের সামনে থেকে এ শোভাযাত্রা শুরু হয়ে ধানমণ্ডি ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘরের সামনে গিয়ে শেষ হয়।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে হাজারো কণ্ঠে দেশের গান গাওয়ার অনুষ্ঠানের আয়োজন করে ছায়ানট। কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারসহ রাজধানীর সাত মঞ্চে ছিল সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের বিজয় উৎসবের অনুষ্ঠান। মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের শ্রদ্ধা জানাতে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার থেকে বিজয় স্কেটিং র‍্যালি করে সার্চ স্কেটিং ক্লাব। সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর আত্মসমর্পণের মুহূর্ত উপস্থাপন করে সেক্টর কমান্ডারস ফোরাম। ‘বিজয়ের পতাকা হাতে চলি অবিরাম’ স্লোগানে কনসার্টের আয়োজন করে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়।

নগরীর বিভিন্ন সাংস্কৃতিক মঞ্চে ছিল একাত্তরে প্রেরণাসঞ্চারী সংগীত, দেশাত্মবোধক গান, নাচসহ নানা আয়োজন। সন্ধ্যায় বঙ্গভবনে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন রাষ্ট্রপতি।

বাংলা একাডেমিতে ‘মুক্তিযুদ্ধের ঐতিহাসিক পটভূমি, বিজয় ও বিজয়ের মহানায়ক’ শীর্ষক প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক হারুন-অর-রশিদ। পরে সাংস্কৃতিক পর্বে একক সংগীত পরিবেশন করেন তিমির নন্দী, আবদুল হালিম খান, স্বর্ণময়ী মণ্ডল ও জুলি শারমিলী।  ‘আমার ভাবনায় ৭ই মার্চ’ শীর্ষক শিশুদের আঁকা চিত্র প্রদর্শনী, আলোচনা, পুরস্কার বিতরণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে শিশু একাডেমি। কেন্দ্রীয় কচি-কাঁচার মেলার নিজস্ব মিলনায়তনে শিশু-কিশোরদের মুক্তিযুদ্ধের বীরত্বগাথা শোনান স্থপতি মোবাশ্বের হোসেন। চ্যানেল আই ভবন চত্বরে অনুষ্ঠিত হয় বিজয় মেলা। পরিবেশিত হয় একাত্তরের প্রেরণাদায়ী গণসংগীত, দেশাত্মবোধক নৃত্য ও আবৃত্তি।

বিজয়ের প্রথম প্রহরে রাত ১১টা ৫০ মিনিটে টিএসসিভিত্তিক সংগঠন ‘স্লোগান ৭১’-এর আয়োজনে বিজয় শপথ পাঠ অনুষ্ঠিত হয়। গতকাল সকালে টিএসসি মিলনায়তনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির আয়োজন ছিল ‘বিজয়ের পথে, সংবাদপত্রের সাথে’ শীর্ষক আলোকচিত্র প্রদর্শনী। বাঁধন আয়োজন করে বিনা মূল্যে রক্তের গ্রুপ নির্ণয়। সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয় চলচ্চিত্র সংসদ হুমায়ূন আহমেদের ‘আগুনের পরশমণি’ প্রদর্শন করে। সকালে টিএসসিতে বিশ্ববিদ্যালয় সাইক্লিং ক্লাবের আয়োজনে ‘বিজয় দিবস সাইকেল র‍্যালি’ বের করা হয়। আরটিভির আয়োজনে সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের মল চত্বরে শুদ্ধভাবে জাতীয় সংগীত পরিবেশন ও মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক বিজয়ের গান অনুষ্ঠিত হয়।

বিজয় দিবসের ছুটির দিনে রাজধানীর বিনোদনকেন্দ্রগুলোতেও ছিল উপচে পড়া ভিড়। হাতিরঝিলের এমফি থিয়েটার মঞ্চে রাতে মনোমুগ্ধকর ওয়াটার প্রজেকশনের আয়োজন করা হয়।

রাজধানীর পাশাপাশি সারা দেশেও উৎসবমুখর আয়োজনে দিবসটি উদ্যাপিত হয়েছে।

স্মৃতিসৌধে বিভিন্ন সংগঠনের শ্রদ্ধা : গতকাল জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানায় পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ক্যাপিটাল মার্কেট, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের বেগম খালেদা জিয়া হল, চামড়া গবেষণা ইনস্টিটিউট, পক্ষাঘাতগ্রস্তদের পুনর্বাসন কেন্দ্র (সিআরপি), মিরপুরের মনিপুর উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দল, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, জাতীয় পার্টি-জেপি, বাংলাদেশ প্রাক্তন সৈনিক সংস্থা, ঢাকা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১, পরমাণু শক্তি গবেষণা প্রতিষ্ঠান, বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন, গণ-বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন কর্মচারী কল্যাণ সমিতি, বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ড কেন্দ্রীয় কমিটি, বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট, অফিসার্স ট্রেনিং ইনস্টিটিউট, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর, ডেমোক্রেটিক অ্যালায়েন্স, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় হলসমূহ, বাংলাদেশ মাশরুম ফাউন্ডেশন, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব বায়োটেকনোলজি, গণফ্রন্ট, ইউনিভার্সিটি অব ইনফরমেশন টেকনোলজি অ্যান্ড সায়েন্স, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি, ইনস্টিটিউট অব লেদার ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতি, সাভার পৌরসভা, জাসদ-ইনু, ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তর, বাংলাদেশ জাতীয় গার্মেন্টস শ্রমিক কর্মচারী লীগ, বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউট, বাঁধন (স্বেচ্ছায় রক্তদাতাদের সংগঠন), জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কর্মকর্তা সমিতি, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতি, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কর্মচারী সমিতি, গণস্বাস্থ্য সমাজভিত্তিক মেডিক্যাল কলেজ ছাত্রলীগ, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কর্মচারী, ইসলামী আরবি বিশ্ববিদ্যালয়, ডেসকো শ্রমিক-কর্মচারী লীগ, এম এ সালাম ইন্টারন্যাশনাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ, হামদর্দ ল্যাবরেটরিজ (ওয়াকফ) বাংলাদেশ, বিশ্ব মুজিবসেনা ঐক্যলীগ, ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব), জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় প্রেস ক্লাব, বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সাভার উপজেলা কমান্ড, জাতীয় শ্রমিক লীগ কেন্দ্রীয় কমিটি, বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড, বাংলাদেশ হাউস বিল্ডিং ফাইন্যান্স করপোরেশন কর্মকর্তা-কর্মচারী, বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয়, প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক, কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ, বঙ্গবন্ধু কৃষিবিদ পরিষদ, বিসিএস (কৃষি) অ্যাসোসিয়েশন, বঙ্গবন্ধু ফিশারিজ পরিষদ, স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদ (স্বাচিপ), সাভার প্রেস ক্লাব, বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন, ডিপ্লোমা কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ, বাংলাদেশ এনজিও ফাউন্ডেশন, হোসাইনী জনকল্যাণ সংস্থা, অগ্রণী ব্যাংক লিমিটেড, বঙ্গবন্ধু ডিপ্লোমা কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ, মুক্তিযোদ্ধা সমন্বয় কমিটি, বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদ, অতীশ দীপঙ্কর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ, বাংলাদেশ বার কাউন্সিল, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপচার্য, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ অস্ট্রেলিয়ার সিডনি শাখা, ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ, বঙ্গবন্ধু প্রকৌশল পরিষদ, ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশ (ঢাকা-১), বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপচার্য, জাতীয় বিদ্যুৎ শ্রমিক লীগ, বাংলাদেশ মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন, মুক্তিযোদ্ধা চিকিৎসক প্রজন্ম, কর্মসংস্থান ব্যাংক, এডাব, বাংলাদেশ খ্রিস্টান অ্যাসোসিয়েশন, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি, বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (ক্র্যাব), আশুলিয়া প্রেস ক্লাব, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি-জাগপা, সাভার উপজেলা এনজিও সমন্বয় পরিষদ, দ্য খ্রিস্টান কো-অপারেটিভ ক্রেডিট ইউনিয়ন, জাতীয় পার্টি-কাজী জাফর, জাতীয় মহিলা সংস্থা, বাংলাদেশ বুদ্ধিস্ট ফেডারেশন, হিউম্যান হেল্প, টেক্সটাইল ফেডারেশন, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক লি., বাংলাদেশ ছাত্রলীগ জাসদ (কেন্দ্রীয় সংসদ), ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশ, স্বাধীনতা ব্যাংকারস পরিষদ, কর্মজীবী নারী, ড্যাফোডিল ইউনিভার্সিটি, সড়ক ও জনপথ প্রকৌশলী সমিতি, সাভার উপজেলা আঞ্চলিক কমিটি ও আশুলিয়া থানা শ্রমিক দল, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি, গার্মেন্টস শ্রমিক ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্র, জনতা ব্যাংক, বাসদ, তরিকত ফেডারেশন, ছাত্র ঐক্য ফোরাম, ন্যাপ, গণফোরাম, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলসহ বিভিন্ন সংগঠন।


মন্তব্য