kalerkantho


জেরুজালেমকে ইসরায়েলের রাজধানীর স্বীকৃতি ট্রাম্পের

বিশ্বজুড়ে নিন্দার ঝড় উত্তাল ফিলিস্তিন

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

৮ ডিসেম্বর, ২০১৭ ০০:০০



বিশ্বজুড়ে নিন্দার ঝড় উত্তাল ফিলিস্তিন

-ছবি ইন্টারনেট থেকে

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জেরুজালেমকে ইসরায়েলের রাজধানী হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ায় এর প্রতিবাদে উত্তাল হয়ে উঠেছে ফিলিস্তিন ভূখণ্ড। বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে মুসলিম দেশগুলোতে।

অন্যদিকে ট্রাম্পের ঘোষণা প্রত্যাখ্যান করেছে আরব ও মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য মুসলিম রাষ্ট্র, ইউরোপ ও জাতিসংঘ। নিন্দা অব্যাহত রেখেছে বিশ্বের অন্য দেশগুলোও। গাজার নিয়ন্ত্রণকারী সংগঠন হামাস গতকাল বৃহস্পতিবার নতুন ইন্তিফাদার (গণ-অভ্যুত্থান) ডাক দিয়েছে। গতকাল পশ্চিম তীরের রামাল্লা, হেবরন ও নাবলুস শহর এবং গাজায় ফিলিস্তিনিদের সঙ্গে ইসরায়েলি সেনাদের সংঘর্ষ হয়েছে। ইসরায়েল কর্তৃপক্ষ পশ্চিম তীরে আগেই কয়েক শ অতিরিক্ত সেনা মোতায়েন করে। ইরাকে মার্কিন সেনাদের হামলার হুমকি দিয়েছে একটি মিলিশিয়া গোষ্ঠী। অন্যদিকে ট্রাম্পের বিতর্কিত ওই সিদ্ধান্তের বিষয়ে আলোচনার জন্য জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ আজ শুক্রবার জরুরি বৈঠক ডেকেছে।

ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস এক ভাষণে বলেছেন, ট্রাম্পের এই সিদ্ধান্তের পর যুক্তরাষ্ট্র আর কোনোভাবেই ফিলিস্তিন-ইসরায়েল শান্তি আলোচনায় মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করতে পারবে না। দুঃখজনক ও অগ্রহণযোগ্য এই সিদ্ধান্ত শান্তি আলোচনার সব ধরনের উদ্যোগ ভেস্তে দিয়েছে।

জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস ট্রাম্পের ঘোষণার সমালোচনা করে বলেছেন, ‘জেরুজালেম সমস্যার সমাধান কেবল ইসরায়েল-ফিলিস্তিন আলোচনার মাধ্যমেই করতে হবে। জাতিসংঘের মহাসচিব হিসেবে আমি এখন থেকেই এ সিদ্ধান্তের বিপক্ষে আমার অবস্থানের কথা জানিয়ে যাব। ’

ট্রাম্পের জেরুজালেম ঘোষণায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) প্রধান কূটনীতিক ফেদেরিকা মোগেরিনি বলেছেন, ট্রাম্পের এই সিদ্ধান্ত ওই অঞ্চলকে ‘আরো পেছনে অন্ধকার সময়ে’ ঠেলে দেবে। ইইউ ট্রাম্পের ঘোষণার আগেই বলেছিল, জেরুজালেম প্রশ্নে জাতিসংঘের একটি প্রস্তাব রয়েছে। এ বিষয়ে অবশ্যই ইসরায়েল ও ফিলিস্তিনের মধ্যে আলোচনা হতে হবে। আলোচনার আগেই এ ব্যাপারে নতুন অবস্থান নেওয়া ইউরোপীয় ইউনিয়নের জন্য ভালো কিছু নয়। গতকাল ব্রাসেলসে এক সংবাদ সম্মেলনে মোগেরিনি বলেন, ‘জেরুজালেম প্রশ্নে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের ঘোষণার সম্ভাব্য প্রভাব অত্যন্ত উদ্বেগজনক। এটা অত্যন্ত নাজুক এবং এ ঘোষণা আমাদের পেছনের দিকে, এমনকি আরো অন্ধকার সময়ে নিয়ে যাবে, যে সময় আমরা পার হয়ে এসেছি। ’

রাশিয়া গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেছে, ট্রাম্পের সিদ্ধান্ত ওই অঞ্চলের নিরাপত্তা হুমকির মুখে ফেলবে। রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বলে, ‘রাশিয়া ওয়াশিংটনের ঘোষণাকে অত্যন্ত  উদ্বেগজনক হিসেবে বিবেচনা করছে। ’ এতে আরো বলা হয়, ইতিমধ্যেই জটিলতায় পড়া ইসরায়েল-ফিলিস্তিন সম্পর্ককে এই ঘোষণা আরো শোচনীয় করে তুলবে। বিবৃতিতে এমন পরিস্থিতিতে সব পক্ষকে সংযম প্রদর্শনের আহ্বান জানানো হয়।

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী তেরেসা মে বলেছেন, তাঁর সরকার মার্কিন প্রেসিডেন্টের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করে না। এই সিদ্ধান্ত শান্তি উদ্যোগের ক্ষেত্রে কোনো ভূমিকা রাখবে না এবং জেরুজালেমে ইসরায়েল ও ভবিষ্যৎ ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের অংশীদারি থাকা উচিত।

ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়ে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাখোঁও বলেছেন, তাঁর দেশ যুক্তরাষ্ট্রের এ সিদ্ধান্তকে সমর্থন করে না।

জার্মানির চ্যান্সেলর অ্যাঙ্গেলা মার্কেল তাঁর মুখপাত্রের মাধ্যমে জানিয়েছেন, ফিলিস্তিন-ইসরায়েল বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের নীতি ভঙ্গ করে ট্রাম্প যে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, তা তিনি সমর্থন করেন না। তিনি মনে করেন, ‘জেরুজালেমের মর্যাদা শুধু দ্বিরাষ্ট্রিক সমাধানের ভিত্তিতেই নির্ধারিত হতে পারে। ’

ট্রাম্পের সিদ্ধান্তের বিরূপ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র আরব দেশগুলোও। এক বিবৃতিতে সৌদি আরব বলেছে, ট্রাম্পের ঘোষণা ‘অযৌক্তিক ও দায়িত্বজ্ঞানহীন’। এতে আরো বলা হয়,  ‘যুক্তরাষ্ট্রের এমন পদক্ষেপ শান্তিপ্রক্রিয়ার প্রচেষ্টাকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করবে এবং এটি জেরুজালেম প্রশ্নে ঐতিহাসিকভাবে আমেরিকার নিরপেক্ষ অবস্থানের ব্যত্যয়। ’

ইরান ট্রাম্পের সমালোচনা করে বলেছে, এ সিদ্ধান্ত ইসরায়েলের বিরুদ্ধে ফিলিস্তিনিদের নতুন ইন্তিফাদা সূচনা করতে পারে। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে এক বিবৃতিতে বলা হয়, ‘যুক্তরাষ্ট্রের অপরিণামদর্শী সিদ্ধান্ত মুসলমানদের নতুন ইন্তিফাদা, উগ্রবাদ, ক্ষুব্ধ ও সহিংস কর্মকাণ্ডের দিকে উসকে দেবে। ’

মিসর ট্রাম্পের ঘোষণা প্রত্যাখ্যান করে বলেছে, এতেও জেরুজালেমের আইনি মর্যাদা নিয়ে বিতর্কের অবসান ঘটবে না।

সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদের কার্যালয় থেকে ট্রাম্পের সিদ্ধান্তের নিন্দা জানিয়ে বলা হয়, ‘জেরুজালেমের ভবিষ্যৎ কোনো রাষ্ট্র বা প্রেসিডেন্টের দ্বারা নির্ধারিত হতে পারে না। ’

লেবাননের প্রধানমন্ত্রী সাদ হারিরি বলেছেন, আরব বিশ্ব কখনোই ট্রাম্পের এমন সিদ্ধান্ত মেনে নেবে না।

আর জর্দান সরকার বলেছে, জেরুজালেম ঘোষণার মাধ্যমে ট্রাম্প জাতিসংঘ সনদ ও আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করেছেন।

মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী নাজিব রাজাক ট্রাম্পের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে বিশ্বের মুসলিমদের মিছিলের ডাক দিয়ে বলেছেন, ‘আমরা যুক্তরাষ্ট্রের এই পদক্ষেপের তীব্র বিরোধী, এটি পরিষ্কার করে দিন। ’

ট্রাম্পের পদক্ষেপকে ‘দায়িত্বজ্ঞানহীন’ বলেছে তুরস্ক। তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়িপ এরদোয়ান গতকাল আঙ্কারায় সমর্থকদের উদ্দেশে বলেন, ‘এ ধরনের পদক্ষেপ বিশ্বকে বিশেষ করে এই অঞ্চলকে আগুনের মধ্যে ঠেলে দেওয়ার শামিল। ’ ট্রাম্পকে উদ্দেশ করে তিনি বলেন, ‘হে ট্রাম্প, আপনি কী করতে চান? এটা কী ধরনের আচরণ। রাজনৈতিক নেতা শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে চান, তাঁরা কোনো বিষয়কে অচল করেন না। ’ তিনি এই ‘ভুল’ সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার জন্য যুক্তরাষ্ট্র প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

ট্রাম্পের সিদ্ধান্তের প্রতিক্রিয়ায় তুরস্কের ইস্তাম্বুলে যুক্তরাষ্ট্রের কনস্যুলেটের বাইরে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ করে কয়েক শ প্রতিবাদকারী। কনস্যুলেট ভবনের দিকে কয়েন ও অন্যান্য বস্তু ছুড়ে মারে তারা।   

ইরান। ট্রাম্পের পদক্ষেপকে ইসরায়েল-ফিলিস্তিন সংঘাত নিরসনে জাতিসংঘের দেওয়া প্রস্তাবের লঙ্ঘন অভিহিত করে এর ‘তীব্র নিন্দা’ করেছে। ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি বলেছেন,  মধ্যপ্রাচ্যকে অস্থিতিশীল করে সরায়েলের নিরাপত্তা রক্ষার জন্য যুদ্ধ শুরু করার চেষ্টা করছে যুক্তরাষ্ট্র।

 

কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, দেশটির আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল-থানি যুক্তরাষ্ট্রকে সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন, ট্রাম্পের সিদ্ধান্তের মারাত্মক পরিণতি হতে পারে। এতে ওই অঞ্চলের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি পরিস্থিতি আরো জটিল হয়ে উঠতে পারে।

নতুন ইন্তিফাদার ডাক : গতকাল পশ্চিম তীরের রামাল্লা, হেবরন ও নাবলুস শহর এবং গাজায় ফিলিস্তিনিদের সঙ্গে ইসরায়েলি সেনাদের সংঘর্ষ হয়েছে। ইসরায়েল কর্তৃপক্ষ পশ্চিম তীরে আগেই কয়েক শ অতিরিক্ত সেনা মোতায়েন করে। গাজা শাসনকারী সংগঠন হামাসের পলিটিক্যাল ব্যুরোর প্রধান ইসমাইল হানিয়া গতকাল বৃহস্পতিবার নতুন গণ-অভ্যুত্থানের ডাক দিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘শুক্রবার দিনব্যাপী বিক্ষোভ আন্দোলনে যোগ দিয়ে’ একটি নতুন গণ-অভ্যুত্থান শুরু করার জন্য আমরা ফিলিস্তিনের জনগণের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি। ’ হানিয়া আরো বলেন, ‘আগামীকাল, আমাদের লোকেরা দখলদারির বিরুদ্ধে ইন্তিফাদা (গণ-অভ্যুত্থান) শুরু করবে। বিজয়ী হওয়ার ব্যাপারে আমরা আত্মবিশ্বাসী। ’ হানিয়া আরো বলেন, ‘হামাসের সব ইউনিটকে যেকোনো ধরনের হুমকি মোকাবেলায় প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ’ তিনি মধ্যপ্রাচ্য শান্তি প্রক্রিয়া ভেঙে দেওয়ার ঘোষণা দেন।

দাতব্য সংস্থা রেড ক্রিসেন্ট জানায়, গতকাল রামাল্লায় প্রবেশের চেক পয়েন্টে কয়েক শ ফিলিস্তিনি নাগরিক বিক্ষোভ প্রদর্শন করলে ইসরায়েলি সেনারা টিয়ার গ্যাস, রাবার বুলেট ও গুলি ছোড়ে তাদের ওপর। অন্যদিকে, হাসপাতাল সূত্র জানায়, গাজা উপত্যকায় খান ইউনিস এলাকায় সেনাদের হামলায় তিন ফিলিস্তিন আহত হয়েছে।

নিরাপত্তা পরিষদের জরুরি বৈঠক আজ : ট্রাম্পের বিতর্কিত ওই সিদ্ধান্তের বিষয়ে আলোচনার জন্য জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ আজ শুক্রবার জরুরি বৈঠক ডেকেছে। পর্যায়ক্রমে নিরাপত্তা পরিষদের প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব পালন করা দেশ জাপান জানায়, বলিভিয়া, ব্রিটেন, মিসর, ফ্রান্স, ইতালি, সেনেগাল, সুইডেন ও উরুগুয়ে এই আটটি দেশের অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে আহ্বান করা এ বৈঠক আজ স্থানীয় সময় সকাল ১০টায় (বাংলাদেশ সময় রাত ৯টা) শুরু হবে। এ বৈঠকের আলোচ্যসূচিতে আরো অনেক বিষয় রয়েছে। বৈঠকের শুরুতে জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসকে বক্তব্য দেওয়ারও অনুরোধ জানানো হয়েছে। ট্রাম্পের ঘোষণার পর গুতেরেস বলেছিলেন, ইসরায়েল ও ফিলিস্তিনের মধ্যে সরাসরি আলোচনার মাধ্যমেই কেবল জেরুজালেমের বিষয়ে চূড়ান্ত নিষ্পত্তি হতে পারে। এ ক্ষেত্রে তিনি একতরফা কোনো পদক্ষেপের কঠোর সমালোচনা করেন।

ইরাকে মার্কিন সেনাদের ওপর হামলার হুমকি : ইরাকে ইরান সমর্থিত একটি মিলিশিয়া বাহিনী দেশটিতে অবস্থিত মার্কিন সেনাদের ওপর হামলা চালানোর হুমকি দিয়েছে। শিয়া সম্প্রদায়ের হরকত হেজবুল্লাহ আল-নুজাবা নামের ওই গোষ্ঠীটির প্রধান আকরাম আল-কাবি স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘আল-কুদস (জেরুজালেম) বিষয়ে ট্রাম্পের নেওয়া সিদ্ধান্তের পর এখন ইরাকে মার্কিন বাহিনীর সেনাদের ওপর হামলা চালানো বৈধ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ’ ২০১৩ সালে গঠিত আল-নুজাবা বাহিনী ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ডের সমর্থনপুষ্ট। এর ১৫০০ যোদ্ধা রয়েছে। হাশেদ আল-শাবি গোষ্ঠীরই অংশ এটি। ইরানি সেনাদের সঙ্গে থাকার পাশাপাশি এরা ইসলামিক স্টেটের (আইএস) বিরুদ্ধে লড়াই চালায়। আইএসবিরোধী লড়াইয়ে ইরাকে বর্তমানে পেন্টাগনের হিসাবে ৫২৬২ জন মার্কিন সেনা অবস্থান করছে। মার্কিন সেনাবাহিনীর অন্য এক হিসাবে দেখা যায়, এ সংখ্যা ৯ হাজার।

ট্রাম্পের প্রশংসায় নেতানিয়াহু : ট্রাম্পের ঘোষণার পর ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু তাঁর প্রশংসায় পঞ্চমুখ হয়ে বলেছেন, ‘আমাদের রাজধানীর (জেরুজালেম) ইতিহাসের সঙ্গে নিজের নামটি চিরদিনের জন্য যুক্ত করলেন ট্রাম্প। তাঁর নাম এখন থেকে এই শহরের উজ্জ্বল ইতিহাসে অন্যদের নামের পাশে গর্বের সঙ্গে জ্বলজ্বল করবে। ’ সূত্র : এএফপি, বিবিসি, সিএনএন।


মন্তব্য