kalerkantho


ঢাকা-চট্টগ্রাম

পুলিশের বেপরোয়া আচরণ

ওমর ফারুক মিয়াজী, দাউদকান্দি (কুমিল্লা)   

১০ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ০০:০০



ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের দাউদকান্দির ইলিয়টগঞ্জ থেকে গজারিয়া উপজেলার বিভিন্ন অংশে পুলিশের বেপরোয়া চাঁদাবজিতে অতিষ্ঠ চালকরা। চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করলেই তাদের ভাগ্যে জোটে হাজার টাকার মামলা। তাই মহাসড়কের এ অনিয়ম নীরবে সহ্য করে চলছেন ভুক্তভোগী চালকরা।

কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলার ইলিয়টগঞ্জ থেকে দাউদকান্দির টোলপ্লাজা পর্যন্ত গাড়ির কাগজপত্র দেখার নামে প্রকাশ্যে চাঁদাবাজি চলছিল। তবে টোলপ্লাজায় যানজটের কারণে সম্প্রতি তা কিছুটা বন্ধ হয়েছে। তবে জেলা পুলিশের টিআই নুরুল আলম ও সার্জেন্ট নোমান বলদাখাল এলাকায় যোগদানের পর গাড়ির কাগজপত্র চেক করার নামে বেপরোয়া চাঁদাবাজি করছেন। আবার কুমিল্লার বিভিন্ন উপজেলার ভাড়ায় চালিত মাইক্রোবাস সমিতি থেকে বিশেষ টোকেনের মাধ্যমে টাকা নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।

দাউদকান্দি বলদাখাল এলাকায় সার্জেন্ট নোমান দায়িত্ব পালনকালে কিছু দালালের সহায়তায় ট্রাক ও মাইক্রোবাসের কাগজপত্র চেক করেন। কাগজপত্রে সামান্য গরমিল থাকলেই তাঁরা মোটা অঙ্কের টাকা দাবি করেন। যারা টাকা দিতে না চায় তাদের নামে মামলা দেন সার্জেন্ট নোমান।

এ ব্যাপারে ভুক্তভোগী ট্রাকের চালক হান্নান বলেন, কাগজপত্র ঠিক থাকলেও টাকা ছাড়া কথা নেই। বেশি বাড়াবাড়ি করলে তিন-চার হাজার টাকার মামলার স্লিপ ধরিয়ে দেন। ঝামেলা পোহানোর চেয়ে ৫০০ টাকা দিয়ে চলে যাই।

গাড়ির চালকরা জানায়, দাউদকান্দি টোলপ্লাজা পার হওয়ার পর গজারিয়া উপজেলার পাখির মোড় থেকে মেঘনা সেতুর বিভিন্ন পয়েন্টে চলে চাঁদাবাজি। গজারিয়া হাইওয়ে পুলিশের উপপরিদর্শক মনির হোসেন এ এলাকার চাঁদাবাজির নেতৃত্বে রয়েছেন বলে জানা গেছে।

এ ব্যাপারের গজারিয়া হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ আলমগীর হোসেন বলেন, কোনো ধরনের চাঁদাবাজি যেন না হয় সে ব্যাপারে সর্বদা দৃষ্টি রাখছি। এ জন্য জনসচেতনতারও প্রয়োজন রয়েছে।



মন্তব্য