kalerkantho

'মমতা আমার জীবনকে কালিমালিপ্ত করেছে'

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৫ এপ্রিল, ২০১৯ ১১:৩১ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



'মমতা আমার জীবনকে কালিমালিপ্ত করেছে'

বুদ্ধবাবুকে চিঠি লিখেছিলেন দইয়ের ভাঁড় মোড়ার কাগজে। ফিরিয়ে দিয়েছেন বিজেপির প্রার্থী হওয়ার প্রস্তাব। তবে তৃণমূলকে জবাব দেবেনই। বৈশাখী বলেন, বিজেপি-র শীর্ষ নেতৃত্ব যোগাযোগ করেছিলেন৷ আমার সিভি ওদের পছন্দ হয়েছিল। প্রথম নির্দিষ্টভাবে কোনও কেন্দ্রের কথা বলা হয়নি, নির্বাচনের দিন ঘোষণার পর ডায়মন্ডহারবার-সহ একাধিক কেন্দ্রের কথা বলা হয়। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো, ওঁরা বারবার করে বলছিলেন, শোভন চট্টোপাধ্যায়ের বন্ধু হিসাবে ওঁরা আমাকে চাইছে না। আমার শিক্ষাগত যোগ্যতা, আমার সংগ্রামের ইতিহাস দেখেই আমাকে প্রার্থী করতে চান।

তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে টলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী বৈশাখীর। এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, 'মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তাঁর দল আমার সঙ্গে যা,করেছে, তা অসম্ভব যন্ত্রণার। যেভাবে আমার ব্যক্তিগত জীবনে ঢুকে কাদা ছোড়া হয়েছে, আমাকে কালিমালিপ্ত করা হয়েছে, অকল্পনীয়! এর উত্তর আমি দেব।'

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে কী বলবেন? এর উত্তরে তিনি বলেন, বৈশাখী- জানেন, আমি প্রথম ভোট দিতে যাই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ভোট দেব বলে। একজন মহিলা, ওঁর মতো একজন মহিলাকে ভোট দেব বলে। মমতা যেদিন শপথ নিতে যাচ্ছেন, আমার চোখ দিয়ে ঝরঝর করে জল পড়ছিল৷ ওঁর লড়াইটার সঙ্গে আমি আমার লড়াইটাকে মেলাতে পারছিলাম। সেই মানুষ কীভাবে আমার জীবনটাকে কালিমালিপ্ত করলেন।

শোভনের প্রসঙ্গে বলেন, লোকে যখন বলে, শোভনদা আমাকে অনেক কিছু দিয়েছেন, আমার হাসি পায়। ওরা জানেন না শোভনদা আমায় কী দিয়েছেন। উনি, এই সাংঘাতিক শভিনিস্ট সমাজে, সম্ভবত একমাত্র পুরুষ, যিনি একজন মহিলার সম্মানের জন্য নিজের এত বড় পজিশন, এত ক্ষমতা- সব হেলায় ছেড়ে দিয়েছেন। যদি কেউ বলে উনি আমায় এত শাড়ি বা এত গয়না দিয়েছেন, তাহলে আমি বলব, এসব আমার এত আছে যে তোমাদের উপঢৌকন দিতে পারি৷ ব্যক্তি শোভনদাকে আবিষ্কার করতে না পারলে কেউ জানতেই পারবে না তিনি বন্ধু হিসাবে কতটা অসামান্য।

তিনি বলেন, মা তো শোভনকে খুব স্নেহ করে। তার জন্য মাকে বহু কটু কথা শুনতে হয়েছে। তবে এই যে এতবড় জড় বয়ে গেল, মা একবারও জানতে চাননি কী হয়েছে। শুধু বলেছেন, তোমার সুপিরিয়র কেউ সমালোচনা করলে মাথা নীচু করে শুনবে, কিন্তু ইনফেরিয়র কেউ সমালোচনা করলে উপেক্ষা করবে।

মন্তব্য