• ই-পেপার

বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে লেখা পুলিশ কর্মকর্তার গান, গাইলেন লুমিন

প্রথমবার মা হচ্ছেন সামান্থা

বিনোদন ডেস্ক
প্রথমবার মা হচ্ছেন সামান্থা
সংগৃহীত ছবি

প্রথমবারের মতো মা হতে চলেছেন দক্ষিণী সিনেমার জনপ্রিয় অভিনেত্রী সামান্থা রুথ প্রভু। যদিও এ বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে মুখ খোলেননি সামান্থা কিংবা তাঁর স্বামী নির্মাতা রাজ নিদিমরু।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে ঘনিষ্ঠ সূত্রের বরাত দিয়ে জানানো হয়েছে, গত বছরের ১ ডিসেম্বর বিয়ের পর এবার সন্তান আগমনের অপেক্ষায় রয়েছেন এই তারকা দম্পতি।

সম্প্রতি সামান্থার অভিনীত নতুন ছবি ‘মা ইনতি বানগারাম’-এর সাফল্য উদ্‌যাপনের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিওতে অভিনেত্রীর শারীরিক গঠনে পরিবর্তন দেখে অনেকেই তাঁর অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার জল্পনা শুরু করেন। এরপর থেকেই ভক্তদের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দনের বার্তায় ভরে যায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম।

সামান্থা ও রাজ নিদিমরুর পরিচয় হয়েছিল জনপ্রিয় ওয়েব সিরিজ ‘দ্য ফ্যামিলি ম্যান’-এর শুটিংয়ের সময়। কাজের সূত্রে গড়ে ওঠা সেই পরিচয় ধীরে ধীরে ঘনিষ্ঠ সম্পর্কে রূপ নেয়। পরে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে তাঁদের একসঙ্গে দেখা যাওয়ায় প্রেমের গুঞ্জন আরও জোরালো হয়। শেষ পর্যন্ত গত বছরের ডিসেম্বরে বিয়ের মাধ্যমে সম্পর্কের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করেন তারা।

বিয়ের পর সামান্থার একটি পুরোনো সাক্ষাৎকারও নতুন করে আলোচনায় আসে। সেখানে রাজের পাঠানো একটি ভিডিও বার্তা দেখে অভিনেত্রীকে লজ্জা পেতে দেখা যায়। বার্তায় রাজ সামান্থার পেশাদারিত্ব এবং তামিল ও তেলুগু—দুই ইন্ডাস্ট্রিতেই সমান দক্ষতার সঙ্গে কাজ করার প্রশংসা করেছিলেন।

এরই মধ্যে ‘মা ইনতি বানগারাম’ ছবিতে আবারও একসঙ্গে কাজ করেছেন রাজ ও সামান্থা। ছবিটি পরিচালনা করেছেন নন্দিনী রেড্ডি। এর আগে ২০১৯ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘ওহ! বেবি’ ছবিতেও সামান্থা ও নন্দিনী রেড্ডির সফল জুটি দর্শকদের প্রশংসা কুড়িয়েছিল। নতুন ছবিটির প্রযোজনার দায়িত্বে রয়েছেন রাজ নিদিমরু।

উল্লেখ্য, রাজকে বিয়ের আগে দক্ষিণী অভিনেতা নাগা চৈতন্যর সঙ্গে বৈবাহিক সম্পর্কে ছিলেন সামান্থা। চার বছরের দাম্পত্য জীবনের পর তাঁদের বিচ্ছেদ হয়। পরে নাগা চৈতন্য অভিনেত্রী সবিতা ধুলিপালাকে বিয়ে করেন।

‘মা মাথা নত করলে আজ আমার অস্তিত্ব থাকত না’

অনলাইন ডেস্ক
‘মা মাথা নত করলে আজ আমার অস্তিত্ব থাকত না’
সংগৃহীত ছবি

কন্যাসন্তান হওয়ায় জন্মের পরপরই নিজের পরিবার থেকে চরম অবহেলা ও নিষ্ঠুরতার শিকার হতে হয়েছিল বলিউড অভিনেত্রী ও সাবেক মিস ইন্ডিয়া পূজা চোপড়াকে। এমনকি তাকে মেরে ফেলার সিদ্ধান্তও নিয়েছিল তার বাবার পরিবার। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে নিজের জীবনের সেই অন্ধকার ও কষ্টদায়ক অধ্যায়ের কথা তুলে ধরেছেন এই অভিনেত্রী। মায়ের অদম্য সাহসের কারণে কিভাবে তিনি আজ এই অবস্থানে এসেছেন, সেই গল্পও ভাগ করে নিয়েছেন তিনি।

সাক্ষাৎকারে পূজার পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন তার মা নীরা চোপড়াও। তিনি জানান, তাদের প্রথম সন্তানও ছিল মেয়ে। দ্বিতীয়বার গর্ভবতী হওয়ার পর স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির পক্ষ থেকে ছেলে সন্তানের জন্য তার ওপর প্রবল চাপ দেওয়া হয়। কিন্তু যখন জানা যায় আবারও মেয়ে হতে চলেছে, তখন পরিস্থিতি আরো ভয়ংকর হয়ে ওঠে। নীরাকে গর্ভপাত করানোর জন্যও চাপ দেওয়া হয়েছিল। তবে সব বাধা উপেক্ষা করে তিনি সন্তানকে পৃথিবীর আলো দেখানোর সাহসী সিদ্ধান্ত নেন।

পূজা জানান, তার জন্মের পর বাবার পরিবার কোনোভাবেই তাকে মেনে নিতে পারেনি। কন্যাসন্তান হওয়ার অপরাধে তার বাবা স্ত্রী নীরা এবং দুই মেয়েকে একা ফেলে চলে যান। এরপর চরম অর্থনৈতিক অনটন, সামাজিক কটূক্তি আর একাকীত্বের সঙ্গে লড়াই করে দুই মেয়েকে মানুষের মতো মানুষ করেন তার মা।

মায়ের এই দীর্ঘ লড়াইয়ের কথা বলতে গিয়ে সাক্ষাৎকারে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন পূজা চোপড়া। মায়ের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমার জীবনের সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরণা আমার মা। যদি মা সেই সময় সমাজ ও পরিবারের চাপের কাছে মাথা নত করতেন, তাহলে হয়তো আজ আমার কোনো অস্তিত্বই থাকত না। মায়ের সংগ্রাম আর সাহসের কারণেই আমি আজ এই জায়গায় পৌঁছাতে পেরেছি।’

সূত্র : এই সময়

চীনই আমাকে গড়ে তুলেছে : জ্যাকি চ্যান

অনলাইন ডেস্ক
চীনই আমাকে গড়ে তুলেছে : জ্যাকি চ্যান
সংগৃহীত ছবি

বিশ্বখ্যাত অ্যাকশন তারকা ও মার্শাল আর্টস কিংবদন্তি জ্যাকি চ্যান তার চলচ্চিত্র জীবনের শুরুর দিকের তিনটি বড় ইচ্ছার কথা প্রকাশ করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, তার সেই ইচ্ছাগুলো সব সময় চীনা সিনেমা, চীনা চলচ্চিত্র নির্মাতা ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে কেন্দ্র করে ছিল। সম্প্রতি নিজের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে পুরনো কিছু ছবি শেয়ার করে তিনি এই স্মৃতিকাতর বার্তা দেন।

৭১ বছর বয়সী এই অভিনেতা চীনের বিভিন্ন ঐতিহাসিক স্থানে কাটানো পুরনো কিছু ছবি শেয়ার করেছেন। এর মধ্যে ২০০৪ সালে বেইজিংয়ের মহাপ্রাচীর, ২০১০ সালের সাংহাই ওয়ার্ল্ড এক্সপো এবং ২০১৯ সালে শানশিতে তোলা ছবি রয়েছে। এই ছবিগুলো নিয়ে জ্যাকি চ্যান বলেন, এই পুরনো ছবিগুলো দেখে আমি এখনো সেই দিনগুলোর ক্লান্তি, উত্তেজনা আর চীনের শুটিং সেটে ফেলে আসা তারুণ্যের শক্তি অনুভব করতে পারি। এত বছর ধরে আমি পৃথিবীর যেখানেই গেছি, সারা বিশ্বের মানুষ আমাকে ভালোবেসে ‘জ্যাকি’ বলে ডেকেছে।

বিশ্বজুড়ে কোটি কোটি ভক্তের কাছে চীনা সংস্কৃতিকে পরিচিত করিয়েছেন জ্যাকি চ্যান। তবে এই আন্তর্জাতিক খ্যাতির পেছনে নিজের জন্মভূমির অবদানের কথা তিনি কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করেন। তিনি বলেন, ‘চলচ্চিত্র আমাকে নাম দিয়েছে, সীমানা পেরিয়ে গল্প বলার সুযোগ করে দিয়েছে। কিন্তু আমি যত দূরেই যাই না কেন, সব সময় মনে রাখি আমার শুরুটা কোথায় হয়েছিল। চীনই আমাকে গড়ে তুলেছে।’ তিনি আরো জানান, তারকা হওয়ার অনেক আগে থেকেই দয়া, অধ্যবসায় ও আন্তরিকতার মতো মূল্যবোধগুলো তার মনে গভীরভাবে গেঁথে গিয়েছিল।

জ্যাকি চ্যান জানান, ক্যারিয়ারের শুরুতে তার তিনটি ইচ্ছা থাকলেও এখন জীবনের এই পর্যায়ে এসে তার আরেকটি নতুন ইচ্ছা যুক্ত হয়েছে। তার সেই চতুর্থ ইচ্ছাটি হলো—সারা বিশ্বের মানুষ যেন তার ভালোবাসার দেশ চীনে ভ্রমণ করেন এবং সেখানকার সংস্কৃতি ও গল্পগুলো নিজের চোখে উপভোগ করেন।

সূত্র : গালফ নিউজ

এবার রোবট চরিত্রে জেনা ওর্তেগা

অনলাইন ডেস্ক
এবার রোবট চরিত্রে জেনা ওর্তেগা
সংগৃহীত ছবি

‘থর: র‍্যাগনারক’ বা ‘জোজো র‍্যাবিট’-এর মতো ব্লকবাস্টার ও কমেডি ঘরানার সিনেমার জন্য বিশ্বজুড়ে পরিচিত পরিচালক তাইকা ওয়াইটিটি। তবে এবার নিজের চেনা ছক ভেঙে সম্পূর্ণ ভিন্ন ধারার একটি সিনেমা নিয়ে আসছেন তিনি। কাজুও ইশিগুরোর ২০২১ সালের বিখ্যাত উপন্যাস অবলম্বনে তিনি নির্মাণ করেছেন ‘ক্লারা অ্যান্ড দ্য সান’। সম্প্রতি বিনোদন সাময়িকী ‘ভ্যানিটি ফেয়ার’ এই সিনেমার প্রথম ঝলক (ফার্স্ট লুক) প্রকাশ করেছে।

সিনেমার মূল চরিত্র ‘ক্লারা’। এটি মূলত একটি সৌরশক্তিচালিত রোবট বা ‘কৃত্রিম বন্ধু’। এই ক্লারা চরিত্রে অভিনয় করেছেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী জেনা ওর্তেগা। গল্পে দেখা যাবে, এক মা তার অসুস্থ মেয়ের একাকীত্ব দূর করতে ও সঙ্গী হিসেবে এই রোবটটিকে কিনে নেন। মানুষের আচরণ, ভালোবাসা, একাকীত্ব ও বিশ্বাসকে একটি কৃত্রিম সত্তা বা রোবট কিভাবে দেখছে—তা নিয়েই এগিয়েছে সিনেমার গল্প।

তাইকা ওয়াইটিটি জানান, শুরুতে তিনি ভেবেছিলেন এটি তার ক্যারিয়ারের সবচেয়ে সহজ সিনেমা হবে এবং তিনি এটিকে তার চেনা ‘কমেডি’ স্টাইলে বানাতে চেয়েছিলেন। তিনি বলেন, ‘শুরুতে লেখার সময় ভেবেছিলাম এটাকে একটা সাধারণ ‘তাইকা ফিল্ম’ বানাই আর ফালতু রোবট রসিকতায় ভরিয়ে দিই। কিন্তু লিখতে গিয়ে বুঝলাম, এতে চমৎকার বইটির মূল আবেদন নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। তাই নিজের চেনা ধারা থেকে বের হয়ে এটিকে একটি সিরিয়াস ড্রামা হিসেবে তৈরি করেছি। এটিই সম্ভবত আমার ক্যারিয়ারের সবচেয়ে নাটকীয় ছবি।’

এই সিনেমার ভবিষ্যৎ জগৎটি অন্য আর দশটা ঝলমলে সায়েন্স ফিকশন সিনেমার মতো নয়। এখানে এমন এক রঙিন ও কিছুটা পুরনো ধাঁচের ভবিষ্যৎ দেখানো হয়েছে, যেখানে দৈনন্দিন জীবন থেকে ইন্টারনেট হাওয়া হয়ে গেছে এবং সমাজ সামনের দিকে না এগিয়ে পেছনের দিকে যাচ্ছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই কিভাবে মানুষের সম্পর্কের সাথে জড়িয়ে যাচ্ছে, তাই এখানে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী ২৩শে অক্টোবর প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাবে ‘ক্লারা অ্যান্ড দ্য সান’। ধারণা করা হচ্ছে, প্রেক্ষাগৃহে আসার আগে বিখ্যাত টরন্টো আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে সিনেমাটির প্রিমিয়ার হতে পারে।