kalerkantho


'যৌথ প্রযোজনার বিকল্প ও ভালো পথ আছে'

অনিতা চৌধুরী, কলকাতা প্রতিনিধি   

১৩ জুলাই, ২০১৮ ১০:৫৫



'যৌথ প্রযোজনার বিকল্প ও ভালো পথ আছে'

যৌথপ্রযোজনাতে আমি বিশ্বাসী নই। দুই বাংলার আর্টভ্যালু অবাধে আদানপ্রদান হবে, এই স্বপ্ন নিয়েই বেশ হ্যাপি আছেন  টলিউডের এই প্রজন্মের খ্যাতনামা পরিচালক মৈনাক ভৌমিক।

সম্প্রতি পরিচালক মৈনাক তার নতুন সিনেমা 'হ্যাপি পিল' –এর মিউজিক লঞ্চে কালের কণ্ঠকে জানান, যৌথ প্রযোজনায় মিলেমিশে কাজ করাটা ভাল, কিন্তু তার থেকেও ভাল একটা পথ আছে।

তবে শুধু যৌথপ্রযোজনায় কেন? মৈনাক বলেন, দুই বাংলার শিল্পীরা কোনও আইনি বিধিনিষেধ ছাড়া কাজ করতে পারলে বাংলার শিল্পমান আরও ভাল হবে। আমি সেটাই বিশ্বাস করি
 
তিনি বলেন, আমি ছোট থেকে হুমায়ুন আহমেদের বই পড়ে বড় হয়েছি ।আমার শৈশবের বন্ধু  অর্ণব, সেও  বাংলাদেশের। শান্তিনিকেতনের ছেলে, বাংলাদেশ ফিরে গেল পড়া শেষ করে। ও সম্ভব গুণী একজন শিল্পী সে।  ওর সাথে আমি কাজ করেছি। কাজ করার সময় তো আমার মনে হয়নি যে আমরা সংস্কৃতির আদান- প্রদান করছি? ভাললাগা থেকেই কাজ টা হয়েছে.  কোন নীতিমালা তো আমাদের বারবার দেখতে হয়নি।

তিনি বলেন, আমাদের সাহিত্য এক। আমাদের ভাবনা এক। আমরা সিনেমা বানালে মনের আনন্দে বানালে ভাল। তাই নয় কি? মৈনাকের প্রশ্ন। প্রশ্নটি কিন্তু উড়িয়ে দেয়া যায় না। প্রিয়াঙ্কা চোপড়া কে যদি হলিউডে কাজ করতে হলে কোন নীতিমালা মেনে কাজ করতে হয় না, তেমনি মৈনাক চান দুই দেশের সিনেমা যারা বানান, তারা কোনও নীতিমালার বন্ধনে আবদ্ধ না হয়ে যেন সিনেমা বানাতে পারেন।

মৈনাক বাংলাদেশের সিনেমা এবং এই শিল্পের সাথে জড়িত মানুষদের চেনেন, এবং তাদের শিল্প কে সম্মান করেন। বললেন, জয়া আহসান খুব ভাল কাজ করছেন। ফারুকীর সিনেমা খুব ভাল লাগে।

মাছ , মিষ্টি এন্ড মোর , আমি আর আমার গার্ল ফ্রেন্ডস , বেডরুম,  বিবাহ ডাইরিজ, - এই রকম ভিন্ন স্বাদের অনেক সিনেমা বানিয়েছেন এই ৩৭ বছরের প্রতিভাবান নির্দেশক।

হ্যাপি পিল কী এই প্রশ্নের জবাবে মৈনাক বলেন, জ্বর আসলে ক্যালপল খাই, ব্যথা হলে পেইন কিলার খাই। কিন্তু মাঝে মাঝে আমরা অখুশি  থাকি। তাই ভেবেছি , যদি হ্যাপি থাকার একটা পিল থাকতো? হ্যাপি পিল খেলেই মানুষ সুখী হবে। এমনি এক মহাঔষধ আবিষ্কারকে ঘিরেই সিনেমাটির প্লট সাজিয়েছি।

 এতে এখানে অভিনয় করেছেন ঋত্বিক চক্রবর্তী, সোহিনী সরকার, পার্নো মিত্র,মির আফসার আলিসহ প্রমুখ।



মন্তব্য