kalerkantho


শুক্রবার মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরে প্রামাণ্যচিত্র 'ক্ষমাহীন নিশংসতা'

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২১ মার্চ, ২০১৮ ১৭:১৪



শুক্রবার মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরে প্রামাণ্যচিত্র 'ক্ষমাহীন নিশংসতা'

বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর আয়োজিত ২২তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী ও স্বাধীনতা উৎসব উপলক্ষে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত ৭ দিন ব্যাপী সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের ২য় দিন, আগামী ২৩শে মার্চ শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টা ৩০মিনিটে বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো প্রদর্শিত হবে বাঙালি জনগোষ্ঠীর ওপর পাকিস্তানি শাসক গোষ্ঠির বৈষম্য মূলক আচরণ, নিপিড়ন, শোষণ, বাঙালি জাতির প্রিয় নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান নিয়ে মিথ্যাচার এবং ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানিদের কর্তৃক সংগঠিত বাঙালি নারী নির্যাতন, ধর্ষণ, গণহত্যা ও লুটপাটের ঘটনা নিয়ে কানাডা প্রবাসী বিশিষ্ট প্রামাণ্যচিত্র নির্মাতা, মিডিয়া শিক্ষক ও টেলিভিশন ব্যাক্তিত্ব ফুয়াদ চৌধুরী নির্মিত অনুসন্ধানী প্রামাণ্যচিত্র--MERCILESS MAYHEM/ ক্ষমাহীন নিশংসতা: The Bangladeshi genocide through Pakistani eyes. ২০১৮ সালে নির্মিত ৬১ মিনিট ব্যাপ্তিকালের এই প্রামাণ্যচিত্রটি প্রযোজনা করেছেন আমান উল্লাহ চৌধুরী।

এই প্রামাণ্যচিত্রে অংশগ্রহণে প্রত্যক্ষদর্শী ও বিশিষ্ট জনের মধ্যে রয়েছেন পাকিস্তানের ৪জন ব্যাক্তিত্ব। যাঁরা বিভিন্ন সময় বিশ্বের বিভিন্ন মিডিয়ায় বাঙালি জনগোষ্ঠীর উপর নির্মম অত্যাচারের কথা প্রতিবাদী কণ্ঠে তুলে ধরেছেন। তারা হলেন- রওশন জামির (১৯৭১ সালে যশোহর জেলার পাকিস্তানি প্রশাসক, পরবর্তী সময়ে পাকিস্তান সরকারের ফেডারেল সেক্রেটারী হিসাবে অবসর নেন), সাংবাদিক তারেক খান (১৯৭১ সালে পেশাগত দায়িত্ব পালন করে চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দর থেকে শেষ কার্গো দিয়ে পাকিস্তানে ফেরত যান), মোয়াজ্জেম খান (১৯৭১ সালে স্কুল পড়ুয়া কিশোর মোয়াজ্জেম খান, বাবা ছিলেন পাকিস্তান সামরিক বাহিনীর উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা, সে কারণেই জেনারেল নিয়াজীর প্রতিবেশী ছিলেন ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট), এবং লেখক ও কলামিস্ট তারেক ফাতাহ।

এই চার প্রত্যক্ষদর্শীসহ বিশিষ্ঠজনের বক্তব্য, বিশ্লেষণ, ক্ষোভ, তিরষ্কার আর নিপিড়িত, নির্যাতিত, অসহায় বাঙালি নিধন যজ্ঞের ভয়াবহতার চিত্র নিয়ে ফুয়াদ চৌধুরী নির্মাণ করেছেন এক অনুসন্ধানী প্রামাণ্যচিত্র -MERCILESS MAYHEM/ ক্ষমাহীন নিশংসতা: The Bangladeshi genocide through Pakistani eyes.  

 


মন্তব্য