• ই-পেপার

‘ছেলেরাও কাজ পেতে বিছানায় যায়’

হঠাৎ তানিয়া বৃষ্টির মৃত্যুর গুজব

বিনোদন প্রতিবেদক
হঠাৎ তানিয়া বৃষ্টির মৃত্যুর গুজব
সংগৃহীত ছবি

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অভিনেত্রী তানিয়া বৃষ্টিকে নিয়ে হঠাৎই ছড়িয়ে পড়ে অসুস্থতা ও মৃত্যুর গুজব। বিষয়টি মুহূর্তেই ভক্ত ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি করে। 

তবে এসব গুঞ্জনের অবসান ঘটিয়ে নিজের বর্তমান শারীরিক অবস্থার কথা জানিয়েছেন এই অভিনেত্রী। তিনি বলেছেন, তিনি জীবিত, সুস্থ আছেন এবং চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী বাসায় থেকেই বিশ্রাম নিচ্ছেন।

তানিয়া বৃষ্টি গণমাধ্যমকে বলেন, ‘আমি আল্লাহর রহমতে ভালো আছি। এখন বাসাতেই রয়েছি। পুরোপুরি বিশ্রামে আছি।’

তিনি জানান, চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে নিয়মিত চিকিৎসা চলছে এবং নির্ধারিত সময় অনুযায়ী স্বাস্থ্য পরীক্ষা করাচ্ছেন। 

এ বিষয়ে তানিয়া বলেন, ‘আমার অ্যাপয়েন্টমেন্ট ডাক্তার আছেন, সেখানে নিয়মিত চেকআপ করাতে হয়। চিকিৎসকদের পরামর্শ মেনেই চলছি।’

অভিনেত্রীর কথায়, আগামী ২০ জুন তাঁর কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ শারীরিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা রয়েছে। বর্তমানে সেগুলোর প্রস্তুতি নিচ্ছেন তিনি। পাশাপাশি আগের দুটি অস্ত্রোপচারের পর আরও একটি অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন হবে বলেও জানান।

তানিয়া বলেন, ‘দুটি সার্জারি হয়েছে। তৃতীয় সার্জারিটা করাতে আরও কিছুটা সময় লাগবে। মাথায় যেন নতুন করে কোনো জটিলতা তৈরি না হয়, সে জন্য বাসাতেই বেশি থাকি। খুব একটা বের হই না।’

এর আগে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি সময়ে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন তানিয়া বৃষ্টি। চিকিৎসকদের পরীক্ষায় তাঁর মস্তিষ্কে টিউমার ধরা পড়ে। পরে ফেব্রুয়ারিতেই অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে টিউমার অপসারণ করা হয়। এরপর দীর্ঘ সময় তিনি বাসায় থেকে চিকিৎসা নেন।

পরবর্তীতে গত ৯ মার্চ উন্নত চিকিৎসার জন্য ভারতের চেন্নাইয়ে যান এই অভিনেত্রী। চিকিৎসা শেষে এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহে দেশে ফিরে আসেন এবং এরপর থেকে চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী বিশ্রামে রয়েছেন।

৯৯ টাকায় আইস্ক্রিনে দেখা যাবে ফুটবল বিশ্বকাপ

বিনোদন প্রতিবেদক
৯৯ টাকায় আইস্ক্রিনে দেখা যাবে ফুটবল বিশ্বকাপ
সংগৃহীত ছবি

বিশ্ব ফুটবলের সবচেয়ে বড় আসর শুরু হতে আর মাত্র এক দিন বাকি। ২৩তম ফুটবল বিশ্বকাপকে ঘিরে ইতোমধ্যেই বিশ্বজুড়ে তৈরি হয়েছে ব্যাপক উন্মাদনা। বাংলাদেশেও গ্রাম থেকে শহর—সবখানেই প্রিয় দল ও তারকা খেলোয়াড়দের সমর্থনে শুরু হয়েছে উৎসবের আমেজ। ফুটবলপ্রেমীদের অপেক্ষা এখন কেবল মাঠের লড়াই দেখার।

এবার সেই আনন্দ উপভোগ করা যাবে আরও সহজে। টেলিভিশনের পাশাপাশি স্মার্টফোন, ল্যাপটপ কিংবা স্মার্ট টিভির পর্দাতেও সরাসরি দেখা যাবে বিশ্বকাপের প্রতিটি ম্যাচ। ইমপ্রেস টেলিফিল্ম লিমিটেডের ওটিটি প্ল্যাটফর্ম আইস্ক্রিন (iScreen) আসন্ন ফুটবল বিশ্বকাপের সব ম্যাচ লাইভ সম্প্রচারের ঘোষণা দিয়েছে।

আইস্ক্রিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, দেশের যেকোনো প্রান্ত থেকে দর্শকরা নিরবচ্ছিন্নভাবে টুর্নামেন্টের সব ম্যাচ উপভোগ করতে পারবেন। যে কোনো নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে স্মার্টফোন, কম্পিউটার বা স্মার্ট টিভিতে ১০৮০পি এইচডি মানের সম্প্রচারে খেলা দেখা যাবে।

বিশ্বকাপ উপলক্ষে দর্শকদের জন্য বিশেষ ‘ফিফা ওয়ার্ল্ডকাপ প্যাকেজ’ চালু করেছে প্ল্যাটফর্মটি। মাত্র ৯৯ টাকায় পুরো টুর্নামেন্টের সব ম্যাচ উপভোগ করা যাবে এই প্যাকেজের মাধ্যমে।

এছাড়া আইস্ক্রিনের নিয়মিত সাবস্ক্রিপশন সুবিধাও রয়েছে। এর মধ্যে ডেইলি প্যাকেজ ৩ টাকা, উইকলি ২০ টাকা, মান্থলি ৭৯ টাকা, হাফ-ইয়ারলি ১৯৯ টাকা এবং ইয়ারলি প্যাকেজের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৩৪৯ টাকা।

আনুষ্ঠানিক সূচি অনুযায়ী, আগামী ১১ জুন পর্দা উঠবে ফুটবল বিশ্বকাপের। বিশ্বের সেরা দলগুলোর লড়াই ঘিরে যখন উত্তেজনা তুঙ্গে, তখন দর্শকদের জন্য হাতের মুঠোয় পুরো টুর্নামেন্ট পৌঁছে দিতে প্রস্তুত আইস্ক্রিন।

সৈয়দ আব্দুল হাদীকে শিল্পকলা একাডেমির বিশেষ সম্মাননা

বিনোদন প্রতিবেদক
সৈয়দ আব্দুল হাদীকে শিল্পকলা একাডেমির বিশেষ সম্মাননা
সংগৃহীত ছবি

বাংলা গানের অন্যতম কিংবদন্তি কণ্ঠশিল্পী সৈয়দ আব্দুল হাদীকে বিশেষ সম্মাননায় ভূষিত করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি। সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের পৃষ্ঠপোষকতায় এবং শিল্পকলা একাডেমির ব্যবস্থাপনায় আয়োজিত হবে এই সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠান।

আগামী ১২ জুন সন্ধ্যা ৬টায় রাজধানীর বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মূল মিলনায়তনে ‘কালজয়ী কণ্ঠ : শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় সৈয়দ আব্দুল হাদী’ শীর্ষক বিশেষ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বরেণ্য এই শিল্পীর হাতে সম্মাননা তুলে দেওয়া হবে।

শিল্পকলা একাডেমির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, অর্ধশতাব্দীরও বেশি সময় ধরে নিজস্ব কণ্ঠসৌন্দর্য, শিল্পনিষ্ঠা এবং অনবদ্য পরিবেশনার মাধ্যমে বাংলা সংগীতকে সমৃদ্ধ করার অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবেই দেশের সংগীতাঙ্গনের এই জীবন্ত কিংবদন্তিকে বিশেষ সম্মাননা দেওয়া হচ্ছে।

সম্মাননা প্রসঙ্গে নিজের অনুভূতি জানিয়ে সৈয়দ আব্দুল হাদী গণমাধ্যমে বলেন, ‘দীর্ঘ সংগীতজীবনে ভক্ত-শ্রোতাদের এত বেশি ভালোবাসা পেয়েছি, সম্মানিত হয়েছি যে জীবনের এই পর্যায়ে এসে আর কোনো প্রাপ্তি বা সম্মাননা বিশেষভাবে পুলকিত করে না বা আনন্দিত করে না। তারপরও রাষ্ট্রীয়ভাবে আমাকে নিয়ে এই ধরনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, এটা একজন শিল্পী হিসেবে অবশ্যই ভালো লাগার। আশা করছি আমাকে ঘিরে এ আয়োজন সুন্দর হবে এবং সবার কাছে উপভোগ্য হবে। যারা এই আয়োজনে সংগীত পরিবেশন করবে, তাদের জন্য আমার পক্ষ থেকে শুভ কামনা রইল। আন্তরিক কৃতজ্ঞতা সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় এবং শিল্পকলা একাডেমির প্রতি।’

তিনি জানান, অনুষ্ঠানে তিনি নিজে গান পরিবেশন করবেন না। তবে তার কণ্ঠে অমর হয়ে থাকা জনপ্রিয় গানগুলো পরিবেশন করবেন এই প্রজন্মের শিল্পী রাশেদ, আতিক, অপু আমান, কোনাল, অনন্যা ও সুস্মিতাসহ আরো অনেকে। এ জছাড়া অনুষ্ঠানে তার জীবন ও সংগীতযাত্রা নিয়ে একটি তথ্যচিত্র প্রদর্শনের পাশাপাশি থাকবে আলোচনা পর্ব।

উল্লেখ্য, এর আগে গত বছরের সেপ্টেম্বর মাসে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের পৃষ্ঠপোষকতায় এবং শিল্পকলা একাডেমির ব্যবস্থাপনায় দেশের আরেক কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী সাবিনা ইয়াসমীনকে বিশেষ সম্মাননা প্রদান করা হয়েছিল। ওই আয়োজনে তার সংগীতজীবন নিয়ে আলোচনা এবং তার জনপ্রিয় গানগুলোর বিশেষ পরিবেশনা অনুষ্ঠিত হয়।

বাংলাদেশের চলচ্চিত্র সংগীতে অসামান্য অবদানের জন্য সৈয়দ আব্দুল হাদী পাঁচবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে সেরা গায়কের স্বীকৃতি পেয়েছেন। ‘গোলাপী এখন ট্রেনে’ (১৯৭৮), ‘সুন্দরী’ (১৯৭৯), ‘কসাই’ (১৯৮০), ‘গরিবের বউ’ (১৯৯০) এবং ‘ক্ষমা’ (১৯৯২) চলচ্চিত্রে প্লেব্যাকের জন্য তিনি এই সম্মান অর্জন করেন।

তার কণ্ঠে গাওয়া অসংখ্য জনপ্রিয় গানের মধ্যে রয়েছে ‘আছেন আমার মুক্তার আছেন আমার ব্যারিস্টার’, ‘আমি তোমারি প্রেম ভিখারি’, ‘চোক্ষের নজর এমনি কইরা’, ‘যেও না সাথি’, ‘জন্ম থেকে জ্বলছি মাগো’, ‘সূর্যোদয়ে তুমি’ এবং ‘তেল গেলে ফুরাইয়া’। এসব গান আজও বাংলা সংগীতপ্রেমীদের হৃদয়ে সমানভাবে জনপ্রিয়।

বুবলীর রাগ ভাঙাতে শাকিবই এগিয়ে আসেন

বিনোদন প্রতিবেদক
বুবলীর রাগ ভাঙাতে শাকিবই এগিয়ে আসেন
সংগৃহীত ছবি

বছরচারেক আগে শাকিব খান প্রকাশ্যে জানিয়ে দিয়েছিলেন, অপু বিশ্বাস ও শবনম বুবলী—দুজনই তার জীবনে অতীত। অপুর সঙ্গে বিচ্ছেদের ঘটনা জানলেও সেই বক্তব্যের পর অনেকেই ধরে নিয়েছিলেন, শাকিব খান ও বুবলীর দাম্পত্য সম্পর্কের ইতি ঘটেছে। 

তবে পরবর্তীতে এক সাক্ষাৎকারে বুবলীর বক্তব্য নতুন করে আলোচনার জন্ম দেয়। সেখানে তিনি জানান, বিচ্ছেদ নয়, বরং সময় নিয়ে সম্পর্ককে এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছেন তারা।

২০২২ সালের নভেম্বরের এক সাক্ষাৎকারে শাকিব খান বলেছিলেন, ‘একটা কথা নিশ্চিত করে বলতে চাই, অপু বিশ্বাস ও বুবলী দুজনেই এখন আমার কাছে অতীত। তাদের সঙ্গে কোনো অবস্থাতেই আমার সম্পর্ক জোড়া লাগার সম্ভাবনা নেই। অতীত মানে তারা অতীতই। তারা আমার দুই সন্তানের মা, সন্তানের মা হিসেবে তাদের প্রতি আমার যে সম্মান ও সম্পর্ক থাকা দরকার, স্রেফ সেটুকুই থাকবে।’

এই মন্তব্যের পর দুই বছর কেটে যায়। এরপর ২০২৪ সালে নাগরিক টেলিভিশনের ‘বলা না-বলা’ অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে সম্পর্ক নিয়ে খোলামেলা কথা বলেন বুবলী। 

তিনি জানান, তাদের বিচ্ছেদ হয়নি এবং ভুল বোঝাবুঝি কাটিয়ে ওঠার জন্য তারা সময় নিচ্ছেন।

সেই সাক্ষাৎকারে বুবলী বলেছিলেন, ‘আমরা টাইম নিচ্ছি। আমাদের ডিভোর্স হয়নি। একটি দাম্পত্য সম্পর্কে অনেক ভুল-বোঝাবুঝি হয়। শেহজাদকে নিয়ে একা সংগ্রাম করছি। সেখান থেকে সন্তানের বাবা হিসেবে তাকে কখনো অসম্মান করিনি। আমি কখনোই আক্রমণ করিনি, বরং সব সময় কিছু হলে তার জবাব দিয়েছি। নীরব থেকেছি। ধৈর্য ধরে তার পাশে থেকেছি। আমাদের নিয়মিত দেখা হয়।’

তিনি আরো জানান, সময়ের সঙ্গে তাদের পারস্পরিক বোঝাপড়া আরো ভালো হয়েছে এবং একসঙ্গে কাটানো সময়ও উপভোগ করেন। 

বুবলী বলেছিলেন, ‘আমাদের দুজনের মধ্যে একটা মিল আছে, আমি যখন চুপচাপ থাকি তখন চুপচাপ। আবার পরিবারের সঙ্গে থাকলে খুব কথা বলি। শাকিব খান কিন্তু সেটে চুপচাপ থাকেন। আবার যখন বন্ধুমহলে থাকেন তখন খুব আড্ডাবাজ। বিষয়টি আসলে পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করে। যে কারণে একে অন্যকে বোঝাটা গুরুত্বপূর্ণ।’

দাম্পত্যজীবনের টানাপোড়েন প্রসঙ্গে বুবলী বলেছিলেন, মতবিরোধ হলেও তিনি ধৈর্যের পথই বেছে নিতেন। আর রাগ ভাঙানোর উদ্যোগ নিতেন শাকিব খান।

তার কথায়, ‘শাকিবের রাগ প্রচুর। রেগে গেলে চুপ হয়ে যান, তবে প্রকাশ করেন না। বুঝে নিতে হয়। আমিও তখন চুপচাপ হয়ে যাই। তাকে বোঝাতে চেষ্টা করি। রাগটা সঠিক হলে বোঝাতে চাই। আর না হলে সময় নিই যে তিনি হয়তো বুঝতে পারবেন। আর উল্টো দিকে আমি সহজে রাগি না। খুব যৌক্তিকভাবে রাগ করি। রাগটা আসলে তেমন নয়, প্রতিক্রিয়া দেখাই। রাগ ভাঙাতে শাকিব খানই এগিয়ে আসেন। কারো দাম্পত্যজীবন সুখের হলে সেখানে অন্য কেউ ঢুকতে পারে না। যে কারণে আমি ধৈর্য ধরতে চাই।’

বুবলী সেই সাক্ষাৎকারে তাদের ছেলে শেহজাদ খান বীরের কথাও তুলে ধরেন। তিনি জানান, সন্তানের সুন্দর ভবিষ্যতের কথা ভেবেই তিনি সম্পর্ককে গুরুত্ব দিয়েছেন এবং চাননি ছেলে একা বড় হোক।

এদিকে সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নতুন একটি ফটোকার্ড প্রকাশ করে বুবলী জানান, তিনি আবার মা হয়েছেন। কয়েক মাস ধরে এ বিষয়ে নানা গুঞ্জন থাকলেও তিনি এতদিন বিষয়টি নিয়ে প্রকাশ্যে কিছু বলেননি। 

সবশেষে নিজের ফেসবুক পোস্টের মাধ্যমে সুখবরটি জানান এই অভিনেত্রী। এরপর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নতুন করে আলোচনায় এসেছে তার পুরনো সেই সাক্ষাৎকার, যা নিয়ে হচ্ছে আলোচনাও। 

‘ছেলেরাও কাজ পেতে বিছানায় যায়’ | কালের কণ্ঠ