kalerkantho


শিল্পীসত্ত্বা ও টাকা-যেটাকে এগিয়ে রাখলেন অমিতাভ

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২৩ জানুয়ারি, ২০১৮ ২০:১১



শিল্পীসত্ত্বা ও টাকা-যেটাকে এগিয়ে রাখলেন অমিতাভ

অমিতাভ বচ্চন মানেই অ্যাকশন, রোমান্টিক ও কমেডি ছবি। জঞ্জির, কুলি, কালিয়া, নমক হালাল, ডন, নটবর লাল, কভি কভি, সিলসিলা আরও কত কী। সাম্প্রতিককালে সেই তালিকায় ভূতনাথ রিটার্নস, পিঙ্ক, পিকু, তিনের মতো ছবির নাম যুক্ত হয়েছে।

৭০-এর ঘরে এসেও অভিনয় করে যাচ্ছেন। তার এই শিল্পীসত্ত্বা বহুবার প্রশংসাও পেয়েছে। তবে এক সাক্ষাৎকারে তিনি নিজেই বলেছিলেন, অনেকে মনে করেন, শিল্পীসত্ত্বার জন্য সিনেমা করে তারকারা। এই ধারণা ঠিক নয়। আদতে, লাভের জন্য ছবিতে বিনিয়োগ করা হয়। অর্থাৎ, লাভের মুনাফা গুরুত্বপূর্ণ।

আশির দশক। সেই সময় অধিকাংশ ছবির মূল বিষয় ছিল অ্যাকশন। মারপিঠ, রক্তারক্তি। হিংসার বিষয়টিও বাড়ছিল ছবিতে। আর সেই সময় এই এক সাক্ষাৎকারে অমিতাভ বচ্চনকে প্রশ্ন করা হয়েছিল, সমসাময়িক ছবিতে হিংসা বাড়ছে।

অনসেট ভিডিও চালু হওয়ার পর সিনেমার বিস্তৃতিও বেড়েছে। ফলে দর্শক বিশেষত শিশুদের মনে এমন হিংসার প্রভাব পড়ছে। বর্তমান এটা কোনও সমস্যা নয়?

উত্তরে অমিতাভ বচ্চন বলেছিলেন, বিংশ শতাব্দীতে হিংসা কোনও নতুন বিষয় নয়। এটা দশকের পর দশক ধরে চলে আসছে। আমার মনে হয়, প্ররোচনামূলক হিংসার দায় ছবির উপর চাপিয়ে দেওয়া ঠিক হবে না। আপনারা যেটা বলছেন সেটা ঠিক। এখন শিশুরা ছবি দেখছে এবং তার সঙ্গে নিজেদের অল্পসময়ের মধ্যে জড়িয়ে নিচ্ছে।

বর্তমানে শুধু ছবি নয়। রেডিও বা অন্য মাধ্যমের থেকেও শিশুরা প্রভাবিত হচ্ছে। কিন্তু তা আটকানো আমাদের হাতে নেই। আমরা এসব তৈরি করি, টাকা ফেরত পাওয়ার জন্য। হয়ত অনেকে বলবে আমরা এখানে শিল্পের জন্য আছি। কিন্তু, আসল বিষয় আমরা সিনেমায় যা বিনিয়োগ করি, তার মুনাফা ফেরত পেতে চায়। মুনাফার জন্যই তো বিনিয়োগ। আমাদের বক্স অফিস নিয়ে ভাবতে হয়।

১৯৮৩ সালে এক সংবাদমাধ্যমে এই সাক্ষাৎকারটি দিয়েছিলেন অমিতাভ বচ্চন।



মন্তব্য