kalerkantho


প্রোমোতেই মুগ্ধতা ছড়াল টুলু-কন্যা

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৮ জানুয়ারি, ২০১৮ ১৭:২০



প্রোমোতেই মুগ্ধতা ছড়াল টুলু-কন্যা

রদিয়া। বয়স মাত্র ১২। পড়ছে গ্রেড ৭-এ। বাবা-মায়ের সাথে কানাডাপ্রবাসী। সংগীতের ওপর চর্চা করা হয়নি কখনোই। তবুও যার পিতা একজন আশিকুজ্জামান টুলু, মাতা টিনা কিবরিয়া তার রক্তে তো সংগীতের বীজ বপন করা থাকবেই। 

কানাডার একটা রেডিও চ্যানেলে দুই ভাই-বোন একটা টকশো করত, গান হটাৎ করে ৬ মাস আগে গাওয়া শুরু করেছে। শোতেও গান করেছে ইতিমধ্যে। 

৬ মাস আগে একদিন পাশের ঘরে বসে মেয়ের গান শুনছিলেন বাবা আশিকুজ্জামান টুলু। সেখান থেকেই বাবা মেয়েকে বললেন, 'তুমি তো ভালো গাও, এসো গান করি।' কিশোরী মেয়েকে অনেক কষ্টে রাজি করিয়ে একটি গান করতে বললেন। মেয়ে তুলে ফেলল বাপ্পী খানের কথা ও আশিকুজ্জামান টুলুর সুর ও সংগীতে আর্ক-এর জনপ্রিয় গান 'এমন একটা সময় ছিল'।

ঘরে গুনগুন করে গাইতে রাজি রদিয়া, কিন্তু মাইক্রোফোনে গাইতে রাজি নয়। রেকর্ডিং সেশনের ভিডিওটি দেখলেই বুঝতে পারবেন। রেকর্ডিং-এর একপর্যায়ে রদিয়া বাবা-মাকে বললেই ফেলল, আই কুইট (আমি এটা ছেড়ে দিচ্ছি)।

অতঃপর অনেক কষ্টে রাজি করিয়ে গাওয়ানো হয় গানটি। এই ভিডিওটি আশিকুজ্জামান টুলু তার ফেসবুকে পোস্ট দেবার পর শ্রোতাদের ভেতর দারুণ সাড়া পড়ে। ঢাকা থেকে কয়েকজন গীতিকার, কম্পোজার রদিয়াকে দিয়ে গান করাতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। এ ব্যাপারে নতুন গানের কথা প্রায় চূড়ান্ত।

একটি প্রযোজনা সংস্থা রদিয়ার গান নিয়ে অডিও সিডি প্রকাশের আগ্রহ প্রকাশ করেছে বলে জানান আশিকুজ্জামান টুলু।

বাংলাদেশের সংগীতে একজন আশিকুজ্জামান টুলুর অবদান অনস্বীকার্য। তাঁর হাতে অনেক গান ও অনেক শিল্পী আজ জনপ্রিয়। তার কন্যার কণ্ঠে বাংলা সংগীত আবারো প্রাণ ফিরে আসুক এবং রদিয়া'র উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ আমরা কামনা করতে পারি।

রাদিয়া বড় হয়ে সাইকোলজিস্ট অথবা মেন্টাল থেরাপিস্ট হতে চায়। 


মন্তব্য