kalerkantho


কাল মূকাভিনয় সম্রাট ‘মার্সেল মার্সো’র মৃত্যুবার্ষিকী

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২১ সেপ্টেম্বর, ২০১৭ ১৬:২৮



কাল মূকাভিনয় সম্রাট ‘মার্সেল মার্সো’র মৃত্যুবার্ষিকী

বাংলাদেশে মূকাভিনয় শিল্পের প্রেক্ষাপটে মার্সেল মার্সো নামটি অঙ্গাঅঙ্গিভাবে জড়িত কারণ বাংলাদেশের খ্যাতিমান প্রবাসী মাইম শিল্পী পার্থপ্রতিম মজুমদার ছিলেন মার্সোর প্রিয় ছাত্র। পার্থপ্রতিম মজুমদারকে তিনি নিজের পূত্র বলে পরিচয় দিতেন।

আর পার্থপ্রতিম মজুমদার বাংলাদেশে প্রথম মূকাভিনয় শিল্পের সূচনা করেন। পার্থপ্রতিম মজুমদারের গুরু বিশ্বখ্যাত মূকাভিনয় শিল্পী ‘মাস্টার অব মাইম’ ‘মার্সেল মার্সো’র প্রয়াণ দিবস আগামীকাল (২২সেপ্টেম্বর)। ২০০৭ সালের এই দিনে ৮৪ বছর বয়সে মার্সেল মার্সো মৃত্যুবরণ করেন। ১৯২৩ সালের ২২ মার্চ তিনি ফ্রান্সের স্টাসবুর্গ শহরে জন্মগ্রহণ করেন।

মার্সোকে বলা হয় সর্বকালের সেরা মূকাভিনেতা। মার্সেল মার্সো ১৯৪৬-এ মূকাভিনয়ে পেশাগত জীবন শুরু করলেও ১৯৪৭ থেকে তিনি মূকাভিনয়-কাহিনীতে ‘বিপ’ চরিত্রের প্রবর্তন করেন, যেটি তার প্রযোজনায় নানাভাবে উপস্থাপিত হতে থাকে। আর এর মাধ্যমেই মার্সো সারা বিশ্বে পরিচিতিসহ শিখরস্পর্শী জনপ্রিয়তা লাভ করেন। ‘বিপ’ বিষয়ক মার্সো-র কয়েকটি উল্লেখযোগ্য নকশা-মূকাভিনয় হচ্ছে ‘বিপ হান্টস্ বাটারফ্লাই’, ‘বিপ, গ্রেট স্টার অব এ ট্রাভেলিং সার্কাস’, ‘বিপ অ্যাজ এ লায়ন ট্রেমার’, ‘বিপ অ্যাজ এ সোলজার’, ‘বিপ ইন দ্য মর্ডান অ্যান্ড ফিউচার লাইফ’ প্রভৃতি। মূকাভিনয় শিল্পের উৎকর্ষে তিনি স্থাপন করেন আধুনিক মূকাভিনয় শিক্ষার অনন্য শিক্ষায়তন ‘লা ইকোল ইন্টারন্যাশনাল ডি মাইমোড্রামা’।

মার্সোর প্রয়াণ দিবসে বাংলাদেশের তরুণ প্রজন্মে তারকা মূকাভিনয় শিল্পী নিথর মাহবুব বলেন, ‘আমরা গর্বিত যে মার্সেল মার্সোর সবচেয়ে প্রিয় ছাত্রটি আমাদের দেশের পার্থপ্রতিম মজুমদার; আমি যাকে গুরু বলে মানি। পার্থদার কাছে জেনেছি মার্সেল মার্সোর মৃত্যুর পর তাকে নিয়ে নানা ধরনের বাণিজ্য হতে পারে বলে তার পরিবারের পক্ষ থেকে পরিবারে অনুমতি ছাড়া পৃথিবীর কোথাও মার্সেল মার্সোকে নিয়ে কোন অ্যাওয়ার্ড প্রদানসহ তার জন্ম বা মৃত্যুবার্ষিকী নিয়ে অনুষ্ঠান নিষেধ করে দেয়া হয়েছে এবং ফ্রান্সে রাষ্ট্রীয়ভাবেও এই ঘোষণা দেয়া আছে। তাই পার্থদার সম্মানের কথা চিন্তা করে আমি বা আমার দল মার্সেল মার্সোর জন্ম-মৃত্যুবার্ষিকীকে কেন্দ্র করে কোনও অনুষ্ঠানের আয়োজন করি না’


মন্তব্য