kalerkantho


'উনি আমার অভিভাবক ছিলেন'

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২২ আগস্ট, ২০১৭ ১৫:২৫



'উনি আমার অভিভাবক ছিলেন'

না-ফেরার দেশে চলে গেলেন নায়করাজ রাজ্জাক। গতকাল সোমবার সন্ধ্যা ৬টা ১৩ মিনিটে রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন রাজ্জাক।

রাজ্জাকের মৃত্যতে বাংলাদেশের চলচ্চিত্র জগত যেন হঠাৎ করে স্তব্ধ হয়ে গেছে। শোক প্রকাশ করেছেন অনেকেই। রাজ্জাক শুধু একজন অভিনেতাই ছিলেন না। অভিনয়ের মাধ্যমে হয়ে উঠেছিলেন কিংবদন্তি। হয়ে উঠেছিলেন এ দেশের চল্পচ্চিত্র জগতের অভিভাবক। অনেক তারকাই তাঁকে অভিভাবক হিসেবে মানতেন। তেমনি তারকা দম্পতি ওমর সানি-মৌসুমীও তাঁদের অভিভাবক মনে করতেন রাজ্জাককে।

অভিভাবক হারিয়ে তাঁরাও আজ দারুণ মর্মাহত, শোকাহত। ওমর সানি  ফেসবুকে লিখেছেন, 'খবরটা শোনার পর ভীষণ একটা ধাক্কা খেলাম।

উনি আমার অভিভাবক ছিলেন। তাঁকে এভাবে হারাব ভাবতে পারিনি। তাঁর শূন্যতা কিছুতেই পূরণ হবে না। উনি আমাদের ইন্ডাস্ট্রির জন্য সম্পদ। মাথার ওপর থেকে ছায়া হারালাম। '

বাংলা চলচ্চিত্রের কিংবদন্তি অভিনেতা রাজ্জাক 'নায়করাজ' নামে সুপরিচিত। ষাটের দশকের মাঝের দিকে তিনি চলচ্চিত্র অভিনেতা হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন। ষাটের দশকের বাকি বছরগুলোতে এবং সত্তরের দশকেও তাঁকে বাংলাদেশের চলচ্চিত্র শিল্পের প্রধান অভিনেতা হিসেবে বিবেচনা করা হতো।

রাজ্জাক পশ্চিমবঙ্গের কলকাতার টালিগঞ্জে জন্মগ্রহণ করেন। কলকাতার খানপুর হাই স্কুলে সপ্তম শ্রেণিতে পড়ার সময় স্বরস্বতী পূজা চলাকালীন মঞ্চ নাটকে অভিনয়ের জন্য তার গেম টিচার রবীন্দ্রনাথ চক্রবর্তী তাঁকে বেছে নেন নায়ক অর্থাৎ কেন্দ্রীয় চরিত্রে। শিশু-কিশোরদের নিয়ে লেখা নাটক বিদ্রোহীতে গ্রামীণ কিশোর চরিত্রে অভিনয়ের মধ্য দিয়েই নায়করাজের অভিনয়ে সম্পৃক্ততা।

১৯৯০ সাল পর্যন্ত বেশ দাপটের সাথেই ঢালিউডে সেরা নায়ক হয়ে অভিনয় করেন রাজ্জাক। এর মধ্য দিয়েই তিনি অর্জন করেন নায়করাজ রাজ্জাক খেতাব। অর্জন করেন একাধিক সম্মাননা। এ ছাড়াও, রাজ্জাক জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিলের শুভেচ্ছা দূত হিসেবে কাজ করেছেন।


মন্তব্য